০২:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

শেরেবাংলা নগর আনসার সদস্যরা অভিযানে মলম পার্টির ৭ নারী সদস্য আটক

  • আপডেট: ১০:০৪:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৮০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এলাকায় সক্রিয় ‘মলম পার্টি’র সাত নারী সদস্যকে আটক করেছে আনসার সদস্যরা।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি ) সকাল আনুমানিক ৯টা ৪০ মিনিটে ঢাকা মহানগর আনসার পশ্চিম জোনের উদ্যোগে শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। হাসপাতালের সামনে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রতারক চক্র সক্রিয় রয়েছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।

শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপপরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. আশিকউজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, অভিযানে পিসি মো. সাদেক হোসেন ও আনসার সদস্য মো. আরমান আলীর নেতৃত্বে চক্রের সাত নারী সদস্যকে আটক করা হয়। তারা হাসপাতাল এলাকায় চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিত বলে অভিযোগ রয়েছে।

আটকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

এ অভিযানের ফলে হাসপাতাল এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

শেরেবাংলা নগর আনসার সদস্যরা অভিযানে মলম পার্টির ৭ নারী সদস্য আটক

আপডেট: ১০:০৪:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এলাকায় সক্রিয় ‘মলম পার্টি’র সাত নারী সদস্যকে আটক করেছে আনসার সদস্যরা।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি ) সকাল আনুমানিক ৯টা ৪০ মিনিটে ঢাকা মহানগর আনসার পশ্চিম জোনের উদ্যোগে শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। হাসপাতালের সামনে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রতারক চক্র সক্রিয় রয়েছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।

শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপপরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. আশিকউজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, অভিযানে পিসি মো. সাদেক হোসেন ও আনসার সদস্য মো. আরমান আলীর নেতৃত্বে চক্রের সাত নারী সদস্যকে আটক করা হয়। তারা হাসপাতাল এলাকায় চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিত বলে অভিযোগ রয়েছে।

আটকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

এ অভিযানের ফলে হাসপাতাল এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।