করের মাধ্যমে নিকোটিন পাউচ ও হিটেড টোব্যাকোর বৈধতা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি: বিটিসিএ
- আপডেট: ০৫:৫২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
- / ১৮০০৬
নিজস্ব প্রতিবেদক,থেকে
নিকোটিন পাউচ,হিটেড টোব্যাকো, ই-সিগারেট ও ভেপসহ উদীয়মান তামাকজাত পণ্যকে করের আওতায় এনে বৈধতা প্রদানের সরকারি সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ টোব্যাকো কন্ট্রোল এডভোকেটস (বিটিসিএ)। সংগঠনটির মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ দেশের জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করবে এবং তরুণ প্রজন্মকে নিকোটিন আসক্তির ঝুঁকিতে ফেলবে।
বিটিসিএ জানায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নিকোটিন পাউচ ও হিটেড টোব্যাকো পণ্যের ওপর কর আরোপের মাধ্যমে কার্যত এসব পণ্যকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব পণ্যের বৈধতা তরুণদের মধ্যে নিকোটিন নির্ভরতা বৃদ্ধি করবে এবং দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াবে।
সংগঠনটি আরও উল্লেখ করে, একটি বহুজাতিক তামাক কোম্পানি এসব পণ্যের আমদানি ও বাজারজাতকরণের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং করহার কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব পণ্য প্রচলিত সিগারেটের তুলনায় কম ক্ষতিকর—এমন দাবি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নয়।
বিটিসিএর দাবি, রাজস্ব আয়ের স্বার্থে ক্ষতিকর তামাক ও নিকোটিনজাত পণ্যকে বৈধতা দেওয়া জনস্বার্থবিরোধী। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেমকে আসক্তি সৃষ্টিকারী ও ক্ষতিকর হিসেবে চিহ্নিত করেছে। বর্তমানে বিশ্বের অন্তত ৪৭টি দেশ হিটেড টোব্যাকো ও ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করেছে।
সংগঠনটি বলছে, বাংলাদেশে এসব পণ্যের ব্যবহার এখনও সীমিত হলেও নিয়ন্ত্রণের অভাবে এর বিস্তার দ্রুত বাড়ছে এবং ব্যবহারকারীদের বড় অংশই কিশোর-তরুণ। এ পরিস্থিতিতে নিকোটিন পাউচ, হিটেড টোব্যাকো, ই-সিগারেট ও ভেপসহ সব ধরনের ইমার্জিং টোব্যাকো পণ্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে বিটিসিএ।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ প্রেস বিবৃতিতে বিটিসিএর আহ্বায়ক ইকবাল মাসুদ এবং মডারেটর সুশান্ত সিনহা, সৈয়দা অনন্যা রহমান, ফারহানা জামান লিজা, সামিউল হাসান সজীব, আবু রায়হান ও ইব্রাহীম খলিল এ দাবি জানান।



















