১২:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

বিমান-পর্যটনের হাল ধরতে এবার পূর্ণমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত

  • আপডেট: ১১:৩৯:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৮০০২

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পাঠ করান।

শুক্রবার (২১আগস্ট) রাত প্রায় ৭টা ৪০ মিনিটে অনুষ্ঠিত শপথ অনুষ্ঠানে রশিদুজ্জামান মিল্লাতসহ নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা পদের শপথ ও গোপনীয়তার শপথ নেন।

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনের পর এবার পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেলেন রশিদুজ্জামান মিল্লাত। ফলে দেশের বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতের নীতিনির্ধারণ ও উন্নয়ন কার্যক্রমে তাঁর দায়িত্ব ও ভূমিকা আরও বাড়ল।

রশিদুজ্জামান মিল্লাতের পাশাপাশি নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালীব রহমান পার্থ এবং বান্দরবান থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য শচীন প্রু।

এদিকে সরকারে নতুন করে দুজন প্রতিমন্ত্রী যুক্ত হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। একই পদে দায়িত্ব পেয়েছেন গাইবান্ধা-৪ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার।

ড. আবদুল মঈন খান নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য। এর আগে ২০০১ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত তিনি খালেদা জিয়া সরকারের তথ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালীব রহমান পার্থ বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান। দলটি সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।

বান্দরবান থেকে বিএনপির টিকিটে নির্বাচিত শচীন প্রু দলটির বান্দরবান জেলা ইউনিটের আহ্বায়কের দায়িত্বেও রয়েছেন।

অন্যদিকে হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব থেকে মন্ত্রিসভা পর্যায়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

রশিদুজ্জামান মিল্লাতের পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে বিমান ও পর্যটন খাতে সরকারের চলমান বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন, বিমানবন্দর অবকাঠামো উন্নয়ন, জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাতের সম্প্রসারণে তাঁর দায়িত্ব আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

বিমান-পর্যটনের হাল ধরতে এবার পূর্ণমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত

আপডেট: ১১:৩৯:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পাঠ করান।

শুক্রবার (২১আগস্ট) রাত প্রায় ৭টা ৪০ মিনিটে অনুষ্ঠিত শপথ অনুষ্ঠানে রশিদুজ্জামান মিল্লাতসহ নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা পদের শপথ ও গোপনীয়তার শপথ নেন।

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনের পর এবার পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেলেন রশিদুজ্জামান মিল্লাত। ফলে দেশের বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতের নীতিনির্ধারণ ও উন্নয়ন কার্যক্রমে তাঁর দায়িত্ব ও ভূমিকা আরও বাড়ল।

রশিদুজ্জামান মিল্লাতের পাশাপাশি নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালীব রহমান পার্থ এবং বান্দরবান থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য শচীন প্রু।

এদিকে সরকারে নতুন করে দুজন প্রতিমন্ত্রী যুক্ত হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। একই পদে দায়িত্ব পেয়েছেন গাইবান্ধা-৪ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার।

ড. আবদুল মঈন খান নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য। এর আগে ২০০১ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত তিনি খালেদা জিয়া সরকারের তথ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালীব রহমান পার্থ বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান। দলটি সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।

বান্দরবান থেকে বিএনপির টিকিটে নির্বাচিত শচীন প্রু দলটির বান্দরবান জেলা ইউনিটের আহ্বায়কের দায়িত্বেও রয়েছেন।

অন্যদিকে হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব থেকে মন্ত্রিসভা পর্যায়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

রশিদুজ্জামান মিল্লাতের পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে বিমান ও পর্যটন খাতে সরকারের চলমান বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন, বিমানবন্দর অবকাঠামো উন্নয়ন, জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাতের সম্প্রসারণে তাঁর দায়িত্ব আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল।