ঢাকা উত্তর সিটিতে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৪৫৯৮ টন বর্জ্য অপসারণ
- আপডেট: ০৫:৪৩:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬
- / ১৮০০৩
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
রাজধানীতে কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণে মাঠে কাজ করছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।
ঈদুল আজহার দিন বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেল ৪টা পর্যন্ত ডিএনসিসির আওতাভুক্ত বিভিন্ন এলাকা থেকে এক হাজার ৫২টি ট্রিপের মাধ্যমে মোট চার হাজার ৫৯৮ দশমিক ৪৩ টন কোরবানির বর্জ্য আমিনবাজার ভাগাড়ে অপসারণ করা হয়েছে। দুপুর ১২টা থেকে এই অপসারণ শুরু হয়।
সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজকের পাশাপাশি বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম আগামী আরও দুইদিন চলমান থাকবে। এ কাজে প্রায় ১৬ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবং ৭৫২টি যানবাহন নিয়োজিত রয়েছে।
ডিএনসিসির তথ্য অনুযায়ী, সরকারের নির্ধারিত ১২ ঘণ্টারও আগে বর্জ্য অপসারণ শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। এজন্য আমিনবাজার ভাগাড়ে নতুন সংযোগ সড়ক, প্ল্যাটফর্ম ও ট্রেঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে। বর্জ্যবাহী যানবাহনের কার্যক্রম তদারকিতে ডিজিটাল ওয়েব্রিজের মাধ্যমে রিয়েল-টাইম ট্রিপ মনিটরিং ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে।
উত্তর সিটি করপোরেশন নগরবাসীর মধ্যে ১৬ লাখ ৩০ হাজার পলিব্যাগ বিতরণ করেছে। পাশাপাশি তিন হাজার ৬০০ বস্তা ব্লিচিং পাউডার, এক হাজার ৩৪৮ ক্যান ফিনাইল ও তিন হাজার ৯০০ ক্যান স্যাভলন সরবরাহ করা হয়েছে।
এদিকে, দুপুরে রাজধানীর মিরপুর সিরামিক রোড এলাকায় সিটি করপোরেশনের বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান।
পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কোরবানির বর্জ্য দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী ১২ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ করে নগরবাসীকে স্বস্তি দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সিটি করপোরেশন। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা আজ মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিদর্শনে এসেছি। আশা করছি রাত ২টার অনেক আগেই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শেষ করা সম্ভব হবে।
নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা কোরবানির বর্জ্য পলিব্যাগে ভরে নির্ধারিত স্থানে রাখবেন। সেখান থেকে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা দ্রুত তা অপসারণ করবে। নগরবাসী আস্থা রাখতে পারেন, ইনশাআল্লাহ আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে নগর পরিষ্কার করতে সক্ষম হবো।’
এসময় ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান জানান, কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় তাদের ৭২ ঘণ্টার একটি সমন্বিত অ্যাকশন প্ল্যান রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আপনারা আস্থা রাখবেন এবং বর্জ্য অবশ্যই পলিব্যাগে ভরে নির্ধারিত স্থানে রাখবেন।’
পরিদর্শনকালে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রকিবুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



















