০১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

সায়েদাবাদ জনপদ মোড়ে চাঁদাবাজি,ছিনতাই ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ:তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর

  • আপডেট: ১২:৩৩:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৮০০৩

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর সায়েদাবাদ জনপদ মোড় এলাকায় চাঁদাবাজি,ছিনতাই,মাদক ব্যবসা, দেহ ব্যবসা এবং পরিবহন থেকে পার্কিংয়ের নামে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহারকারী কিছু ব্যক্তি জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় জনসাধারণ। তাঁদের দাবি, রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙিয়ে একটি মহল নিজেদের স্বার্থে এসব অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে, যা সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের ভাবমূর্তিকেও প্রশ্নের মুখে ফেলছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ৪৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক যুবলিগ নেতা মনোয়ার হোসেন মনিরের শ্যালক মো. শামীম এবং সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা গাজী সুমনের শ্যালক মোহাম্মদ রাসেল, যিনি ‘মুরগি চোর’ নামে পরিচিত বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁদের কেউ কেউ অতীতে আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহার করতেন এবং বর্তমানে বিএনপির নাম বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন।

এ ছাড়া যাত্রাবাড়ী থানা বিএনপির নেতা মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং যুবদলের নেতা মো. তুষারের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ও দেহ ব্যবসা চালাচ্ছে । পাশাপাশি, রাতে পরিবহন থেকে পার্কিংয়ের নামে টাকা আদায় এবং সায়েদাবাদ জনপদ মোড়ের কয়েকটি হোটেল থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগকারীদের দাবি, এসব কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হচ্ছে। তবে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক অবস্থানও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

এলাকাবাসীর দাবি, সায়েদাবাদ জনপদ মোড়ে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসা এবং অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দোষীদের শনাক্ত করতে হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

সায়েদাবাদ জনপদ মোড়ে চাঁদাবাজি,ছিনতাই ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ:তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর

আপডেট: ১২:৩৩:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর সায়েদাবাদ জনপদ মোড় এলাকায় চাঁদাবাজি,ছিনতাই,মাদক ব্যবসা, দেহ ব্যবসা এবং পরিবহন থেকে পার্কিংয়ের নামে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহারকারী কিছু ব্যক্তি জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় জনসাধারণ। তাঁদের দাবি, রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙিয়ে একটি মহল নিজেদের স্বার্থে এসব অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে, যা সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের ভাবমূর্তিকেও প্রশ্নের মুখে ফেলছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ৪৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক যুবলিগ নেতা মনোয়ার হোসেন মনিরের শ্যালক মো. শামীম এবং সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা গাজী সুমনের শ্যালক মোহাম্মদ রাসেল, যিনি ‘মুরগি চোর’ নামে পরিচিত বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁদের কেউ কেউ অতীতে আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহার করতেন এবং বর্তমানে বিএনপির নাম বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন।

এ ছাড়া যাত্রাবাড়ী থানা বিএনপির নেতা মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং যুবদলের নেতা মো. তুষারের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ও দেহ ব্যবসা চালাচ্ছে । পাশাপাশি, রাতে পরিবহন থেকে পার্কিংয়ের নামে টাকা আদায় এবং সায়েদাবাদ জনপদ মোড়ের কয়েকটি হোটেল থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগকারীদের দাবি, এসব কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হচ্ছে। তবে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক অবস্থানও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

এলাকাবাসীর দাবি, সায়েদাবাদ জনপদ মোড়ে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসা এবং অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দোষীদের শনাক্ত করতে হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।