পরিবহনের হেল্পার পরিচয়ের আড়ালে অস্ত্র-মাদকের কারবার, ৩ সহযোগীসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘অটো সজল’ গ্রেফতার,অস্ত্র-মাদক উদ্ধার
- আপডেট: ১২:৩৮:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
- / ১৮০০১
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী সজল ওরফে ‘অটো সজল’কে তিন সহযোগীসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, মাদক ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতার হওয়া অন্যরা আসামিরা হলেন–বাপ্পী, হানিফ ও মোছা.শামসুন্নাহার।
গতকাল বৃহস্পতিবার সায়েদাবাদ এলাকা থেকে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের একটি দল তাদের গ্রেফতার করে।
শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম এণ্ড অপারেশনস) এস এন নজরুল ইসলাম। এসময় ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মল্লিক আহসান উদ্দিন সামীসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ জানায়,গতকাল রাত আনুমানিক ৯টা ১০ মিনিটে যাত্রাবাড়ীর সায়েদাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ‘অটো সজল’কে গ্রেফতার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে স্বামীবাগের একটি ভাড়া বাসায় অস্ত্র ও মাদক মজুত রাখার কথা স্বীকার করেন। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে ২ টি ‘TAURUS’ ব্র্যান্ডের পিস্তল, ৪ টি ম্যাগাজিন এবং ৭৭ (সাতাত্তর) রাউন্ড তাজা গুলি, ৫৯ গ্রাম হেরোইন এবং হেরোইন প্রস্তুতের কাজে ব্যবহৃত ৮৭ গ্রাম ‘মেডি’, মাদক বিক্রয়ের নগদ ২২ হাজার ৯৬০ টাকাসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৪ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলো পুলিশের লুট যাওয়া অস্ত্র বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গত ২ মার্চ সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযানের সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) এক পরিদর্শক গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় এর আগে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে এই অটো সজলের নাম উঠে আসে। পরে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ডিএমপির এই অতিরিক্ত কমিশনার বলেন,অটো সজল দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্র সরবরাহ ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। সজল পেশায় একটি পরিবহনের হেল্পার হলেও আড়ালে তিনি এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন। তার বিরুদ্ধে ডিএমপির বিভিন্ন থানায় ১১টি মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা রুজু করাসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।



















