০৯:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

গণহত্যা ও স্বাধীনতা দিবস ঘিরে র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা

  • আপডেট: ০৬:০৫:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • / ১৮০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

আগামী ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও জাতীয় প্যারেড স্কয়ারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ভিভিআইপি ও বিদেশি কূটনীতিকদের উপস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, গণহত্যা ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে ২৫ ও ২৬ মার্চ ঢাকাসহ সারা দেশে পর্যাপ্তসংখ্যক র‍্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ঢাকা মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহর ও জেলাগুলোতে আয়োজিত কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে, আলোচনা সভা ও মেলাসহ প্রতিটি অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন বা সন্ত্রাসীরা যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে র‍্যাব সতর্ক রয়েছে। পাশাপাশি ভার্চ্যুয়াল জগতে গুজব বা উসকানিমূলক তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে র‍্যাবের সাইবার মনিটরিং টিম সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শহরের প্রবেশ ও বাহিরের পথসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও জাতীয় প্যারেড স্কয়ার এলাকায় র‍্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড প্রয়োজনীয় ‘সুইপিং’ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

র‍্যাবের প্রতিটি ব্যাটালিয়ন নিজ নিজ নিয়ন্ত্রণকক্ষের মাধ্যমে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। র‍্যাব সদর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে সারা দেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে।

গণহত্যা ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে র‍্যাব সবার সহযোগিতা কামনা করেছে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট এলাকার র‍্যাব টহল ইনচার্জ বা ব্যাটালিয়ন অধিনায়ককে অবহিত করার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

গণহত্যা ও স্বাধীনতা দিবস ঘিরে র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা

আপডেট: ০৬:০৫:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

আগামী ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও জাতীয় প্যারেড স্কয়ারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ভিভিআইপি ও বিদেশি কূটনীতিকদের উপস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, গণহত্যা ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে ২৫ ও ২৬ মার্চ ঢাকাসহ সারা দেশে পর্যাপ্তসংখ্যক র‍্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ঢাকা মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহর ও জেলাগুলোতে আয়োজিত কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে, আলোচনা সভা ও মেলাসহ প্রতিটি অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন বা সন্ত্রাসীরা যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে র‍্যাব সতর্ক রয়েছে। পাশাপাশি ভার্চ্যুয়াল জগতে গুজব বা উসকানিমূলক তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে র‍্যাবের সাইবার মনিটরিং টিম সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শহরের প্রবেশ ও বাহিরের পথসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও জাতীয় প্যারেড স্কয়ার এলাকায় র‍্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড প্রয়োজনীয় ‘সুইপিং’ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

র‍্যাবের প্রতিটি ব্যাটালিয়ন নিজ নিজ নিয়ন্ত্রণকক্ষের মাধ্যমে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। র‍্যাব সদর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে সারা দেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে।

গণহত্যা ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে র‍্যাব সবার সহযোগিতা কামনা করেছে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট এলাকার র‍্যাব টহল ইনচার্জ বা ব্যাটালিয়ন অধিনায়ককে অবহিত করার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।