০৮:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

পল্লবীতে ২ শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

  • আপডেট: ০৩:৫২:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৮০৪৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের পল্লবী থানাধীন বি-ব্লকের ৩ নম্বর ওয়াপদা ভবনসংলগ্ন বিহারি ক্যাম্প এলাকা দুই শিশু সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহতরা হলেন— মোহাম্মদ মাসুম, তার স্ত্রী ফাতেমা আক্তার সুমি, তাদের সাড়ে তিন বছর বয়সী ছেলে মিনহাজ এবং দেড় বছর বয়সী ছোট ছেলে আসাদ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত পরিবারটি একটি টিনশেড বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করত। স্বামী মোহাম্মদ মাসুম পেশায় রিকশাচালক ছিলেন এবং তার স্ত্রী বিভিন্ন বাসায় কাজ করে সংসার চালাতেন। পরিবারটি বিভিন্ন সমিতি থেকে ঋণ নেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ঋণগ্রস্ত ছিল।

স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রতিদিনই ঋণের কিস্তির জন্য একাধিক ব্যক্তি তাদের বাসায় আসত। ধারণা করা হচ্ছে, চরম আর্থিক চাপ ও হতাশা থেকেই কোনো এক সময় স্বামী-স্ত্রী তাদের দুই শিশুসন্তানসহ আত্মহত্যা করতে পারেন।

পুলিশের ধারণা, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে কোনো এক সময় তাদের মৃত্যু হয়। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

পল্লবীতে ২ শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট: ০৩:৫২:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের পল্লবী থানাধীন বি-ব্লকের ৩ নম্বর ওয়াপদা ভবনসংলগ্ন বিহারি ক্যাম্প এলাকা দুই শিশু সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহতরা হলেন— মোহাম্মদ মাসুম, তার স্ত্রী ফাতেমা আক্তার সুমি, তাদের সাড়ে তিন বছর বয়সী ছেলে মিনহাজ এবং দেড় বছর বয়সী ছোট ছেলে আসাদ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত পরিবারটি একটি টিনশেড বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করত। স্বামী মোহাম্মদ মাসুম পেশায় রিকশাচালক ছিলেন এবং তার স্ত্রী বিভিন্ন বাসায় কাজ করে সংসার চালাতেন। পরিবারটি বিভিন্ন সমিতি থেকে ঋণ নেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ঋণগ্রস্ত ছিল।

স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রতিদিনই ঋণের কিস্তির জন্য একাধিক ব্যক্তি তাদের বাসায় আসত। ধারণা করা হচ্ছে, চরম আর্থিক চাপ ও হতাশা থেকেই কোনো এক সময় স্বামী-স্ত্রী তাদের দুই শিশুসন্তানসহ আত্মহত্যা করতে পারেন।

পুলিশের ধারণা, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে কোনো এক সময় তাদের মৃত্যু হয়। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।