০৪:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

সন্ত্রাস-মাদক ও ঘুষমুক্ত গুটুদিয়া গড়ার অঙ্গীকার চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশী সাবেক বিমান সেনা লেলিনের

  • আপডেট: ১১:০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • / ১৮০১১

‘বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত’ থেকে ‘মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত গুটুদিয়া’ গড়ার প্রত্যয়ে সাবেক বিমানসেনা লেলিন

খুলনা প্রতিনিধি: ‘বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত’,  বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর এই গৌরবময় মূলমন্ত্র বুকে ধারণ করে সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ ও দীর্ঘ কর্মজীবনে দায়িত্ব পালন করেছেন অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান লেলিন। এবার সেই শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও দেশসেবার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নিজ এলাকার মানুষের সেবায় ভূমিকা রাখতে চান তিনি। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রত্যাশা নিয়ে ইতিমধ্যে গণসংযোগ শুরু করেছেন তিনি।

তাঁর এবারের প্রত্যয়, ‘গুটুদিয়া ইউনিয়নকে সন্ত্রাস, মাদক, ঘুষ ও অনিয়মমুক্ত রাখতে কাজ করব।’ একটি শান্তিপূর্ণ, উন্নত, মানবিক ও জবাবদিহিমূলক ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় ও সামাজিক যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণের পর মনিরুজ্জামান লেলিন বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি খুলনা জেলা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সামরিক জীবনে অর্জিত শৃঙ্খলা, সময়ানুবর্তিতা, নেতৃত্ব ও দায়িত্বশীলতার অভিজ্ঞতা স্থানীয় সরকার পরিচালনায় কাজে লাগাতে চান তিনি।

চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশী মনিরুজ্জামান লেলিন ইউনিয়নের রাস্তাঘাট ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণ এবং অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

বিশেষ করে মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণ, অভিভাবক, শিক্ষক, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, যুবসমাজ ও প্রশাসনের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে চান তিনি। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের সেবাপ্রাপ্তিতে হয়রানি, অনিয়ম ও ঘুষের অভিযোগ প্রতিরোধে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

এদিকে চেয়ারম্যান পদে তাঁর প্রার্থিতার আগ্রহ প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি তাঁকে স্বাগত জানিয়ে মন্তব্য করছেন। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘সৎ, যোগ্য ও শিক্ষিত নেতা নির্বাচিত করুন। সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করুন।’ অপর একজন লিখেছেন, ‘প্রিয় ইউনিয়নের মানুষের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা পূরণে আপনার মতো সৎ, সাহসী, মেধাবী ও জনদরদি মানুষই প্রয়োজন।’

আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আপনাকে এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই। আপনার হাত ধরে গড়ে উঠুক একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত ইউনিয়ন।’

ইউনিয়নের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রত্যাশা, স্থানীয় সমস্যা ও প্রার্থীদের কর্মপরিকল্পনা‘ই নির্বাচনী আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

মনিরুজ্জামান লেলিনের ঘোষিত লক্ষ্য, ইউনিয়ন পরিষদকে এমন একটি জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা, যেখানে সাধারণ মানুষ মর্যাদার সঙ্গে সেবা পাবেন এবং স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জনগণের মতামত গুরুত্ব পাবে।

বিমানবাহিনীর কর্মজীবনের মূলমন্ত্র ‘বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত’ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে গুটুদিয়া ইউনিয়নকে সন্ত্রাস, মাদক, ঘুষ ও অনিয়মমুক্ত রাখার যে প্রত্যয় তিনি ব্যক্ত করেছেন, তা বাস্তবায়নে তাঁর পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম কী হবে, সেদিকেই থাকবে স্থানীয় জনগণের নজর।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

সন্ত্রাস-মাদক ও ঘুষমুক্ত গুটুদিয়া গড়ার অঙ্গীকার চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশী সাবেক বিমান সেনা লেলিনের

আপডেট: ১১:০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

‘বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত’ থেকে ‘মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত গুটুদিয়া’ গড়ার প্রত্যয়ে সাবেক বিমানসেনা লেলিন

খুলনা প্রতিনিধি: ‘বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত’,  বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর এই গৌরবময় মূলমন্ত্র বুকে ধারণ করে সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ ও দীর্ঘ কর্মজীবনে দায়িত্ব পালন করেছেন অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান লেলিন। এবার সেই শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও দেশসেবার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নিজ এলাকার মানুষের সেবায় ভূমিকা রাখতে চান তিনি। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রত্যাশা নিয়ে ইতিমধ্যে গণসংযোগ শুরু করেছেন তিনি।

তাঁর এবারের প্রত্যয়, ‘গুটুদিয়া ইউনিয়নকে সন্ত্রাস, মাদক, ঘুষ ও অনিয়মমুক্ত রাখতে কাজ করব।’ একটি শান্তিপূর্ণ, উন্নত, মানবিক ও জবাবদিহিমূলক ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় ও সামাজিক যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণের পর মনিরুজ্জামান লেলিন বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি খুলনা জেলা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সামরিক জীবনে অর্জিত শৃঙ্খলা, সময়ানুবর্তিতা, নেতৃত্ব ও দায়িত্বশীলতার অভিজ্ঞতা স্থানীয় সরকার পরিচালনায় কাজে লাগাতে চান তিনি।

চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশী মনিরুজ্জামান লেলিন ইউনিয়নের রাস্তাঘাট ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণ এবং অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

বিশেষ করে মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণ, অভিভাবক, শিক্ষক, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, যুবসমাজ ও প্রশাসনের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে চান তিনি। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের সেবাপ্রাপ্তিতে হয়রানি, অনিয়ম ও ঘুষের অভিযোগ প্রতিরোধে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

এদিকে চেয়ারম্যান পদে তাঁর প্রার্থিতার আগ্রহ প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি তাঁকে স্বাগত জানিয়ে মন্তব্য করছেন। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘সৎ, যোগ্য ও শিক্ষিত নেতা নির্বাচিত করুন। সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করুন।’ অপর একজন লিখেছেন, ‘প্রিয় ইউনিয়নের মানুষের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা পূরণে আপনার মতো সৎ, সাহসী, মেধাবী ও জনদরদি মানুষই প্রয়োজন।’

আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আপনাকে এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই। আপনার হাত ধরে গড়ে উঠুক একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত ইউনিয়ন।’

ইউনিয়নের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রত্যাশা, স্থানীয় সমস্যা ও প্রার্থীদের কর্মপরিকল্পনা‘ই নির্বাচনী আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

মনিরুজ্জামান লেলিনের ঘোষিত লক্ষ্য, ইউনিয়ন পরিষদকে এমন একটি জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা, যেখানে সাধারণ মানুষ মর্যাদার সঙ্গে সেবা পাবেন এবং স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জনগণের মতামত গুরুত্ব পাবে।

বিমানবাহিনীর কর্মজীবনের মূলমন্ত্র ‘বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত’ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে গুটুদিয়া ইউনিয়নকে সন্ত্রাস, মাদক, ঘুষ ও অনিয়মমুক্ত রাখার যে প্রত্যয় তিনি ব্যক্ত করেছেন, তা বাস্তবায়নে তাঁর পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম কী হবে, সেদিকেই থাকবে স্থানীয় জনগণের নজর।