০৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হরিনাকুন্ডতে খাল খননে পাট জাগ দিতে পেরে কৃষকের মুখে হাসি

  • আপডেট: ০৫:৩৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৮০০৭

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

জলাবদ্ধতার সমস্যা নিরসনে ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু উপজেলার কাপাসহাটিয়া ইউনিয়নের শীতলী গ্রাম সংলগ্ন টি-২ এস ৪- এ খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

এই খাল খননের সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়, প্রায় ৩৩ লক্ষ টাকা। প্রথমে এই খাল খনন প্রকল্প কাপাসিয়া ইউনিয়নের ঘোড়াগাছা কাটাখালে ১- ডি১১- এন প্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন নেওয়া হয়। জনস্বার্থের গুরুত্ব অনুধাবন করে পরবর্তীতে একই ইউনিয়নের শীতলি গ্রামে এই প্রকল্প স্থানান্তরিত করা হয় এবং এই প্রকল্পের মন্ত্রণালয়ের মৌখিক সিদ্ধান্ত নিয়ে পরবর্তীতে প্রকল্প স্থানান্তরের জন্য মন্ত্রণালয়ের চিঠি প্রদান করা হয়। অতি সত্তর স্থানন্তর প্রকল্পের অনুমোদন হয়ে আসবে বলে হরিণাকুন্ডু প্রকল্প অফিসার আজিজুর রহমান জানান।

স্বরেজমিনে দেখা যায় স্থানীয় চাষিরা খাল খননের ফলে পানি বৃদ্ধি পাওয়াই,এই খালে পাটের জাগ দিয়ে, পাট পচিয়ে পাটের আশ ছোড়াচ্ছেন। কৃযক জব্বার আলী বলেন খাল খননের পর খালে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে, আমরা এখানে পাটের জাগ দিতে পেরে অনেক খুশি।

এই খাল খননের ফলে কৃষকরা শুকনো মৌসুমেও চাষাবাদে বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছেন । এই খাল ও জলাশয় ভরাট হয়ে যাওয়ায় প্রতিবছর কৃষি জমিতে সেচ প্রদান ও বর্ষার মৌসুমে জলাবদ্ধতার ভোগান্তিতে পড়তে হয় কৃষকদের। খাল খননের পরে কৃষকরা আশায় বুক বেঁধেছেন। উল্লেখ্য এই কৃষকদের এত সুবিধা হওয়ার পরও কিছু মিডিয়া এই সফল উদ্যোগকে বিতর্ক করার চেষ্টা করেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

হরিনাকুন্ডতে খাল খননে পাট জাগ দিতে পেরে কৃষকের মুখে হাসি

আপডেট: ০৫:৩৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

জলাবদ্ধতার সমস্যা নিরসনে ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু উপজেলার কাপাসহাটিয়া ইউনিয়নের শীতলী গ্রাম সংলগ্ন টি-২ এস ৪- এ খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

এই খাল খননের সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়, প্রায় ৩৩ লক্ষ টাকা। প্রথমে এই খাল খনন প্রকল্প কাপাসিয়া ইউনিয়নের ঘোড়াগাছা কাটাখালে ১- ডি১১- এন প্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন নেওয়া হয়। জনস্বার্থের গুরুত্ব অনুধাবন করে পরবর্তীতে একই ইউনিয়নের শীতলি গ্রামে এই প্রকল্প স্থানান্তরিত করা হয় এবং এই প্রকল্পের মন্ত্রণালয়ের মৌখিক সিদ্ধান্ত নিয়ে পরবর্তীতে প্রকল্প স্থানান্তরের জন্য মন্ত্রণালয়ের চিঠি প্রদান করা হয়। অতি সত্তর স্থানন্তর প্রকল্পের অনুমোদন হয়ে আসবে বলে হরিণাকুন্ডু প্রকল্প অফিসার আজিজুর রহমান জানান।

স্বরেজমিনে দেখা যায় স্থানীয় চাষিরা খাল খননের ফলে পানি বৃদ্ধি পাওয়াই,এই খালে পাটের জাগ দিয়ে, পাট পচিয়ে পাটের আশ ছোড়াচ্ছেন। কৃযক জব্বার আলী বলেন খাল খননের পর খালে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে, আমরা এখানে পাটের জাগ দিতে পেরে অনেক খুশি।

এই খাল খননের ফলে কৃষকরা শুকনো মৌসুমেও চাষাবাদে বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছেন । এই খাল ও জলাশয় ভরাট হয়ে যাওয়ায় প্রতিবছর কৃষি জমিতে সেচ প্রদান ও বর্ষার মৌসুমে জলাবদ্ধতার ভোগান্তিতে পড়তে হয় কৃষকদের। খাল খননের পরে কৃষকরা আশায় বুক বেঁধেছেন। উল্লেখ্য এই কৃষকদের এত সুবিধা হওয়ার পরও কিছু মিডিয়া এই সফল উদ্যোগকে বিতর্ক করার চেষ্টা করেছে।