১১:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

মিথ্যা তথ্যের অভিযোগে শাহনাজ বেগমের পদায়ন বাতিল,বিমানে চলছে নানা আলোচনা

  • আপডেট: ১১:০২:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • / ১৮০০১

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সার্ভিস বিভাগের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) পদকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সিভিল এভিয়েশনের আপত্তি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ কেবিন ক্রু শাহনাজ বেগমকে ভারপ্রাপ্ত ডিজিএম হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলেও পদায়নের ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই তা বাতিল করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, শাহনাজ বেগমের বিরুদ্ধে ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে একটি মামলা রয়েছে এবং তিনি জন্মতারিখ জালিয়াতি করেছেন—এমন অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। তবে এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তিনি।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৯ জুলাই তিনি কানাডার টরন্টোগামী একটি ফ্লাইটে কেবিন ক্রু প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে ১১ আগস্ট তুরস্কের ইস্তাম্বুল থেকে ঢাকায় ফেরেন। এ সময় তিনি নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছিলেন বলে জানা গেছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মামলার বিষয়ে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের কাছে প্রয়োজনীয় প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেছেন বলেও জানা যায়।

শাহনাজ বেগমের দাবি, পেশাগত সাফল্য ও দক্ষতার কারণে একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি বলেন, “আমার কর্মজীবনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিমানের এক কর্মকর্তা জানান, শাহনাজ বেগমের বিরুদ্ধে জাল সনদের অভিযোগ ওঠার পর তার শিক্ষাগত ও চাকরিসংক্রান্ত নথিপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। তবে তদন্তে সনদ জালিয়াতির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে তিনি দাবি করেন।

অভিযোগ রয়েছে, স্মাগলিং, মানি লন্ডারিং এবং অনিয়মিত ‘কাপল ফ্লাইট’ নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের বিরাগভাজন হন শাহনাজ বেগম। এরই ধারাবাহিকতায় তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উত্থাপন করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা মনে করেন।

বিমানের অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর মতে, অভিযোগগুলোর যথাযথ যাচাই-বাছাই কিংবা ব্যাখ্যা চাওয়ার আগেই একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হলে তা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে পারে। পাশাপাশি এটি মিথ্যা মামলা ও অভিযোগকে উৎসাহিত করার ঝুঁকিও তৈরি করবে।

তারা দ্রুত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে শাহনাজ বেগমকে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

মিথ্যা তথ্যের অভিযোগে শাহনাজ বেগমের পদায়ন বাতিল,বিমানে চলছে নানা আলোচনা

আপডেট: ১১:০২:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সার্ভিস বিভাগের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) পদকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সিভিল এভিয়েশনের আপত্তি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ কেবিন ক্রু শাহনাজ বেগমকে ভারপ্রাপ্ত ডিজিএম হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলেও পদায়নের ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই তা বাতিল করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, শাহনাজ বেগমের বিরুদ্ধে ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে একটি মামলা রয়েছে এবং তিনি জন্মতারিখ জালিয়াতি করেছেন—এমন অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। তবে এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তিনি।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৯ জুলাই তিনি কানাডার টরন্টোগামী একটি ফ্লাইটে কেবিন ক্রু প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে ১১ আগস্ট তুরস্কের ইস্তাম্বুল থেকে ঢাকায় ফেরেন। এ সময় তিনি নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছিলেন বলে জানা গেছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মামলার বিষয়ে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের কাছে প্রয়োজনীয় প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেছেন বলেও জানা যায়।

শাহনাজ বেগমের দাবি, পেশাগত সাফল্য ও দক্ষতার কারণে একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি বলেন, “আমার কর্মজীবনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিমানের এক কর্মকর্তা জানান, শাহনাজ বেগমের বিরুদ্ধে জাল সনদের অভিযোগ ওঠার পর তার শিক্ষাগত ও চাকরিসংক্রান্ত নথিপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। তবে তদন্তে সনদ জালিয়াতির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে তিনি দাবি করেন।

অভিযোগ রয়েছে, স্মাগলিং, মানি লন্ডারিং এবং অনিয়মিত ‘কাপল ফ্লাইট’ নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের বিরাগভাজন হন শাহনাজ বেগম। এরই ধারাবাহিকতায় তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উত্থাপন করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা মনে করেন।

বিমানের অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর মতে, অভিযোগগুলোর যথাযথ যাচাই-বাছাই কিংবা ব্যাখ্যা চাওয়ার আগেই একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হলে তা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে পারে। পাশাপাশি এটি মিথ্যা মামলা ও অভিযোগকে উৎসাহিত করার ঝুঁকিও তৈরি করবে।

তারা দ্রুত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে শাহনাজ বেগমকে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন।