১২:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

রামিসা হত্যার ঘটনা ধামাচাপা পড়বে না, যথাযথ বিচার হবে: ডিসি মোস্তাক

  • আপডেট: ১০:৫৯:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
  • / ১৮০০৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা হত্যার ঘটনা কোনোভাবেই ধামাচাপা পড়বে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মোস্তাক সরকার। তিনি বলেন, এ ঘটনায় যথাযথ বিচার হবে। এজন্য পুলিশ অত্যন্ত পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে রামিসা হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত আসামির বিচারের দাবীতে স্থানীয়দের সড়ক অবরোধকারীদের তিনি এ আশ্বাস দেন।

ডিসি মোস্তাক সরকার বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আসামিদের ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের স্বীকারোক্তিতে আমরা জানতে পেরেছি, হত্যার আগে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে। তবে এ বিষয়গুলোর পোস্টমর্টেম রিপোর্টের জন্য আমরা অপেক্ষা করছি, এ বিষয়গুলো ছাড়া অপূর্ণ তদন্ত হব।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ অত্যন্ত পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই চার্জশিট দাখিল করা হবে। সরকারও পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে।”

এসময় সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনরত এলাকাবাসীর উদ্দেশে ডিসি মোস্তাক বলেন, সড়ক অবরোধের কারণে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছেন। আটকে থাকা যানবাহনগুলো আপনাদের এলাকার কিংবা বাইরের এলাকার মানুষের। তাই জনগণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

তিনি নাগরিকদের দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনাদের দাবিগুলো সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

এদিকে আজ রাতে হত্যার শিকার শিশু রামিসা আক্তারের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় তিনি শোকাহত পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এছাড়া তিনি ঘটনার সুষ্ঠু ও দ্রুত তদন্ত নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।

এত আগে গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর একটি বাসার খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

এ ঘটনায় পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরবর্তীকালে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর, শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ঘাতক সোহেল রানা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

রামিসা হত্যার ঘটনা ধামাচাপা পড়বে না, যথাযথ বিচার হবে: ডিসি মোস্তাক

আপডেট: ১০:৫৯:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা হত্যার ঘটনা কোনোভাবেই ধামাচাপা পড়বে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মোস্তাক সরকার। তিনি বলেন, এ ঘটনায় যথাযথ বিচার হবে। এজন্য পুলিশ অত্যন্ত পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে রামিসা হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত আসামির বিচারের দাবীতে স্থানীয়দের সড়ক অবরোধকারীদের তিনি এ আশ্বাস দেন।

ডিসি মোস্তাক সরকার বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আসামিদের ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের স্বীকারোক্তিতে আমরা জানতে পেরেছি, হত্যার আগে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে। তবে এ বিষয়গুলোর পোস্টমর্টেম রিপোর্টের জন্য আমরা অপেক্ষা করছি, এ বিষয়গুলো ছাড়া অপূর্ণ তদন্ত হব।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ অত্যন্ত পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই চার্জশিট দাখিল করা হবে। সরকারও পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে।”

এসময় সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনরত এলাকাবাসীর উদ্দেশে ডিসি মোস্তাক বলেন, সড়ক অবরোধের কারণে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছেন। আটকে থাকা যানবাহনগুলো আপনাদের এলাকার কিংবা বাইরের এলাকার মানুষের। তাই জনগণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

তিনি নাগরিকদের দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনাদের দাবিগুলো সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

এদিকে আজ রাতে হত্যার শিকার শিশু রামিসা আক্তারের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় তিনি শোকাহত পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এছাড়া তিনি ঘটনার সুষ্ঠু ও দ্রুত তদন্ত নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।

এত আগে গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর একটি বাসার খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

এ ঘটনায় পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরবর্তীকালে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর, শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ঘাতক সোহেল রানা।