মেধা-মননশীলতায় বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়ানোর আহ্বান আইজিপির
- আপডেট: ০৩:২৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
- / ১৮০০৭
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
মেধা ও মননশীলতার মাধ্যমে বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়াতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস-এ বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স কল্যাণ সমিতি কমপ্লেক্সের সেমিনার হলে আয়োজিত ‘আইজিপি শিক্ষাবৃত্তি-২০২৫’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে। আইন জানা ও মেনে চলার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে এবং সবসময় ইতিবাচক চিন্তা করতে হবে। ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সমাজের উন্নয়নে কাজ করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের কোনো সদস্য অপরাধে জড়িত হলে তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না; বরং যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, দেশের প্রতিটি জেলার সদর থানাকে ‘জিরো কমপ্লেইন’ থানা হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স কল্যাণ সমিতির সভাপতি ড. এম আকবর আলী-এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিমিয়া সাআদত। স্বাগত বক্তব্য দেন সমিতির সহ-সভাপতি ইয়াসমিন গফুর।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ড. মো. আবুল হোসেন এবং মো. ফারুক হোসেন। উপস্থিত ছিলেন সমিতির অন্যান্য সদস্য, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আইজিপি বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে তরুণ প্রজন্মকে মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।
অনুষ্ঠানে ‘কেমন পুলিশ চাই’ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মতামতও তুলে ধরা হয়। তারা পুলিশকে আরও বন্ধুসুলভ ও জনবান্ধব হিসেবে দেখতে চাওয়ার পাশাপাশি আইন প্রয়োগে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখার আহ্বান জানায়।
সভাপতির বক্তব্যে ড. এম আকবর আলী বলেন, পুলিশ সদস্যদের জনগণের সঙ্গে আরও ভালো আচরণ করতে হবে।
উল্লেখ্য, কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিলের অর্থায়নে বাংলাদেশ পুলিশ পরিচালিত বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের ২০২৫ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত চারশ’ শিক্ষার্থীর মাঝে এই শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়।
এর মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একশ’ শিক্ষার্থীর হাতে সরাসরি বৃত্তি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। বাকি তিনশ’ শিক্ষার্থীকে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপারের মাধ্যমে বৃত্তি দেওয়া হবে।



















