০২:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

ট্রাফিক পুলিশকে মারধর, নারীসহ ৩ জনের সাজা

  • আপডেট: ০৫:২১:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • / ১৮০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁও সিগন্যালে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যকে মারধর ও মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলার ঘটনায় নারীসহ তিনজনকে সাজা ও জরিমানা করেছেন আদালত।

তেজগাঁও বিভাগের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ রায় দেন। আসামিরা হলেন- আফিয়া কনক (৪৫), শামসুজ্জামান (৫১) ও রাজু আহম্মেদ (২৯)।

সোমবার (৮ জুন) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এন এম নাসিরুদ্দিন এসব তথ্য জানান।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের বরাত দিয়ে নাসিরুদ্দিন জানান, গত শনিবার বিকেল আনুমানিক পৌনে ৫টায় হোটেল সোনারগাঁওয়ের ভেতরের গেট থেকে দুটি গাড়ি প্রধান রাস্তায় বের হয়। এসময় সোনারগাঁও সিগন্যালের উত্তর পাশের যানবাহন চলাচলের সিগন্যাল চালু থাকায় দায়িত্বরত ট্রাফিক কনস্টেবল মো. শামীম মিয়া গাড়ি দুটিকে পেছনে যেতে বলেন। এসময় গাড়িটি ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করে জোরপূর্বক সামনে এগোতে থাকে। গাড়ি থেকে ৪-৫ জন লোক নেমে এসে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যকে বলেন, গাড়িতে ভিআইপি আছে, পেছানো যাবে না।

এসময় ট্রাফিক কনস্টেবল শামীম মিয়া আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্দেশে গাড়িটির নেমপ্লেটের ভিডিও করতে গেলে গাড়ি থেকে ‘ভিআইপি নারী’ আফিয়া কনক নেমে এসে পুলিশ সদস্যের মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেন এবং রাস্তায় ছুঁড়ে মেরে ভেঙে ফেলেন। একই সঙ্গে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যকে মারধর করা হয়।

তিনি আরও জানান, ঘটনার পর পরই ঘটনাস্থল থেকে গাড়িটি আটক করা সম্ভব না হলেও, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অতিথি গ্রুপের দুই সিকিউরিটি কর্মী রাজু আহমেদ ও শামসুজ্জামানকে আটক করে হাতিরঝিল থানায় সোপর্দ করা হয়।

পরবর্তীতে ঘটনার মূলহোতা আফিয়া কনকসহ তিন আসামিকে তেজগাঁও বিভাগের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে ম্যাজিস্ট্রেট শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে সড়ক পরিবহন আইনের ধারা মোতাবেক আফিয়া কনককে ১০ হাজার টাকা ও রাজুকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া ঘটনায় জড়িত শামসুজ্জামানকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

ট্রাফিক পুলিশকে মারধর, নারীসহ ৩ জনের সাজা

আপডেট: ০৫:২১:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁও সিগন্যালে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যকে মারধর ও মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলার ঘটনায় নারীসহ তিনজনকে সাজা ও জরিমানা করেছেন আদালত।

তেজগাঁও বিভাগের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ রায় দেন। আসামিরা হলেন- আফিয়া কনক (৪৫), শামসুজ্জামান (৫১) ও রাজু আহম্মেদ (২৯)।

সোমবার (৮ জুন) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এন এম নাসিরুদ্দিন এসব তথ্য জানান।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের বরাত দিয়ে নাসিরুদ্দিন জানান, গত শনিবার বিকেল আনুমানিক পৌনে ৫টায় হোটেল সোনারগাঁওয়ের ভেতরের গেট থেকে দুটি গাড়ি প্রধান রাস্তায় বের হয়। এসময় সোনারগাঁও সিগন্যালের উত্তর পাশের যানবাহন চলাচলের সিগন্যাল চালু থাকায় দায়িত্বরত ট্রাফিক কনস্টেবল মো. শামীম মিয়া গাড়ি দুটিকে পেছনে যেতে বলেন। এসময় গাড়িটি ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করে জোরপূর্বক সামনে এগোতে থাকে। গাড়ি থেকে ৪-৫ জন লোক নেমে এসে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যকে বলেন, গাড়িতে ভিআইপি আছে, পেছানো যাবে না।

এসময় ট্রাফিক কনস্টেবল শামীম মিয়া আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্দেশে গাড়িটির নেমপ্লেটের ভিডিও করতে গেলে গাড়ি থেকে ‘ভিআইপি নারী’ আফিয়া কনক নেমে এসে পুলিশ সদস্যের মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেন এবং রাস্তায় ছুঁড়ে মেরে ভেঙে ফেলেন। একই সঙ্গে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যকে মারধর করা হয়।

তিনি আরও জানান, ঘটনার পর পরই ঘটনাস্থল থেকে গাড়িটি আটক করা সম্ভব না হলেও, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অতিথি গ্রুপের দুই সিকিউরিটি কর্মী রাজু আহমেদ ও শামসুজ্জামানকে আটক করে হাতিরঝিল থানায় সোপর্দ করা হয়।

পরবর্তীতে ঘটনার মূলহোতা আফিয়া কনকসহ তিন আসামিকে তেজগাঁও বিভাগের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে ম্যাজিস্ট্রেট শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে সড়ক পরিবহন আইনের ধারা মোতাবেক আফিয়া কনককে ১০ হাজার টাকা ও রাজুকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া ঘটনায় জড়িত শামসুজ্জামানকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।