০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬

ফরিদপুর জেলা রেজিস্ট্রার শফিকুল ইসলাম দুদকের জালে: ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ

  • আপডেট: ০৮:১০:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • / ১৮০২৮

এম. এন. আলী নাঈম।

দুদকের জালে ফরিদপুর জেলা রেজিস্টার শফিকুল ইসলাম। ঘুষ. দুর্নীতি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন এর প্রধান কার্যালয় সেগুনবাগিচা ঢাকা অনুসন্ধান শুরু করেছেন।  দুর্নীতি দমন কমিশন ঢাকার স্মারক নং – ০০.০১.০০০০.৪০৩.০১.০০৪.২৬। দুদকের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন। মোহাম্মদ জাফর সাদেক শিবলী সহকারি পরিচালক দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালয় ঢাকা। এ বিষয়ে শফিকুল ইসলাম এর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। বিশেষ সূত্রে জানা যায় যে শফিকুল ইসলাম এর অভিযোগের চাইতে আরো কয়েকগুণ অবৈধ সম্পদ রয়েছে বলে জানা যায়। শফিকুল ইসলাম সাব রেজিস্টার থাকাকালী ঘুষ দুর্নীতি মাধ্যমে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। অনুসন্ধানে জানা যায় যে বাসা নম্বর -১২. রোড নং -০২.ওয়ার্ড নং -১১.কল্যাণপুর ঢাকা. ড্রিম হেভেন ভবনে বিলাস বহুল ফ্লাট রয়েছে। তার স্ত্রী সুরাইয়া ইসলাম এর নামে একটি অত্যাধুনিক গাড়ি রয়েছে। যার গাড়ি নং – ঢাকা মেট্রো -গ- ২৫-৬১৬৬. তার দুই ছেলে মাহি . মুহিত এর নামে অবৈধ সম্পদের বিষয় অনুসন্ধান চলমান। ভুক্তভোগী জনসাধারণ দাবি করেন শফিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী সুরাইয়া ইসলাম এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানের মাধ্যমে খুঁজে বের করে তা সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করুন এবং তাদেরকে আইনের আওতায় আনয়ন করা খুবই জরুরী।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

ফরিদপুর জেলা রেজিস্ট্রার শফিকুল ইসলাম দুদকের জালে: ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট: ০৮:১০:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

এম. এন. আলী নাঈম।

দুদকের জালে ফরিদপুর জেলা রেজিস্টার শফিকুল ইসলাম। ঘুষ. দুর্নীতি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন এর প্রধান কার্যালয় সেগুনবাগিচা ঢাকা অনুসন্ধান শুরু করেছেন।  দুর্নীতি দমন কমিশন ঢাকার স্মারক নং – ০০.০১.০০০০.৪০৩.০১.০০৪.২৬। দুদকের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন। মোহাম্মদ জাফর সাদেক শিবলী সহকারি পরিচালক দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালয় ঢাকা। এ বিষয়ে শফিকুল ইসলাম এর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। বিশেষ সূত্রে জানা যায় যে শফিকুল ইসলাম এর অভিযোগের চাইতে আরো কয়েকগুণ অবৈধ সম্পদ রয়েছে বলে জানা যায়। শফিকুল ইসলাম সাব রেজিস্টার থাকাকালী ঘুষ দুর্নীতি মাধ্যমে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। অনুসন্ধানে জানা যায় যে বাসা নম্বর -১২. রোড নং -০২.ওয়ার্ড নং -১১.কল্যাণপুর ঢাকা. ড্রিম হেভেন ভবনে বিলাস বহুল ফ্লাট রয়েছে। তার স্ত্রী সুরাইয়া ইসলাম এর নামে একটি অত্যাধুনিক গাড়ি রয়েছে। যার গাড়ি নং – ঢাকা মেট্রো -গ- ২৫-৬১৬৬. তার দুই ছেলে মাহি . মুহিত এর নামে অবৈধ সম্পদের বিষয় অনুসন্ধান চলমান। ভুক্তভোগী জনসাধারণ দাবি করেন শফিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী সুরাইয়া ইসলাম এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানের মাধ্যমে খুঁজে বের করে তা সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করুন এবং তাদেরকে আইনের আওতায় আনয়ন করা খুবই জরুরী।