এসআরবির কাছে ‘জিয়ার সৈনিক’ পরিচয় দিয়ে লাভ নেই: লে. কর্নেল হাফিজুর রহমান
- আপডেট: ০৫:৩২:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৮০০৪
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
‘জিয়ার সৈনিক’ পরিচয় দিয়ে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) কাছে পার পাওয়ার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন সংস্থাটির কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান। তিনি বলেছেন, অপরাধ করার সময় আটক ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা অন্য কারও সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি এসআরবির কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর টেকনিক্যালে বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের আশপাশে অভিযান চালিয়ে বিদেশে চাকরি ও ওয়ার্কিং ভিসার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার অভিযোগে ২০ জনকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁদের মধ্যে সাতজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও পাঁচজনকে জরিমানা করা হয়। বাকি আটজনকে ক্ষমা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর টেকনিক্যালে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের আশপাশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় জাল ভিসার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে পাঠানোর সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ২০ জনকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেন।
আটক ব্যক্তিদের কয়েকজন নিজেদের ‘জিয়ার সৈনিক’ পরিচয় দিয়ে স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান বলেন, অপরাধে আটক হওয়ার পর নিজেকে বাঁচাতে অনেকে নানা ধরনের বক্তব্য দেন। দু-একজন ‘জিয়ার সৈনিক’ বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন। কেউ কেউ কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচয়ের কথাও বলছিলেন।
তিনি বলেন, “এসআরবির কাছে এগুলো পরিচয় দিয়ে লাভ নেই। সে অপরাধী, তাকে অপরাধ করার সময় গ্রেফতার করা হয়েছে, শাস্তি দেওয়া হয়েছে। অন্য কার সঙ্গে কোথায় কী পরিচয় আছে, এটা আমাদের কাছে ইম্পর্টেন্ট না।”
আটক ব্যক্তিদের বক্তব্য নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আসামিদের বক্তব্য নেওয়ার কথা নয়। কেউ আলাদাভাবে বক্তব্য নিয়ে থাকলে সেটি ভিন্ন বিষয়। অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে আটকের পর নিজেকে বাঁচাতে অনেকে এ ধরনের বক্তব্য দিয়ে থাকেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অভিযানে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সাতজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড, পাঁচজনকে জরিমানা এবং বাকি আটজনকে ক্ষমা করা হয়েছে বলে জানান এসআরবির এই কর্মকর্তা।



















