১০:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

সাফজয়ী ফুটবলারদের সংবর্ধনা: ফেডারেশনগুলোকে স্বাবলম্বী করার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

  • আপডেট: ০৪:১৭:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৮০০৭

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

মালদ্বীপে ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জেতা বাংলাদেশ যুব ফুটবল দলকে সংবর্ধনা ও আর্থিক পুরস্কার দিয়েছে সরকার। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিজয়ী দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের হাতে নগদ এক লক্ষ টাকা আর্থিক পুরস্কার এবং ক্রীড়া কার্ড তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অতীত ঐতিহ্য স্মরণ করার পাশাপাশি ফেডারেশনগুলোর ভবিষ্যৎ উন্নয়নে সরকারের নানা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
বক্তব্যের শুরুতেই আমিনুল হক দেশের ক্রীড়া সংগঠকদের ত্যাগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ফুটবল ও ক্রিকেটের মতো গুটিকয়েক ফেডারেশন বাদে দেশের অধিকাংশ ফেডারেশনের অবস্থা বর্তমানে বেশ জরাজীর্ণ। তিনি সাবেক ফুটবলার ও সংগঠদের উদ্ধৃতি দিয়ে স্মৃতিকাতর হয়ে জানান, একটা সময় এমন অনেক নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক ছিলেন যারা নিজেদের স্ত্রীর গহনা কিংবা ব্যক্তিগত গাড়ি বিক্রি করে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক পরিশোধ করেছেন।

এই গুণী মানুষদের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি মন্তব্য করেন যে, গুণীদের যথাযথ সম্মান দিলে দেশে ভবিষ্যতে আরও অনেক গুণী মানুষের জন্ম হবে। সরকার এই ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের পাশে সবসময় থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

দেশের ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোকে শক্তিশালী ও স্বাবলম্বী করার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তাকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ফেডারেশনগুলো যাতে আর্থিক সংকটে না পড়ে এবং দেশের বাইরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশগ্রহণের সময় স্বাচ্ছন্দ্যে চলতে পারে, সেজন্য একটি টেকসই কর্পোরেট সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আমিনুল হক উল্লেখ করেন যে, তিনি ইতিমধ্যে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক এবং বড় বড় কর্পোরেট হাউসের কর্ণধারদের সাথে ব্যক্তিগতভাবে আলোচনা করেছেন। তারা এই উদ্যোগে বেশ ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন।

নিজের খেলোয়াড়ি জীবনের অভিজ্ঞতার কথা টেনে তিনি বলেন, অতীতে আর্থিক অনুদানের জন্য ফেডারেশন বা ক্লাব কর্মকর্তাদের যেভাবে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়েছে, সেই পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে সব ফেডারেশনকে নিয়মের মধ্যে এনে শক্তিশালী করাই সরকারের বর্তমান লক্ষ্য।

এসময় উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব উল আলম, বাফুফের সভাপতি তাবিথ আউয়াল, ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়ার সভাপতি কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল, বিসিবির পরিচালক নাজমুল আবেদীন ফাহিম সহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

সাফজয়ী ফুটবলারদের সংবর্ধনা: ফেডারেশনগুলোকে স্বাবলম্বী করার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

আপডেট: ০৪:১৭:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

মালদ্বীপে ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জেতা বাংলাদেশ যুব ফুটবল দলকে সংবর্ধনা ও আর্থিক পুরস্কার দিয়েছে সরকার। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিজয়ী দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের হাতে নগদ এক লক্ষ টাকা আর্থিক পুরস্কার এবং ক্রীড়া কার্ড তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অতীত ঐতিহ্য স্মরণ করার পাশাপাশি ফেডারেশনগুলোর ভবিষ্যৎ উন্নয়নে সরকারের নানা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
বক্তব্যের শুরুতেই আমিনুল হক দেশের ক্রীড়া সংগঠকদের ত্যাগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ফুটবল ও ক্রিকেটের মতো গুটিকয়েক ফেডারেশন বাদে দেশের অধিকাংশ ফেডারেশনের অবস্থা বর্তমানে বেশ জরাজীর্ণ। তিনি সাবেক ফুটবলার ও সংগঠদের উদ্ধৃতি দিয়ে স্মৃতিকাতর হয়ে জানান, একটা সময় এমন অনেক নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক ছিলেন যারা নিজেদের স্ত্রীর গহনা কিংবা ব্যক্তিগত গাড়ি বিক্রি করে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক পরিশোধ করেছেন।

এই গুণী মানুষদের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি মন্তব্য করেন যে, গুণীদের যথাযথ সম্মান দিলে দেশে ভবিষ্যতে আরও অনেক গুণী মানুষের জন্ম হবে। সরকার এই ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের পাশে সবসময় থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

দেশের ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোকে শক্তিশালী ও স্বাবলম্বী করার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তাকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ফেডারেশনগুলো যাতে আর্থিক সংকটে না পড়ে এবং দেশের বাইরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশগ্রহণের সময় স্বাচ্ছন্দ্যে চলতে পারে, সেজন্য একটি টেকসই কর্পোরেট সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আমিনুল হক উল্লেখ করেন যে, তিনি ইতিমধ্যে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক এবং বড় বড় কর্পোরেট হাউসের কর্ণধারদের সাথে ব্যক্তিগতভাবে আলোচনা করেছেন। তারা এই উদ্যোগে বেশ ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন।

নিজের খেলোয়াড়ি জীবনের অভিজ্ঞতার কথা টেনে তিনি বলেন, অতীতে আর্থিক অনুদানের জন্য ফেডারেশন বা ক্লাব কর্মকর্তাদের যেভাবে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়েছে, সেই পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে সব ফেডারেশনকে নিয়মের মধ্যে এনে শক্তিশালী করাই সরকারের বর্তমান লক্ষ্য।

এসময় উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব উল আলম, বাফুফের সভাপতি তাবিথ আউয়াল, ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়ার সভাপতি কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল, বিসিবির পরিচালক নাজমুল আবেদীন ফাহিম সহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।