০৫:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে চট্টগ্রামে পালিত হল বৌদ্ধদের অন্যতম উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা

  • আপডেট: ০৪:০৯:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৮০০৩

‎‎মোহাম্মদ হায়দার আলী (এম.এ), ‎স্টাফ রিপোর্টার:

‎‎আত্মশুদ্ধি, সংযম ও শুভচিন্তার বার্তা নিয়ে গতকাল ২৫ অক্টোবর ২০২৬ (রবিবার) বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারে উৎসবমুখর এবং ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা। ‎এ উপলক্ষে বুদ্ধপূজা, সংঘদান, পিণ্ডদান, বোধিবৃক্ষের নিচে হাজার প্রদীপ প্রজ্জ্বলন এবং পঞ্চশীল ও অষ্টশীল গ্রহণসহ দিনব্যাপী নানান আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিশ্বাস, এই পূর্ণিমা পালনের মাধ্যমে ভিক্ষু ও গৃহী সাধকদের অতীত ভুলের পাপমোচন হয়। ‎‎পুণ্যার্থী ও গৃহী সাধক-সাধিকাদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। উৎসবের মূল আকর্ষণ ছিল সন্ধ্যার ফানুস উৎসব। ফানুসের উজ্জ্বল আলো আর আতশবাজির ঝলকানিতে বর্ণিল হয়ে ওঠে চট্টগ্রামের রাতের আকাশ। ‎‎বিহার প্রাঙ্গণ থেকে ফানুস ওড়ানোর মধ্য দিয়ে বিশ্বশান্তি, সম্প্রীতি ও মঙ্গলের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষের পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বসিত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। ‎এদিকে নগরীর চান্দগাঁও (বাস সিগন্যাল) সার্বজনীন কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারেও অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপিত হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে সাবেক সেনা কর্মকর্তা রাহুল কান্তি বড়ুয়া চেকপোস্ট পত্রিকার ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি সাংবাদিক হায়দার আলীকে জানান, ‎‎প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে দুপুর থেকেই বিভিন্ন বৌদ্ধবিহারে পুণ্যার্থীদের ঢল নামে। সন্ধ্যায় আকাশে রঙিন ফানুস উত্তোলনের মাধ্যমে উৎসবের আমেজ বহুগুণ বেড়ে যায়। ‎‎যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং উৎসবটি সুষ্ঠু ও সুন্দর ভাবে সম্পন্ন করতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পক্ষ থেকে প্রতিটি বিহারে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে চট্টগ্রামে পালিত হল বৌদ্ধদের অন্যতম উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা

আপডেট: ০৪:০৯:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

‎‎মোহাম্মদ হায়দার আলী (এম.এ), ‎স্টাফ রিপোর্টার:

‎‎আত্মশুদ্ধি, সংযম ও শুভচিন্তার বার্তা নিয়ে গতকাল ২৫ অক্টোবর ২০২৬ (রবিবার) বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারে উৎসবমুখর এবং ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা। ‎এ উপলক্ষে বুদ্ধপূজা, সংঘদান, পিণ্ডদান, বোধিবৃক্ষের নিচে হাজার প্রদীপ প্রজ্জ্বলন এবং পঞ্চশীল ও অষ্টশীল গ্রহণসহ দিনব্যাপী নানান আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিশ্বাস, এই পূর্ণিমা পালনের মাধ্যমে ভিক্ষু ও গৃহী সাধকদের অতীত ভুলের পাপমোচন হয়। ‎‎পুণ্যার্থী ও গৃহী সাধক-সাধিকাদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। উৎসবের মূল আকর্ষণ ছিল সন্ধ্যার ফানুস উৎসব। ফানুসের উজ্জ্বল আলো আর আতশবাজির ঝলকানিতে বর্ণিল হয়ে ওঠে চট্টগ্রামের রাতের আকাশ। ‎‎বিহার প্রাঙ্গণ থেকে ফানুস ওড়ানোর মধ্য দিয়ে বিশ্বশান্তি, সম্প্রীতি ও মঙ্গলের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষের পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বসিত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। ‎এদিকে নগরীর চান্দগাঁও (বাস সিগন্যাল) সার্বজনীন কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারেও অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপিত হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে সাবেক সেনা কর্মকর্তা রাহুল কান্তি বড়ুয়া চেকপোস্ট পত্রিকার ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি সাংবাদিক হায়দার আলীকে জানান, ‎‎প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে দুপুর থেকেই বিভিন্ন বৌদ্ধবিহারে পুণ্যার্থীদের ঢল নামে। সন্ধ্যায় আকাশে রঙিন ফানুস উত্তোলনের মাধ্যমে উৎসবের আমেজ বহুগুণ বেড়ে যায়। ‎‎যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং উৎসবটি সুষ্ঠু ও সুন্দর ভাবে সম্পন্ন করতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পক্ষ থেকে প্রতিটি বিহারে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।