০১:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শিশু নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল: শারমিন একাডেমির ব্যবস্থাপক গ্রেফতার

  • আপডেট: ১১:৫০:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১৮০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর নয়াপল্টনে ‘শারমিন একাডেমি’ নামের একটি স্কুলে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় এজাহারনামীয় এক নাম্বার আসামি পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে মিরপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি ওই স্কুলের ব্যবস্থাপক।

এর আগে সম্প্রতি প্রাপ্তবয়স্ক দুই শিক্ষকের হাতে এক শিশুর মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওতে দেখা যায়,স্কুল ইউনিফর্ম পরা আনুমানিক ৩-৪ বছর বয়সী এক শিশুকে টানা-হেঁচড়া করে একটি কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়।

ভিডিওতে গোলাপি শাড়ি পরিহিত এক নারী শিশুটিকে টেবিলের সামনে বসিয়ে বারবার চড় মারছেন এবং ধমক দিচ্ছেন। পরে এক পুরুষ শিক্ষক স্ট্যাপলার হাতে শিশুর মুখের দিকে হুমকি দিয়েছেন। সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী,এই ঘটনা ঘটেছে রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ৫১ মিনিটে।

পুরো ঘটনার সময় শিশুটির মধ্যে চরম ভয় ও মানসিক আতঙ্কের লক্ষণ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। ঘটনাটি শাস্তির নামে নিষ্ঠুরতার অভিযোগকে আরও জোরালো করেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান,শাস্তির নামে এ ধরনের সহিংস আচরণ শুধু শিশুদের শারীরিক ক্ষতিই করে না,বরং দীর্ঘমেয়াদে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। তারা এটিকে শিশুদের জীবনের প্রতি সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে,পরিবার,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা সমাজের কোনো স্তরেই শারীরিক শাস্তির বৈধতা নেই।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

শিশু নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল: শারমিন একাডেমির ব্যবস্থাপক গ্রেফতার

আপডেট: ১১:৫০:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর নয়াপল্টনে ‘শারমিন একাডেমি’ নামের একটি স্কুলে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় এজাহারনামীয় এক নাম্বার আসামি পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে মিরপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি ওই স্কুলের ব্যবস্থাপক।

এর আগে সম্প্রতি প্রাপ্তবয়স্ক দুই শিক্ষকের হাতে এক শিশুর মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওতে দেখা যায়,স্কুল ইউনিফর্ম পরা আনুমানিক ৩-৪ বছর বয়সী এক শিশুকে টানা-হেঁচড়া করে একটি কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়।

ভিডিওতে গোলাপি শাড়ি পরিহিত এক নারী শিশুটিকে টেবিলের সামনে বসিয়ে বারবার চড় মারছেন এবং ধমক দিচ্ছেন। পরে এক পুরুষ শিক্ষক স্ট্যাপলার হাতে শিশুর মুখের দিকে হুমকি দিয়েছেন। সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী,এই ঘটনা ঘটেছে রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ৫১ মিনিটে।

পুরো ঘটনার সময় শিশুটির মধ্যে চরম ভয় ও মানসিক আতঙ্কের লক্ষণ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। ঘটনাটি শাস্তির নামে নিষ্ঠুরতার অভিযোগকে আরও জোরালো করেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান,শাস্তির নামে এ ধরনের সহিংস আচরণ শুধু শিশুদের শারীরিক ক্ষতিই করে না,বরং দীর্ঘমেয়াদে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। তারা এটিকে শিশুদের জীবনের প্রতি সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে,পরিবার,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা সমাজের কোনো স্তরেই শারীরিক শাস্তির বৈধতা নেই।