০৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় কড়া নিরাপত্তা, ‘হুমকি নেই’ বলছে র‍্যাব

  • আপডেট: ০২:৪০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৮০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি উগ্রবাদী সংগঠনের সমর্থকদের সম্ভাব্য নাশকতা পরিকল্পনা ঘিরে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি পুলিশ সদর দপ্তর থেকে রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রোপলিটন কমিশনার ও সব জেলা পুলিশ সুপারসহ পুলিশের সব ইউনিটকে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

তবে এ সংক্রান্ত যেকোন প্রশ্নের জবাবে র‍্যাব বলছে, আমরা আশা করি এরকম কোন আশঙ্কা বা থ্রেট এই মুহূর্তে আমরা দেখছি না। যেটা ছিল, এটা আমরা প্রত্যাশা করছি যে, অপরাধীরা এই ধরনের সাহস অন্তত করবে না। আমাদের সেই নিরাপত্তা ঝুকি বিবেচনায় আমাদের ডিপ্লোমেন্ট রয়েছে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কারওয়ান বাজার মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ‘দেশী এবং বিদেশী অস্ত্র ও বিপুলসংখ্যক ইয়াবাসহ আসামি গ্রেফতার সংক্রান্ত এক সংবাদ সন্মেলনে এসব জানান র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. খালিদুল হক হাওলাদার।

এসময় রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও পল্টন থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেশি-বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, গুলি, দেশীয় অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ পাঁচজনকে গ্রেফতারের বিষয়ে জানায় র‍্যাব।

খালিদুল হক হাওলাদার বলেন, গত ২৭ এপ্রিল র‍্যাবের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মোহাম্মদপুর ও পল্টন এলাকার বিভিন্ন স্থানে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা অবস্থান করছে। পরে র‍্যাব-২ এর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন—আব্দুর রহমান, রহমত উল্লাহ (৪২), মনিরুল ইসলাম ওরফে রাডার মনির (৪৯), মো. নুর হোসেন (৫০), আল আমিন ওরফে ফাটা আল আমিন (২৪) এবং মো. সুর নবী (১৯)।

অভিযানে তাদের কাছ থেকে তিনটি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ৩৩ রাউন্ড গুলি, দুটি চাপাতি এবং ১ লাখ ২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একই রাতে মোহাম্মদপুরের ৪০ ফিট এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি দেশীয় একনলা বন্দুক ও একটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

এক প্রশ্নের জবাবে খালিদুল হক হাওলাদার, অপরাধীরা অপরাধ যাতে করতে না পারে সে জন্য ২৪টি টহল টিম এই মোহাম্মদপুর, আদরবর, ধানমন্ডি, নিউ মার্কেট, শেরে বাংলা নগর এলাকায় টহল পরিচালনা করে। আমরা মোটরসাইকেলে পেট্রোলিং করেছি এবং আমাদের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও জয়েন্টলি কোলাবরেশনে আমরা কাজ করছি। একসময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যখন ছিল, আমরা সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ সহ এই জেনেভা ক্যাম্পে ডজনের উপরে ব্লক রেট দিয়েছি। জেনেভা ক্যাম্পের যে মাদকের প্রবণতা আমরা অনেকাংশে কমিয়েছি। আমাদের এই ধারাবাহিকতা এখনো চলছে। সামনেও চলমান থাকবে।

তিনি বলেন, আমাদের ২৪ ঘন্টায় তিন শিফটে আটটা করে টহল কার্যক্রম পরিচালনা করে। এর মধ্যে প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা শুধু চেকপোস্ট করি। এটা আমাদের চলমান আছে আমরা এটা কন্টিনিউ রাখবো।

দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা যেকোন থ্রেট, যেকোনো ঝুঁকি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকি। এই বিষটি আমরা অবগত হয়েছি এবং আমরা আমাদের যে সকল গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা আছে, সরকারি অফিস এবং পাবলিক বা জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট যে ভবন- স্থাপনাগুলো আছে সবগুলো নিরাপত্তার প্রদানে আমরা আমাদের টহল, গোয়েন্দা টিম, গোয়েন্দা নজরদারী চলমান আছে। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও নিয়জিত রয়েছে। আমরা আশা করি এরকম কোন আশঙ্কা বা থ্রেট এই মুহূর্তে আমরা দেখছি না। যেটা ছিল, এটা আমরা প্রত্যাশা করছি যে, অপরাধীরা এই ধরনের সাহস অন্তত করবে না। আমাদের সেই নিরাপত্তা ঝুকি বিবেচনায় আমাদের ডিপ্লোমেন্ট রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় কড়া নিরাপত্তা, ‘হুমকি নেই’ বলছে র‍্যাব

আপডেট: ০২:৪০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি উগ্রবাদী সংগঠনের সমর্থকদের সম্ভাব্য নাশকতা পরিকল্পনা ঘিরে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি পুলিশ সদর দপ্তর থেকে রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রোপলিটন কমিশনার ও সব জেলা পুলিশ সুপারসহ পুলিশের সব ইউনিটকে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

তবে এ সংক্রান্ত যেকোন প্রশ্নের জবাবে র‍্যাব বলছে, আমরা আশা করি এরকম কোন আশঙ্কা বা থ্রেট এই মুহূর্তে আমরা দেখছি না। যেটা ছিল, এটা আমরা প্রত্যাশা করছি যে, অপরাধীরা এই ধরনের সাহস অন্তত করবে না। আমাদের সেই নিরাপত্তা ঝুকি বিবেচনায় আমাদের ডিপ্লোমেন্ট রয়েছে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কারওয়ান বাজার মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ‘দেশী এবং বিদেশী অস্ত্র ও বিপুলসংখ্যক ইয়াবাসহ আসামি গ্রেফতার সংক্রান্ত এক সংবাদ সন্মেলনে এসব জানান র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. খালিদুল হক হাওলাদার।

এসময় রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও পল্টন থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেশি-বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, গুলি, দেশীয় অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ পাঁচজনকে গ্রেফতারের বিষয়ে জানায় র‍্যাব।

খালিদুল হক হাওলাদার বলেন, গত ২৭ এপ্রিল র‍্যাবের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মোহাম্মদপুর ও পল্টন এলাকার বিভিন্ন স্থানে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা অবস্থান করছে। পরে র‍্যাব-২ এর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন—আব্দুর রহমান, রহমত উল্লাহ (৪২), মনিরুল ইসলাম ওরফে রাডার মনির (৪৯), মো. নুর হোসেন (৫০), আল আমিন ওরফে ফাটা আল আমিন (২৪) এবং মো. সুর নবী (১৯)।

অভিযানে তাদের কাছ থেকে তিনটি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ৩৩ রাউন্ড গুলি, দুটি চাপাতি এবং ১ লাখ ২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একই রাতে মোহাম্মদপুরের ৪০ ফিট এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি দেশীয় একনলা বন্দুক ও একটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

এক প্রশ্নের জবাবে খালিদুল হক হাওলাদার, অপরাধীরা অপরাধ যাতে করতে না পারে সে জন্য ২৪টি টহল টিম এই মোহাম্মদপুর, আদরবর, ধানমন্ডি, নিউ মার্কেট, শেরে বাংলা নগর এলাকায় টহল পরিচালনা করে। আমরা মোটরসাইকেলে পেট্রোলিং করেছি এবং আমাদের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও জয়েন্টলি কোলাবরেশনে আমরা কাজ করছি। একসময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যখন ছিল, আমরা সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ সহ এই জেনেভা ক্যাম্পে ডজনের উপরে ব্লক রেট দিয়েছি। জেনেভা ক্যাম্পের যে মাদকের প্রবণতা আমরা অনেকাংশে কমিয়েছি। আমাদের এই ধারাবাহিকতা এখনো চলছে। সামনেও চলমান থাকবে।

তিনি বলেন, আমাদের ২৪ ঘন্টায় তিন শিফটে আটটা করে টহল কার্যক্রম পরিচালনা করে। এর মধ্যে প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা শুধু চেকপোস্ট করি। এটা আমাদের চলমান আছে আমরা এটা কন্টিনিউ রাখবো।

দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা যেকোন থ্রেট, যেকোনো ঝুঁকি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকি। এই বিষটি আমরা অবগত হয়েছি এবং আমরা আমাদের যে সকল গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা আছে, সরকারি অফিস এবং পাবলিক বা জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট যে ভবন- স্থাপনাগুলো আছে সবগুলো নিরাপত্তার প্রদানে আমরা আমাদের টহল, গোয়েন্দা টিম, গোয়েন্দা নজরদারী চলমান আছে। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও নিয়জিত রয়েছে। আমরা আশা করি এরকম কোন আশঙ্কা বা থ্রেট এই মুহূর্তে আমরা দেখছি না। যেটা ছিল, এটা আমরা প্রত্যাশা করছি যে, অপরাধীরা এই ধরনের সাহস অন্তত করবে না। আমাদের সেই নিরাপত্তা ঝুকি বিবেচনায় আমাদের ডিপ্লোমেন্ট রয়েছে।