১১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

নোয়াখালীতে সুদের টাকার জন্য ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা,গ্রেফতার ১

  • আপডেট: ০৮:১৬:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৮০০২

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে সুদের টাকা না দেওয়ায় ব্যবসায়ী আব্দুর রহিমকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় এজাহার নামীয় এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১১।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হলেন,মো.ইসমাইল হোসেন ওরফে দিদার (৪০) উপজেলার নারায়ণভট্র গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির মৃত মুখলেছুর রহমানের ছেলে।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যা র‍্যাব-১১,নোয়াখালী ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার মিঠুন কুমার কুন্ডু গ্রেফতারের তথ্য জানান। এর আগে,একই দিন দুপুর পৌনে ২টার দিকে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের নয়াহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

নিহত আব্দুর রহিম (৫৭) লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের মতলবপুর গ্রামের মৃত মোহাম্মদ উল্যার ছেলে। তিনি সোনাইমুড়ীর আমিশাপাড়া বাজারে মিথিলা বেকারির মালিক ছিলেন।

তিনি জানান,গত ১০/১২ বছর ধরে উপজেলার আমিশাপাড়া বাজারে মিতালী বেকারি নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছে আব্দুর রহিম। ভিকটিমের সাথে এজাহারনামীয় ১নং আসামির সাথে টাকা-পয়সার লেনদেন নিয়ে বিরোধ ছিল। গত বুধবার সকাল ১০টার দিকে ১নং আসামিসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা আমিশাপাড়া বাজারে ভিকটিমের বেকারি থেকে তাকে বের করে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে। পরবর্তীতে আসামিরা বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত তাকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে ধাপে ধাপে বেধড়ক মারধর করে। একপর্যায়ে ভিকটিমকে নুর মোহাম্মাদ বেডিং স্টোর নামে একটি তুলা দোকানের ভিতরে আটকে রেখে সাদা ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ছেড়ে দেয়।

র‍্যাব আরও জানায়,ভিকটিম গুরুতর জখম নিয়ে দীঘিরজান মসজিদে এসে অচেতন হয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন তাকে মসজিদের বারান্দায় রাখেন। পরে তাকে চাটখিল সেন্টাল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এ ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী ১২ জনের নাম উল্লেখ করে ১০/১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে সোনাইমুড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

র‍্যাব-১১ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুন্ডু আরও বলেন,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১১ এর একটি দল ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম হত্যা মামলার এজাহার নামীয় ৮নং আসামি দিদারকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার আসামি ঘটনার সাথে জড়িত বলে স্বীকার করে। আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সোনাইমুড়ী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

নোয়াখালীতে সুদের টাকার জন্য ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা,গ্রেফতার ১

আপডেট: ০৮:১৬:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে সুদের টাকা না দেওয়ায় ব্যবসায়ী আব্দুর রহিমকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় এজাহার নামীয় এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১১।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হলেন,মো.ইসমাইল হোসেন ওরফে দিদার (৪০) উপজেলার নারায়ণভট্র গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির মৃত মুখলেছুর রহমানের ছেলে।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যা র‍্যাব-১১,নোয়াখালী ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার মিঠুন কুমার কুন্ডু গ্রেফতারের তথ্য জানান। এর আগে,একই দিন দুপুর পৌনে ২টার দিকে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের নয়াহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

নিহত আব্দুর রহিম (৫৭) লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের মতলবপুর গ্রামের মৃত মোহাম্মদ উল্যার ছেলে। তিনি সোনাইমুড়ীর আমিশাপাড়া বাজারে মিথিলা বেকারির মালিক ছিলেন।

তিনি জানান,গত ১০/১২ বছর ধরে উপজেলার আমিশাপাড়া বাজারে মিতালী বেকারি নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছে আব্দুর রহিম। ভিকটিমের সাথে এজাহারনামীয় ১নং আসামির সাথে টাকা-পয়সার লেনদেন নিয়ে বিরোধ ছিল। গত বুধবার সকাল ১০টার দিকে ১নং আসামিসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা আমিশাপাড়া বাজারে ভিকটিমের বেকারি থেকে তাকে বের করে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে। পরবর্তীতে আসামিরা বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত তাকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে ধাপে ধাপে বেধড়ক মারধর করে। একপর্যায়ে ভিকটিমকে নুর মোহাম্মাদ বেডিং স্টোর নামে একটি তুলা দোকানের ভিতরে আটকে রেখে সাদা ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ছেড়ে দেয়।

র‍্যাব আরও জানায়,ভিকটিম গুরুতর জখম নিয়ে দীঘিরজান মসজিদে এসে অচেতন হয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন তাকে মসজিদের বারান্দায় রাখেন। পরে তাকে চাটখিল সেন্টাল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এ ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী ১২ জনের নাম উল্লেখ করে ১০/১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে সোনাইমুড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

র‍্যাব-১১ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুন্ডু আরও বলেন,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১১ এর একটি দল ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম হত্যা মামলার এজাহার নামীয় ৮নং আসামি দিদারকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার আসামি ঘটনার সাথে জড়িত বলে স্বীকার করে। আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সোনাইমুড়ী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।