০১:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

১৪টি উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে বিমানের চুক্তি

  • আপডেট: ১১:২০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৮০০৪

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

বহর সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার জন্য Boeing-এর সঙ্গে চুক্তি সই করেছে Biman Bangladesh Airlines।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে এ চুক্তি সই হয়। চুক্তি অনুযায়ী, কেনা হবে ১০টি ওয়াইড-বডি Boeing 787 Dreamliner এবং ৪টি ন্যারো-বডি Boeing 737 MAX উড়োজাহাজ।

বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাইজার সোহেল আহমেদ বলেন, জ্বালানি-সাশ্রয়ী ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত এসব উড়োজাহাজ বহর আধুনিকীকরণ, অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক এভিয়েশন বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও জানান, এ চুক্তি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বৈশ্বিক সংযোগ বৃদ্ধি এবং যাত্রীসেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যকে এগিয়ে নেবে। পাশাপাশি পর্যটন খাতের বিকাশ, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং দক্ষ জনবল তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে যাত্রীদের জন্য আরও নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এই উদ্যোগ দেশের এভিয়েশন খাতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে এবং বাংলাদেশকে আঞ্চলিক বিমান পরিবহণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

১৪টি উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে বিমানের চুক্তি

আপডেট: ১১:২০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

বহর সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার জন্য Boeing-এর সঙ্গে চুক্তি সই করেছে Biman Bangladesh Airlines।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে এ চুক্তি সই হয়। চুক্তি অনুযায়ী, কেনা হবে ১০টি ওয়াইড-বডি Boeing 787 Dreamliner এবং ৪টি ন্যারো-বডি Boeing 737 MAX উড়োজাহাজ।

বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাইজার সোহেল আহমেদ বলেন, জ্বালানি-সাশ্রয়ী ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত এসব উড়োজাহাজ বহর আধুনিকীকরণ, অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক এভিয়েশন বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও জানান, এ চুক্তি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বৈশ্বিক সংযোগ বৃদ্ধি এবং যাত্রীসেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যকে এগিয়ে নেবে। পাশাপাশি পর্যটন খাতের বিকাশ, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং দক্ষ জনবল তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে যাত্রীদের জন্য আরও নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এই উদ্যোগ দেশের এভিয়েশন খাতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে এবং বাংলাদেশকে আঞ্চলিক বিমান পরিবহণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।