ডেঙ্গু প্রতিরোধে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান: সচেতনতা ও মানবিক সহায়তার ওপর জোর
- আপডেট: ১০:৪১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
- / ১৮০০১
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও জোরদার করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির জাতীয় সদর দপ্তর, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং এর আশপাশের এলাকায় এক বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ১১টায় আয়োজিত এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানের শুভ উদ্বোধন করেন এবং সরাসরি অংশ নেন সোসাইটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. আবদুস সালাম।
অভিযান শেষে ব্যারিস্টার মো. আবদুস সালাম বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমের আহ্বানের পর থেকেই বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি দেশব্যাপী বিভিন্ন প্রতিরোধমূলক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
এ সময় তিনি মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে যুব স্বেচ্ছাসেবকদের অবদানের কথা বিশেষভাবে স্মরণ করে বলেন, আমাদের প্রতিটি কার্যক্রমের মূল শক্তি যুব স্বেচ্ছাসেবকরা। তাদের নিরলস প্রচেষ্টা, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীল অংশগ্রহণের ফলেই মাঠপর্যায়ে এসব কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে। একই সঙ্গে ডেঙ্গু ও হামসহ বিভিন্ন জরুরি মানবিক সাড়াদান কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্য আইএফআরসি এবং পার্টনার ন্যাশনাল সোসাইটিগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
সোসাইটির চলমান ‘Dengue Response Operation 2026’-এর আওতাধীন এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইএফআরসি’র হেড অব ডেলিগেট, সোসাইটির বিভিন্ন বিভাগের পরিচালকবৃন্দ, পার্টনার ন্যাশনাল সোসাইটির প্রতিনিধিগণ এবং সোসাইটির সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্বেচ্ছাসেবকরা।
রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সূত্রে জানা গেছে, ডেঙ্গু মোকাবিলায় সংস্থাটি শুধু ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনই নয়, বরং দেশের ১৫টি জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের মাধ্যমে ব্যাপক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে- ৭১৩টি পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ১৭৯টি মাইকিং এবং বাড়ি ও স্কুলভিত্তিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এসব কার্যক্রমে প্রতিদিন চার শতাধিক যুব স্বেচ্ছাসেবক সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন।
এছাড়া ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ৫০ হাজার NS1 পরীক্ষার কিট, ৭০ হাজার ব্যাগ নরমাল স্যালাইন এবং ১৫ হাজার ব্যাগ বেবি স্যালাইন সরবরাহ করা হয়েছে। পাশাপাশি, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ২ হাজার ৫০০ জন রোগীর পরিবারকে পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে জনপ্রতি ১০ হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা প্রদানের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।



















