০২:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

উত্তরায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণ সংক্লান্ত ফেসবুক পোস্টটি ভিত্তিহীন: ডিএমপি

  • আপডেট: ০৬:৫৯:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
  • / ১৮০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর উত্তরায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ সংক্রান্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্ট সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন,মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

মঙ্গলবার (২৬ মে) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি জানায়, সম্প্রতি ফেসবুকে প্রচারিত একটি ভিডিও ও পোস্টে দাবি করা হয়—“উত্তরায় ঈদের কেনাকাটার সময় স্বামীকে বেঁধে রেখে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়েছে এবং তিনি অজ্ঞান অবস্থায় আছেন”—যা যাচাই-বাছাই শেষে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, এ ধরনের ঘটনা উত্তরা, ঢাকা মহানগরী বা দেশের কোথাও ঘটেছে—এমন কোনো তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে নেই। এটি জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি, আতঙ্ক ছড়ানো এবং সামাজিক অস্থিরতা তৈরির উদ্দেশ্যে প্রচার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ডিএমপি আরও জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন পুরোনো, ভিন্ন দেশের বা এডিট করা ভিডিওকে বাংলাদেশের ঘটনা বলে প্রচারের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যা ইতোমধ্যে একাধিক ফ্যাক্টচেক সংস্থার মাধ্যমে মিথ্যা হিসেবে শনাক্ত হয়েছে।

এ ধরনের গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে ডিএমপি বলেছে, কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যমের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা জরুরি।

গুজব ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে পুলিশের এই ইউনিট।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

উত্তরায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণ সংক্লান্ত ফেসবুক পোস্টটি ভিত্তিহীন: ডিএমপি

আপডেট: ০৬:৫৯:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর উত্তরায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ সংক্রান্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্ট সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন,মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

মঙ্গলবার (২৬ মে) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি জানায়, সম্প্রতি ফেসবুকে প্রচারিত একটি ভিডিও ও পোস্টে দাবি করা হয়—“উত্তরায় ঈদের কেনাকাটার সময় স্বামীকে বেঁধে রেখে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়েছে এবং তিনি অজ্ঞান অবস্থায় আছেন”—যা যাচাই-বাছাই শেষে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, এ ধরনের ঘটনা উত্তরা, ঢাকা মহানগরী বা দেশের কোথাও ঘটেছে—এমন কোনো তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে নেই। এটি জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি, আতঙ্ক ছড়ানো এবং সামাজিক অস্থিরতা তৈরির উদ্দেশ্যে প্রচার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ডিএমপি আরও জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন পুরোনো, ভিন্ন দেশের বা এডিট করা ভিডিওকে বাংলাদেশের ঘটনা বলে প্রচারের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যা ইতোমধ্যে একাধিক ফ্যাক্টচেক সংস্থার মাধ্যমে মিথ্যা হিসেবে শনাক্ত হয়েছে।

এ ধরনের গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে ডিএমপি বলেছে, কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যমের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা জরুরি।

গুজব ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে পুলিশের এই ইউনিট।