০৭:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

দুর্নীতির আখড়া মতিঝিল রাজস্ব সার্কেল, কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক কানুনগো নাজমুল, নেপথ্যে শক্তিশালী সিন্ডিকেট

  • আপডেট: ০৬:৫১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৮০০২

মোঃ মনিরুজ্জামান মনির :

রাজধানীর মতিঝিল রাজস্ব সার্কেল এখন সাধারণ সেবাপ্রত্যাশীদের জন্য এক চরম ভোগান্তি ও আতঙ্কের নাম। সরকারি বিধিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এই কার্যালয়টিকে একচ্ছত্র লুণ্ঠনের চারণভূমিতে পরিণত করেছে একটি সুসংগঠিত দুর্নীতিবাজ চক্র। এই বিশাল সিন্ডিকেটের অন্যতম প্রধান হোতা হিসেবে উঠে এসেছে কানুনগো নাজমুলের নাম। ক্ষমতার অপব্যবহার, জালিয়াতি এবং বেপরোয়া নামজারি বাণিজ্যের মাধ্যমে তিনি গড়ে তুলেছেন অবৈধ সম্পদের পাহাড়। অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে কোটি কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মালিক বনে গেছেন এই কর্মকর্তা।
অসাধু উপায়ে উপার্জিত অর্থ গোপন করতে এবং নিজেকে আইনের হাত থেকে বাঁচাতে চরম চতুরতার আশ্রয় নিয়েছেন কানুনগো নাজমুল। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার মতো অভিজাত জায়গায় তার বিলাসবহুল সম্পত্তি রয়েছে। অনুসন্ধানী তথ্যে জানা যায়, বসুন্ধরার ‘ডি’ ব্লকে ভৈরবের নামকরা শিল্পপতি হাজী ফুল মিয়ার বাড়িটি বিপুল অংকের টাকার বিনিময়ে ক্রয় করেছেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, নিজের অবৈধভাবে অর্জিত কালো টাকা সাদা করতে এবং প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে কবৎধহরমধহল-এর বাবুবাজার ব্রিজের কাছে নিজের সহোদর বোনের নামে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের একটি বহুতল ভবন কিনেছেন।
নাজমুলের ক্ষমতার দাপট ও দাপ্তরিক চাতুর্য সচেতন মহলকে স্তম্ভিত করেছে। অদৃশ্য কোনো শক্তির ইশারায় এবং বিশাল অঙ্কের অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে তিনি একই জায়গায় পদোন্নতি পেয়ে পুনরায় একই চেয়ারে বহাল রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নিজের অবৈধ আয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং বদলি ঠেকাতে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ১৭ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়েছিলেন বলে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। একজন সরকারি কর্মচারীর একই স্থানে বারবার ফিরে আসা এবং ক্ষমতার শীর্ষে অবস্থান করা নিয়ে সেবাপ্রত্যাশী সাধারণ মানুষের মনে চরম ক্ষোভ ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
মতিঝিল রাজস্ব সার্কেলের লুণ্ঠন প্রক্রিয়া কেবল নাজমুলেই সীমাবদ্ধ নয়। তার চারপাশে রয়েছে এক বিশাল নেটওয়ার্ক। সার্ভেয়ার মাহমুদুল হাসান এবং সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সাথে কানুনগো নাজমুলের রয়েছে নিবিড় যোগাযোগ। এই চক্রের আরেক অন্যতম রূপকার নামজারি সহকারী খাদিজা। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে খাদিজা দপ্তরটিকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। তিনি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিতর্কিত সাবেক কমিশনার মানিকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। খাদিজার সাথে যুক্ত আছেন অফিস সহকারী রাকিব, যাকে কার্যালয়ের অঘোষিত ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ বলা হয়। রাকিবের সবুজ সংকেত ছাড়া কোনো ফাইল সামনে এগোয় না। এলাকার চিহ্নিত ভূমিদস্যু ও জালিয়াত চক্রের সাথে রাকিবের গভীর সখ্য রয়েছে।
এই চক্রের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন মতিঝিল ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা নূরজাহান এবং ধনিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সঞ্জীব। তারা ‘লাইন’ নামক একটি সুসংগঠিত চ্যানেলের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এর সাথে যুক্ত হয়েছে বহিরাগত দালাল ও কথিত ওমেদারদের এক বিরাট বাহিনী। মতিঝিল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সুমন, বেল্লাল, শুভ, মেহেদী, শাহজালাল, সাগর, রফিক ও হাসান এবং ধনিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে হাবিব, মহসিন, মাহমুদ, মিজান, সাব্বির ও শিশির নামের দালালরা রাজত্ব চালাচ্ছে। এরা সাধারণ সেবাপ্রত্যাশীদের জিম্মি করে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করে থাকে।
সার্কেলটিতে কাজের ধরনও অদ্ভুত। দিনের বেলায় নিয়মমাফিকের নাটক চললেও আসল অনিয়ম শুরু হয় অফিস সময়ের পর। রাতের আঁধারে কার্যালয়ে লাইট জ্বালিয়ে ফাইল গোপন করা ও বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেনের মহোৎসব চলে। অপকর্মের প্রমাণ আড়াল করতে সুকৌশলে ঘুরিয়ে রাখা হয় সিসিটিভি ক্যামেরা। সম্প্রতি এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় মতিঝিল মৌজার ৮৭১০ (২৫/২৬) নম্বর নামজারি কেসে এক ব্যক্তির চাচার সম্পত্তিকে নিঃসন্তান দেখিয়ে, কোনো বৈধ উত্তরাধিকার সার্টিফিকেট ছাড়াই ভূয়া নথি তৈরি করা হয়। প্রথমে আইনি জটিলতার দোহাই দিয়ে ফাইল আটকে রাখা হলেও পরবর্তীতে ৫ লক্ষ টাকা লেনদেনের মাধ্যমে অনুমোদন দেওয়া হয়।
সম্প্রতি ভূমি সেবা মেলায় অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় নাজির কাম ক্যাশিয়ার নাসিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও বন্ধ হয়নি অবৈধ লেনদেন। পোষ্য ক্যাডার কিরণ ও নোয়াখালীর হাসানের মাধ্যমে ভেতরে-বাইরে একাধিক কালেকশন পয়েন্ট চালু রাখা হয়েছে। এমনকি একটি বিশেষ সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় ফাইলে। যে ফাইলে সেই চিহ্ন থাকে না, তা কোনো কারণ ছাড়াই বাতিল বা গায়েব করে দেওয়া হয়।
এই ভয়ংকর দুর্নীতির খতিয়ান তুলে ধরে দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক ‘সোনালী খবর’-এ বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও চক্রটি থেমে নেই। উল্টো অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সংস্থার ভয় দেখিয়ে ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে মুখ বন্ধ করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। প্রজাতন্ত্রের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো কানুনগো নাজমুল, আ.লীগের দোসর খাদিজা, অফিস সহকারী রাকিবসহ পুরো দালালি সিন্ডিকেটের অবৈধ সম্পদের চুলচেরা বিশ্লেষণ করা এখন সময়ের দাবি। সাধারণ ভূমি সেবাপ্রত্যাশীরা এই জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেতে এবং সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা ফেরাতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সরকারের উচ্চপর্যায়ের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

দুর্নীতির আখড়া মতিঝিল রাজস্ব সার্কেল, কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক কানুনগো নাজমুল, নেপথ্যে শক্তিশালী সিন্ডিকেট

আপডেট: ০৬:৫১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

মোঃ মনিরুজ্জামান মনির :

রাজধানীর মতিঝিল রাজস্ব সার্কেল এখন সাধারণ সেবাপ্রত্যাশীদের জন্য এক চরম ভোগান্তি ও আতঙ্কের নাম। সরকারি বিধিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এই কার্যালয়টিকে একচ্ছত্র লুণ্ঠনের চারণভূমিতে পরিণত করেছে একটি সুসংগঠিত দুর্নীতিবাজ চক্র। এই বিশাল সিন্ডিকেটের অন্যতম প্রধান হোতা হিসেবে উঠে এসেছে কানুনগো নাজমুলের নাম। ক্ষমতার অপব্যবহার, জালিয়াতি এবং বেপরোয়া নামজারি বাণিজ্যের মাধ্যমে তিনি গড়ে তুলেছেন অবৈধ সম্পদের পাহাড়। অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে কোটি কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মালিক বনে গেছেন এই কর্মকর্তা।
অসাধু উপায়ে উপার্জিত অর্থ গোপন করতে এবং নিজেকে আইনের হাত থেকে বাঁচাতে চরম চতুরতার আশ্রয় নিয়েছেন কানুনগো নাজমুল। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার মতো অভিজাত জায়গায় তার বিলাসবহুল সম্পত্তি রয়েছে। অনুসন্ধানী তথ্যে জানা যায়, বসুন্ধরার ‘ডি’ ব্লকে ভৈরবের নামকরা শিল্পপতি হাজী ফুল মিয়ার বাড়িটি বিপুল অংকের টাকার বিনিময়ে ক্রয় করেছেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, নিজের অবৈধভাবে অর্জিত কালো টাকা সাদা করতে এবং প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে কবৎধহরমধহল-এর বাবুবাজার ব্রিজের কাছে নিজের সহোদর বোনের নামে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের একটি বহুতল ভবন কিনেছেন।
নাজমুলের ক্ষমতার দাপট ও দাপ্তরিক চাতুর্য সচেতন মহলকে স্তম্ভিত করেছে। অদৃশ্য কোনো শক্তির ইশারায় এবং বিশাল অঙ্কের অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে তিনি একই জায়গায় পদোন্নতি পেয়ে পুনরায় একই চেয়ারে বহাল রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নিজের অবৈধ আয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং বদলি ঠেকাতে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ১৭ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়েছিলেন বলে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। একজন সরকারি কর্মচারীর একই স্থানে বারবার ফিরে আসা এবং ক্ষমতার শীর্ষে অবস্থান করা নিয়ে সেবাপ্রত্যাশী সাধারণ মানুষের মনে চরম ক্ষোভ ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
মতিঝিল রাজস্ব সার্কেলের লুণ্ঠন প্রক্রিয়া কেবল নাজমুলেই সীমাবদ্ধ নয়। তার চারপাশে রয়েছে এক বিশাল নেটওয়ার্ক। সার্ভেয়ার মাহমুদুল হাসান এবং সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সাথে কানুনগো নাজমুলের রয়েছে নিবিড় যোগাযোগ। এই চক্রের আরেক অন্যতম রূপকার নামজারি সহকারী খাদিজা। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে খাদিজা দপ্তরটিকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। তিনি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিতর্কিত সাবেক কমিশনার মানিকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। খাদিজার সাথে যুক্ত আছেন অফিস সহকারী রাকিব, যাকে কার্যালয়ের অঘোষিত ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ বলা হয়। রাকিবের সবুজ সংকেত ছাড়া কোনো ফাইল সামনে এগোয় না। এলাকার চিহ্নিত ভূমিদস্যু ও জালিয়াত চক্রের সাথে রাকিবের গভীর সখ্য রয়েছে।
এই চক্রের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন মতিঝিল ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা নূরজাহান এবং ধনিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সঞ্জীব। তারা ‘লাইন’ নামক একটি সুসংগঠিত চ্যানেলের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এর সাথে যুক্ত হয়েছে বহিরাগত দালাল ও কথিত ওমেদারদের এক বিরাট বাহিনী। মতিঝিল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সুমন, বেল্লাল, শুভ, মেহেদী, শাহজালাল, সাগর, রফিক ও হাসান এবং ধনিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে হাবিব, মহসিন, মাহমুদ, মিজান, সাব্বির ও শিশির নামের দালালরা রাজত্ব চালাচ্ছে। এরা সাধারণ সেবাপ্রত্যাশীদের জিম্মি করে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করে থাকে।
সার্কেলটিতে কাজের ধরনও অদ্ভুত। দিনের বেলায় নিয়মমাফিকের নাটক চললেও আসল অনিয়ম শুরু হয় অফিস সময়ের পর। রাতের আঁধারে কার্যালয়ে লাইট জ্বালিয়ে ফাইল গোপন করা ও বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেনের মহোৎসব চলে। অপকর্মের প্রমাণ আড়াল করতে সুকৌশলে ঘুরিয়ে রাখা হয় সিসিটিভি ক্যামেরা। সম্প্রতি এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় মতিঝিল মৌজার ৮৭১০ (২৫/২৬) নম্বর নামজারি কেসে এক ব্যক্তির চাচার সম্পত্তিকে নিঃসন্তান দেখিয়ে, কোনো বৈধ উত্তরাধিকার সার্টিফিকেট ছাড়াই ভূয়া নথি তৈরি করা হয়। প্রথমে আইনি জটিলতার দোহাই দিয়ে ফাইল আটকে রাখা হলেও পরবর্তীতে ৫ লক্ষ টাকা লেনদেনের মাধ্যমে অনুমোদন দেওয়া হয়।
সম্প্রতি ভূমি সেবা মেলায় অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় নাজির কাম ক্যাশিয়ার নাসিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও বন্ধ হয়নি অবৈধ লেনদেন। পোষ্য ক্যাডার কিরণ ও নোয়াখালীর হাসানের মাধ্যমে ভেতরে-বাইরে একাধিক কালেকশন পয়েন্ট চালু রাখা হয়েছে। এমনকি একটি বিশেষ সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় ফাইলে। যে ফাইলে সেই চিহ্ন থাকে না, তা কোনো কারণ ছাড়াই বাতিল বা গায়েব করে দেওয়া হয়।
এই ভয়ংকর দুর্নীতির খতিয়ান তুলে ধরে দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক ‘সোনালী খবর’-এ বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও চক্রটি থেমে নেই। উল্টো অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সংস্থার ভয় দেখিয়ে ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে মুখ বন্ধ করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। প্রজাতন্ত্রের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো কানুনগো নাজমুল, আ.লীগের দোসর খাদিজা, অফিস সহকারী রাকিবসহ পুরো দালালি সিন্ডিকেটের অবৈধ সম্পদের চুলচেরা বিশ্লেষণ করা এখন সময়ের দাবি। সাধারণ ভূমি সেবাপ্রত্যাশীরা এই জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেতে এবং সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা ফেরাতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সরকারের উচ্চপর্যায়ের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।