০৬:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সোনারগাঁয়ে অবৈধ চুনা কারখানার দৌরাত্ম্য: গ্যাস সংকট, দূষণ ও রাজস্ব ক্ষতির শঙ্কা

  • আপডেট: ০৫:৩১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • / ১৮০০৪

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে প্রশাসনের একের পর এক অভিযান, ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং কারখানা বন্ধের ঘোষণার পরও থামছে না অবৈধ চুনা ও চুল্লি কারখানার দৌরাত্ম্য।

উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ২০টিরও অধিক চুনা ও ঢালাই কারখানা গড়ে তোলা হয়েছে। সরকারি গ্যাস লাইন থেকে অবৈধভাবে সংযোগ টেনে এসব কারখানা চালানো হলেও সেই গ্যাসের বিনিময়ে প্রতি মাসে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহল ও সংশ্লিষ্ট কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে পরিবেশবিধ্বংসী এসব কারখানা এখনও বহাল তবিয়তে চলছে। ফলে একদিকে যেমন বাড়ছে বায়ুদূষণ, অন্যদিকে অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদেরও ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।

তিতাস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার এসব কারখানায় প্রতি মাসে প্রায় ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৩০০ ঘনফুট গ্যাস ব্যবহার করছে। বর্তমান বাজারমূল্যে যার আর্থিক ক্ষতি মাসে প্রায় ১ কোটি টাকা ওপরে। অথচ তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি এ বিপুল পরিমাণ গ্যাসের কোনো বিল পাচ্ছে না। ফলে মোটা অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বরাবর জসীম উদ্দিন স্বপন নামের এক বাসিন্দার পাঠানো একটি লিখিত অভিযোগে সোনারগাঁয়ের মেঘনাঘাট এলাকায় অবৈধ চুনা কারখানা পরিচালনা, গ্যাস চুরি এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। অভিযোগপত্রে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে সোনারগাঁ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ব্যবহার করে চুনা পোড়ানোর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এর ফলে এলাকায় স্থায়ী গ্যাস সংকট সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় হচ্ছে।

অভিযোগ সূত্র বলছে, তিতাস গ্যাসের মেঘনাঘাট জোনের ম্যানাজার প্রকৌশলী সুরজিত সাহার সহযোগিতায় এসব অবৈধ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে স্থানীয়দের মধ্যে ধারণা রয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, উপজেলার ইসমানপুর, জামপুর, মোগড়াপাড়া, সোনারগাঁ পৌরসভাসহ বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ চুনা কারখানা পরিচালনার মাধ্যমে বিপুল অর্থের লেনদেন হচ্ছে এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগও রয়েছে।

নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি জানান, প্রতি সপ্তাহে একবার চুনা নামানো হয়। মাঝামাঝি সময়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ফলে তাদের তেমন কোনো ক্ষতি হয় না। তা ছাড়া অভিযানের আগে তারা জানতে পেরে পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে থাকে। কিছু অসাধু কর্মচারী তাদের কাছ থেকে মাসোহারা নিয়ে থাকে বলেও দাবি করেন তিনি।

গ্রামবাসী জানান, চুনা ও ঢালাই কারখানা গুলো ২৪ ঘণ্টা সচল থাকায় বাসাবাড়িতে গ্যাসের চাপ কমে যাচ্ছে। তা ছাড়া কারখানার গ্যাসের উত্তাপ পাশের বসতবাড়িগুলোয় ছড়িয়ে পড়ছে। এতে করে তাদের আতঙ্কে থাকতে হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিনের পর দিন চুনাপাথর পোড়ানোর ফলে নির্গত ধোঁয়া, ছাই ও ক্ষতিকর কণায় আশপাশের পরিবেশ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও বিভিন্ন শ্বাসযন্ত্রজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন শিশু ও বয়স্করা। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষিজমি, গাছপালা এবং জনস্বাস্থ্য।

নারায়ণগঞ্জ জেলার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ্ আল আরেফীন জানান, আবাসিক এলাকায় এ ধরনের কারখানা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। আমরা এ ধরনের প্রতিষ্ঠানকে ফায়ার লাইসেন্স দিই না।

অভিযোগ রয়েছে, এসব চুনা ও ঢালাই কারখানায় অধিক মুনাফার কারণে রাতারাতি এ ব্যবসায় ঝুঁকছে স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা। তিতাস কর্তৃপক্ষ কিছুদিন পরপর দায়সারা অভিযান পরিচালনা করলেও অভিযানের সপ্তাহ না ঘুরতেই পুনরায় চালু করা হচ্ছে এসব কারখানা। একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নতুন কারখানা।

তাদের অভিযোগ, প্রশাসন মাঝেমধ্যে অভিযান চালিয়ে কিছু কারখানা সিলগালা করলেও কয়েকদিনের ব্যবধানে সেগুলো আবার চালু হয়ে যায়। ফলে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে-অভিযানের পরও কীভাবে বারবার সচল হচ্ছে এসব অবৈধ কারখানা? কারা দিচ্ছে তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা বলেন, “যখন অভিযান হয় তখন কয়েকদিনের জন্য কারখানা বন্ধ থাকে। পরে আবার আগের মতো ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। মনে হয় সবকিছু আগেই ম্যানেজ করা থাকে।”
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সোনারগাঁ অঞ্চলের দায়িত্বরত একজন কর্মকর্তা জানান, আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে কারখানাগুলো ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়াসহ মামলা করেও রোধ করতে পারছি না।

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান গণমাধ্যমকে জানান, অবৈধ চুনা কারখানার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছি। এছাড়া তিতাস কর্তৃপক্ষকে অবৈধ চুনা কারখানা উচ্ছেদে তৎপর থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরিবেশ সংশ্লিষ্ট সোনারগাঁও শাখার সভাপতি ফজলুল হক ভূঁইয়া ও অন‍্যন‍্য ব্যক্তিরা বলছেন, অবৈধ চুনা ও চুল্লি কারখানা শুধু পরিবেশের জন্য নয়, জাতীয় অর্থনীতির জন্যও হুমকি। গ্যাস চুরি, পরিবেশ দূষণ এবং স্থানীয় তিতাস অফিসের যোগসাজশে ও প্রশাসনিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে একটি অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

সোনারগাঁয়ে অবৈধ চুনা কারখানার দৌরাত্ম্য: গ্যাস সংকট, দূষণ ও রাজস্ব ক্ষতির শঙ্কা

আপডেট: ০৫:৩১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে প্রশাসনের একের পর এক অভিযান, ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং কারখানা বন্ধের ঘোষণার পরও থামছে না অবৈধ চুনা ও চুল্লি কারখানার দৌরাত্ম্য।

উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ২০টিরও অধিক চুনা ও ঢালাই কারখানা গড়ে তোলা হয়েছে। সরকারি গ্যাস লাইন থেকে অবৈধভাবে সংযোগ টেনে এসব কারখানা চালানো হলেও সেই গ্যাসের বিনিময়ে প্রতি মাসে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহল ও সংশ্লিষ্ট কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে পরিবেশবিধ্বংসী এসব কারখানা এখনও বহাল তবিয়তে চলছে। ফলে একদিকে যেমন বাড়ছে বায়ুদূষণ, অন্যদিকে অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদেরও ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।

তিতাস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার এসব কারখানায় প্রতি মাসে প্রায় ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৩০০ ঘনফুট গ্যাস ব্যবহার করছে। বর্তমান বাজারমূল্যে যার আর্থিক ক্ষতি মাসে প্রায় ১ কোটি টাকা ওপরে। অথচ তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি এ বিপুল পরিমাণ গ্যাসের কোনো বিল পাচ্ছে না। ফলে মোটা অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বরাবর জসীম উদ্দিন স্বপন নামের এক বাসিন্দার পাঠানো একটি লিখিত অভিযোগে সোনারগাঁয়ের মেঘনাঘাট এলাকায় অবৈধ চুনা কারখানা পরিচালনা, গ্যাস চুরি এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। অভিযোগপত্রে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে সোনারগাঁ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ব্যবহার করে চুনা পোড়ানোর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এর ফলে এলাকায় স্থায়ী গ্যাস সংকট সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় হচ্ছে।

অভিযোগ সূত্র বলছে, তিতাস গ্যাসের মেঘনাঘাট জোনের ম্যানাজার প্রকৌশলী সুরজিত সাহার সহযোগিতায় এসব অবৈধ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে স্থানীয়দের মধ্যে ধারণা রয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, উপজেলার ইসমানপুর, জামপুর, মোগড়াপাড়া, সোনারগাঁ পৌরসভাসহ বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ চুনা কারখানা পরিচালনার মাধ্যমে বিপুল অর্থের লেনদেন হচ্ছে এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগও রয়েছে।

নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি জানান, প্রতি সপ্তাহে একবার চুনা নামানো হয়। মাঝামাঝি সময়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ফলে তাদের তেমন কোনো ক্ষতি হয় না। তা ছাড়া অভিযানের আগে তারা জানতে পেরে পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে থাকে। কিছু অসাধু কর্মচারী তাদের কাছ থেকে মাসোহারা নিয়ে থাকে বলেও দাবি করেন তিনি।

গ্রামবাসী জানান, চুনা ও ঢালাই কারখানা গুলো ২৪ ঘণ্টা সচল থাকায় বাসাবাড়িতে গ্যাসের চাপ কমে যাচ্ছে। তা ছাড়া কারখানার গ্যাসের উত্তাপ পাশের বসতবাড়িগুলোয় ছড়িয়ে পড়ছে। এতে করে তাদের আতঙ্কে থাকতে হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিনের পর দিন চুনাপাথর পোড়ানোর ফলে নির্গত ধোঁয়া, ছাই ও ক্ষতিকর কণায় আশপাশের পরিবেশ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও বিভিন্ন শ্বাসযন্ত্রজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন শিশু ও বয়স্করা। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষিজমি, গাছপালা এবং জনস্বাস্থ্য।

নারায়ণগঞ্জ জেলার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ্ আল আরেফীন জানান, আবাসিক এলাকায় এ ধরনের কারখানা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। আমরা এ ধরনের প্রতিষ্ঠানকে ফায়ার লাইসেন্স দিই না।

অভিযোগ রয়েছে, এসব চুনা ও ঢালাই কারখানায় অধিক মুনাফার কারণে রাতারাতি এ ব্যবসায় ঝুঁকছে স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা। তিতাস কর্তৃপক্ষ কিছুদিন পরপর দায়সারা অভিযান পরিচালনা করলেও অভিযানের সপ্তাহ না ঘুরতেই পুনরায় চালু করা হচ্ছে এসব কারখানা। একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নতুন কারখানা।

তাদের অভিযোগ, প্রশাসন মাঝেমধ্যে অভিযান চালিয়ে কিছু কারখানা সিলগালা করলেও কয়েকদিনের ব্যবধানে সেগুলো আবার চালু হয়ে যায়। ফলে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে-অভিযানের পরও কীভাবে বারবার সচল হচ্ছে এসব অবৈধ কারখানা? কারা দিচ্ছে তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা বলেন, “যখন অভিযান হয় তখন কয়েকদিনের জন্য কারখানা বন্ধ থাকে। পরে আবার আগের মতো ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। মনে হয় সবকিছু আগেই ম্যানেজ করা থাকে।”
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সোনারগাঁ অঞ্চলের দায়িত্বরত একজন কর্মকর্তা জানান, আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে কারখানাগুলো ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়াসহ মামলা করেও রোধ করতে পারছি না।

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান গণমাধ্যমকে জানান, অবৈধ চুনা কারখানার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছি। এছাড়া তিতাস কর্তৃপক্ষকে অবৈধ চুনা কারখানা উচ্ছেদে তৎপর থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরিবেশ সংশ্লিষ্ট সোনারগাঁও শাখার সভাপতি ফজলুল হক ভূঁইয়া ও অন‍্যন‍্য ব্যক্তিরা বলছেন, অবৈধ চুনা ও চুল্লি কারখানা শুধু পরিবেশের জন্য নয়, জাতীয় অর্থনীতির জন্যও হুমকি। গ্যাস চুরি, পরিবেশ দূষণ এবং স্থানীয় তিতাস অফিসের যোগসাজশে ও প্রশাসনিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে একটি অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।