০৬:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী শফিকুলের অবৈধ সম্পদের বিষয় দুদুকে অভিযোগ

  • আপডেট: ০৩:২১:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১৮০০৫

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ঢাকা জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী ও সাবেক এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ের অধীন,৬২ আগারগাঁও ঢাকা এর ময়মনসিংহ বিভাগ প্রকল্পের শহকারী প্রকৌশলী মো.শফিকুল ইসলাম,বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় তদবির বাণিজ্য করে অবৈধভাবে ফ্ল্যাট,প্লট,বাড়ি,গাড়ী ও কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক বনে গেছেন।

তার এসব অবৈধ উপার্জনের বিষয়ের তদন্ত চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে দুদক লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মো.মুসা নামের এক ব্যক্তি।

দুদকের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,মো.শফিকুল ইসলাম, বর্তমানে ঢাকা জেলা পরিষদে সহকারী প্রকৌশলী,হিসাবে কমরত আছেন। তিনি ইতিপূর্বে এলজিইডির আগারগাঁও ময়মনসিংহ প্রকেল্প কর্মরত ছিলেন। সেখানে বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে প্রকল্প পরিচালককে ভয় দেখিয়ে তদবির বাণিজ্য করে প্রকল্পের কোটি কোটি টাকা আত্মসাত করে নিজে বাড়ী, ফ্ল্যাট,প্লট ও গাড়ীর মালিক বনে গেছেন। তার পিতার নাম রুহুল আমিন,মাতা সাবেরা,স্ত্রীর নাম মর্জিনা খাড় তার বর্তমান বাসা নং-জান্নাত বাগিচা,বাসা নং-২১৯/১৫/১,দক্ষিণ পিরের বাগ,ওসমানগনি রোড,৬০ ফিট ভাঙ্গা ব্র মিরপুর,ঢাকা। তার স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রাম-বাঘোপাড়া,ডাকঘর-বকুল,উপজেলা-বগুড়া সদর,জেলা-বগুড়া। তার জাগ পরিচয়পত্রনং-১৯৭৬২৬৯৮৮৭৮৪১০৫৭৩,জন্ম তারিখঃ ২২/১০/১৯৭৬ইং,তার টিন নং-১৬৯৮৩১২৩০৪৯০,সার্কেল-৮৫, কর অঞ্চল-০৪,ঢাকা। তিনি ঘুষদুর্নীতি করে অবৈধ ভাবে প্রকল্পের টাকা আত্মসাত করে অল্পদিনেই বে কোটি টাকার মালিকানা বনে গেছেন। তিনি বর্তমানে একটি বিলশবহুল প্রাইভেট কার ক্রয় করেছেন প্রায় অর্ধ কোটি ট দিয়ে। এছাড়াও তিনি নিয়মিত এলজিইডির প্রকল্পের কমরত থাকাকালীন বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন কাজে প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। কারণ তার বাড়ী বগুড়ায় হওয়ায় সেই ক্ষমতা ব্যবহার করে। তার ও তার পরিবারের অবৈধ সম্পদের কিছু অংশ তুলে ধরা হলোঃ (১) বাসা নং-২১৯/১৫/১,দক্ষিণ পিরের ব ওসমানগনি রোড,৬০ ফিট ভাঙ্গা ব্রীজ,মিরপুর,ঢাকা। উক্ত বাড়িটি ৩য় একটি আলিশান ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন প্রায় কোটি টাকা ব্যয় করে। (২) বাসা,মোহাম্মদপুর,উক্ত বাসায় ৫ম তলা টি একটি ২৫০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন ৩ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা দিয়ে। (৩) বাসা,উত্তরা,বাড়ীটি তিনি প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয় করে ৪র্থ তলা বাড়ি নিমার্ণ করেছেন। (৪) বাসা,গাজীপুর কাশেমপুর কারাগারের বিপরীত পাশে তিনি একটি প্লট ক্রয় করেছন ৪ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা দিয়ে। (৫) প্লট-পিয়াংকা সিটি,উত্তরায় ঢাকা। উক্ত প্লটটি তিনি ৬ কোটি ২৯ লক্ষ টাকা দিয়ে ক্রয় করেছেন। (৬) বাসা,তুরাগ সিটি,উত্তরা,ঢাকা। উক্ত প্লটটি তার নিজ নামে নামে ৫ কোটি ২০ লক্ষ টাকা দিয়ে। করেছন। (৭) বাসা, আশুলিয়া বাজার পাশে। উক্ত বাড়িটি তিনি ৫ম তলা ভবন নিমার্ণ করে আলিশান বাড়ি।

(৮) বগুড়া জেলা শহরে তিনি একটি ৭ম তলা আলিশান বাড়ি নিমার্ণ করেছেন কয়েক কোটি টাকা। করে। এছাড়াও তার দলিল নং-২০৬০-ও দলিল নং ২০২৯০,জমি ক্রয় করেছেন ৩ কোটি টাকা দিয়ে কিন্তু তিনি তার মূল্য দেখিয়েছেন যত সামান্য টাকা। তিনি ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে বেনামে কোটি কোটি টাকা দেশের বিভিন্ন স্থ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বলে তার বিশেষ সূত্রে জানা যায়। তার দুর্নীতির কারণে এলজিইডির কর্তৃপক্ষ তাকে ঢাকা জেলা পরিষদে বদিল করে দিতে বাধ্য হয়েছেন। তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুনের নামেও কোটি কোটি টাকা অবৈধ সম্পদ রয়েছে বলে জানা যায়। তার প্রভাব পত্তি এতো বেশি যে তিনি সব সময় বিএনপির সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের নাম ব্যবহার করে তদবির বাণিজ্য নিয়োজিত রয়েছেন এখনও। তার ও তার পরিবারের বিষয়টি তদন্ত করলে আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও পাওয়া যাবে।

এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দুর্নীতির এই অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

ঢাকা জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী শফিকুলের অবৈধ সম্পদের বিষয় দুদুকে অভিযোগ

আপডেট: ০৩:২১:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ঢাকা জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী ও সাবেক এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ের অধীন,৬২ আগারগাঁও ঢাকা এর ময়মনসিংহ বিভাগ প্রকল্পের শহকারী প্রকৌশলী মো.শফিকুল ইসলাম,বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় তদবির বাণিজ্য করে অবৈধভাবে ফ্ল্যাট,প্লট,বাড়ি,গাড়ী ও কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক বনে গেছেন।

তার এসব অবৈধ উপার্জনের বিষয়ের তদন্ত চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে দুদক লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মো.মুসা নামের এক ব্যক্তি।

দুদকের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,মো.শফিকুল ইসলাম, বর্তমানে ঢাকা জেলা পরিষদে সহকারী প্রকৌশলী,হিসাবে কমরত আছেন। তিনি ইতিপূর্বে এলজিইডির আগারগাঁও ময়মনসিংহ প্রকেল্প কর্মরত ছিলেন। সেখানে বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে প্রকল্প পরিচালককে ভয় দেখিয়ে তদবির বাণিজ্য করে প্রকল্পের কোটি কোটি টাকা আত্মসাত করে নিজে বাড়ী, ফ্ল্যাট,প্লট ও গাড়ীর মালিক বনে গেছেন। তার পিতার নাম রুহুল আমিন,মাতা সাবেরা,স্ত্রীর নাম মর্জিনা খাড় তার বর্তমান বাসা নং-জান্নাত বাগিচা,বাসা নং-২১৯/১৫/১,দক্ষিণ পিরের বাগ,ওসমানগনি রোড,৬০ ফিট ভাঙ্গা ব্র মিরপুর,ঢাকা। তার স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রাম-বাঘোপাড়া,ডাকঘর-বকুল,উপজেলা-বগুড়া সদর,জেলা-বগুড়া। তার জাগ পরিচয়পত্রনং-১৯৭৬২৬৯৮৮৭৮৪১০৫৭৩,জন্ম তারিখঃ ২২/১০/১৯৭৬ইং,তার টিন নং-১৬৯৮৩১২৩০৪৯০,সার্কেল-৮৫, কর অঞ্চল-০৪,ঢাকা। তিনি ঘুষদুর্নীতি করে অবৈধ ভাবে প্রকল্পের টাকা আত্মসাত করে অল্পদিনেই বে কোটি টাকার মালিকানা বনে গেছেন। তিনি বর্তমানে একটি বিলশবহুল প্রাইভেট কার ক্রয় করেছেন প্রায় অর্ধ কোটি ট দিয়ে। এছাড়াও তিনি নিয়মিত এলজিইডির প্রকল্পের কমরত থাকাকালীন বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন কাজে প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। কারণ তার বাড়ী বগুড়ায় হওয়ায় সেই ক্ষমতা ব্যবহার করে। তার ও তার পরিবারের অবৈধ সম্পদের কিছু অংশ তুলে ধরা হলোঃ (১) বাসা নং-২১৯/১৫/১,দক্ষিণ পিরের ব ওসমানগনি রোড,৬০ ফিট ভাঙ্গা ব্রীজ,মিরপুর,ঢাকা। উক্ত বাড়িটি ৩য় একটি আলিশান ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন প্রায় কোটি টাকা ব্যয় করে। (২) বাসা,মোহাম্মদপুর,উক্ত বাসায় ৫ম তলা টি একটি ২৫০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন ৩ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা দিয়ে। (৩) বাসা,উত্তরা,বাড়ীটি তিনি প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয় করে ৪র্থ তলা বাড়ি নিমার্ণ করেছেন। (৪) বাসা,গাজীপুর কাশেমপুর কারাগারের বিপরীত পাশে তিনি একটি প্লট ক্রয় করেছন ৪ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা দিয়ে। (৫) প্লট-পিয়াংকা সিটি,উত্তরায় ঢাকা। উক্ত প্লটটি তিনি ৬ কোটি ২৯ লক্ষ টাকা দিয়ে ক্রয় করেছেন। (৬) বাসা,তুরাগ সিটি,উত্তরা,ঢাকা। উক্ত প্লটটি তার নিজ নামে নামে ৫ কোটি ২০ লক্ষ টাকা দিয়ে। করেছন। (৭) বাসা, আশুলিয়া বাজার পাশে। উক্ত বাড়িটি তিনি ৫ম তলা ভবন নিমার্ণ করে আলিশান বাড়ি।

(৮) বগুড়া জেলা শহরে তিনি একটি ৭ম তলা আলিশান বাড়ি নিমার্ণ করেছেন কয়েক কোটি টাকা। করে। এছাড়াও তার দলিল নং-২০৬০-ও দলিল নং ২০২৯০,জমি ক্রয় করেছেন ৩ কোটি টাকা দিয়ে কিন্তু তিনি তার মূল্য দেখিয়েছেন যত সামান্য টাকা। তিনি ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে বেনামে কোটি কোটি টাকা দেশের বিভিন্ন স্থ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বলে তার বিশেষ সূত্রে জানা যায়। তার দুর্নীতির কারণে এলজিইডির কর্তৃপক্ষ তাকে ঢাকা জেলা পরিষদে বদিল করে দিতে বাধ্য হয়েছেন। তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুনের নামেও কোটি কোটি টাকা অবৈধ সম্পদ রয়েছে বলে জানা যায়। তার প্রভাব পত্তি এতো বেশি যে তিনি সব সময় বিএনপির সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের নাম ব্যবহার করে তদবির বাণিজ্য নিয়োজিত রয়েছেন এখনও। তার ও তার পরিবারের বিষয়টি তদন্ত করলে আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও পাওয়া যাবে।

এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দুর্নীতির এই অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা।