০৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

তুরাগে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, স্বামী আটক

  • আপডেট: ০২:৩৩:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৮০০৪

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর তুরাগে পারিবারিক বিরোধের জেরে রুনা আক্তার (১৮) নামে এক নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী অপু মিয়ার (২৪) বিরুদ্ধে। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ছুরিসহ অপুকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত সোয়া ৯টার দিকে তুরাগ থানার দলিপাড়ার ৫ নম্বর সেক্টরের ৬/এ সড়কের শেষ মাথায় ৫১ নম্বর বাড়ির গ্যারেজে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রুনা আক্তার নেত্রকোনার সদর উপজেলার সাতকান্দা গ্রামের মো. হাদিস মিয়ার মেয়ে। অভিযুক্ত অপু মিয়া একই উপজেলার দাপুনিয়া গ্রামের মো. সবুজ মিয়ার ছেলে।

তুরাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, পারিবারিক বিরোধের একপর্যায়ে অপু মিয়া ধারালো ছুরি দিয়ে স্ত্রী রুনার বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয় লোকজন রুনাকে উদ্ধার করে কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি জানান, ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ছুরিসহ অপু মিয়াকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ তাঁকে হেফাজতে নেয়।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, স্ত্রী অন্য ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িত—এমন সন্দেহ থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানান ওসি।

এ ঘটনায় নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত, ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

তুরাগে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, স্বামী আটক

আপডেট: ০২:৩৩:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর তুরাগে পারিবারিক বিরোধের জেরে রুনা আক্তার (১৮) নামে এক নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী অপু মিয়ার (২৪) বিরুদ্ধে। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ছুরিসহ অপুকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত সোয়া ৯টার দিকে তুরাগ থানার দলিপাড়ার ৫ নম্বর সেক্টরের ৬/এ সড়কের শেষ মাথায় ৫১ নম্বর বাড়ির গ্যারেজে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রুনা আক্তার নেত্রকোনার সদর উপজেলার সাতকান্দা গ্রামের মো. হাদিস মিয়ার মেয়ে। অভিযুক্ত অপু মিয়া একই উপজেলার দাপুনিয়া গ্রামের মো. সবুজ মিয়ার ছেলে।

তুরাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, পারিবারিক বিরোধের একপর্যায়ে অপু মিয়া ধারালো ছুরি দিয়ে স্ত্রী রুনার বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয় লোকজন রুনাকে উদ্ধার করে কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি জানান, ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ছুরিসহ অপু মিয়াকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ তাঁকে হেফাজতে নেয়।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, স্ত্রী অন্য ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িত—এমন সন্দেহ থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানান ওসি।

এ ঘটনায় নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত, ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।