০৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • আপডেট: ০৩:৪৫:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
  • / ১৮০০৫

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর জন্য একটি সমন্বিত প্রশিক্ষণকেন্দ্র বা ‘হাব’ গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে পুলিশ সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক, সেগুলো নির্মূল করা হবে। আমরা আশা করি, আপনারা সবাই সহযোগিতা করবেন এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষ আমাদের এ উদ্যোগকে সমর্থন ও সহযোগিতা করবেন। আমরা এ দেশে কোনোভাবেই সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী এবং চাঁদাবাজদের স্থান দেব না।

র‍্যাব ও পুলিশের ওপর হামলার বিষয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরসহ অন্যান্য জায়গায় যেখানে র‍্যাব এবং পুলিশ বাহিনীর ওপর আক্রমণ হয়েছে, সেটি আমরা গভীরভাবে দেখেছি এবং এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি। সেটি যখন আপনাদের সামনে দৃশ্যমান হবে, তখন আপনারা দেখতে পাবেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর দেশে আইনের শাসন ছিল না, দুর্বৃত্তায়নের একটি মহামারি চলেছে। জঙ্গল সলিমপুর যেন রাষ্ট্রের ভেতরে আরেকটি রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ অভিযানে সেখান থেকে প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার ও দাগি আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এলাকাটিতে পুলিশ ও র‍্যাবের অ্যাকাডেমি, স্পোর্টস কমপ্লেক্স, বিজিবি ও এপিবিএনসহ বিভিন্ন বাহিনীর জন্য একটি সমন্বিত প্রশিক্ষণকেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি সেখানে চট্টগ্রাম কারাগার স্থানান্তরেরও কথা রয়েছে। সেখানে সন্ত্রাসীদের আর কোনো স্থান দেওয়া হবে না এবং কঠোরভাবে তাদের নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি যেটা জাতীয়ভাবে উদ্বেগ সৃষ্টি হবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এমন কোনো বিষয় আমরা লক্ষ্য করি নাই যেটা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এখন সমাধান হচ্ছে না। এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, সীমান্তে যদি কোনো রকমের কোনো সময় সমস্যা হয় তখন ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের মাধ্যমে সেটা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে উভয়পক্ষে এটা সমাধান করা হয়। এমন কোনো বিষয় আমরা লক্ষ্য করি নাই যেটা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এখন সমাধান হচ্ছে না।

তিনি বলেন, দুই-একটা ঘটনা আমাদের নজরে এসেছে। আমাদের বিজিবির ডিজি সেগুলো তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাড্রেস করেছেন এবং সীমান্তে যারা আমাদের অফিসাররা আছেন তারাও সেটা যথাযথভাবে জবাব দিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট: ০৩:৪৫:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর জন্য একটি সমন্বিত প্রশিক্ষণকেন্দ্র বা ‘হাব’ গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে পুলিশ সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক, সেগুলো নির্মূল করা হবে। আমরা আশা করি, আপনারা সবাই সহযোগিতা করবেন এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষ আমাদের এ উদ্যোগকে সমর্থন ও সহযোগিতা করবেন। আমরা এ দেশে কোনোভাবেই সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী এবং চাঁদাবাজদের স্থান দেব না।

র‍্যাব ও পুলিশের ওপর হামলার বিষয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরসহ অন্যান্য জায়গায় যেখানে র‍্যাব এবং পুলিশ বাহিনীর ওপর আক্রমণ হয়েছে, সেটি আমরা গভীরভাবে দেখেছি এবং এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি। সেটি যখন আপনাদের সামনে দৃশ্যমান হবে, তখন আপনারা দেখতে পাবেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর দেশে আইনের শাসন ছিল না, দুর্বৃত্তায়নের একটি মহামারি চলেছে। জঙ্গল সলিমপুর যেন রাষ্ট্রের ভেতরে আরেকটি রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ অভিযানে সেখান থেকে প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার ও দাগি আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এলাকাটিতে পুলিশ ও র‍্যাবের অ্যাকাডেমি, স্পোর্টস কমপ্লেক্স, বিজিবি ও এপিবিএনসহ বিভিন্ন বাহিনীর জন্য একটি সমন্বিত প্রশিক্ষণকেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি সেখানে চট্টগ্রাম কারাগার স্থানান্তরেরও কথা রয়েছে। সেখানে সন্ত্রাসীদের আর কোনো স্থান দেওয়া হবে না এবং কঠোরভাবে তাদের নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি যেটা জাতীয়ভাবে উদ্বেগ সৃষ্টি হবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এমন কোনো বিষয় আমরা লক্ষ্য করি নাই যেটা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এখন সমাধান হচ্ছে না। এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, সীমান্তে যদি কোনো রকমের কোনো সময় সমস্যা হয় তখন ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের মাধ্যমে সেটা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে উভয়পক্ষে এটা সমাধান করা হয়। এমন কোনো বিষয় আমরা লক্ষ্য করি নাই যেটা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এখন সমাধান হচ্ছে না।

তিনি বলেন, দুই-একটা ঘটনা আমাদের নজরে এসেছে। আমাদের বিজিবির ডিজি সেগুলো তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাড্রেস করেছেন এবং সীমান্তে যারা আমাদের অফিসাররা আছেন তারাও সেটা যথাযথভাবে জবাব দিয়েছেন।