০৯:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

গ্রামপর্যায়ে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

  • আপডেট: ০৯:০৯:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৮০০২

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

পরিবেশবান্ধব জ্বালানি উৎপাদন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে দেশের তৃণমূল পর্যায়ে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনে কাজ করছে সরকার। এসব প্ল্যান্টের মাধ্যমে পরিবারের জ্বালানির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জৈব সার উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে বরিশাল সিটি করপোরেশনের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণাফুলিয়ায় একটি বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। জেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, বরিশাল এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বিকল্প ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। বায়োগ্যাস ব্যবহারের মাধ্যমে প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি গ্রামীণ পরিবারগুলো নিজেদের জ্বালানির চাহিদা মেটাতে পারবে। বরিশাল অঞ্চলে ইতিমধ্যে প্রায় ৮১টি বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মো. আমিনুল হক বলেন, গবাদিপশুর গোবর, হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা ও অন্যান্য জৈব বর্জ্য ব্যবহার করে বায়োগ্যাস উৎপাদন সম্ভব। এতে পরিবেশদূষণ ও দুর্গন্ধ কমানোর পাশাপাশি জৈব সার উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে হাঁস-মুরগির খামারের বর্জ্য কাজে লাগিয়ে খামারিরা নিজেদের জ্বালানির চাহিদা পূরণ করতে পারবেন এবং আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, পরিবারের চাহিদা মেটানোর পর অতিরিক্ত বায়োগ্যাস প্রতিবেশী বা আশপাশের পরিবারের কাছে সরবরাহ করে বাড়তি আয় করা সম্ভব। এতে জ্বালানি খরচ কমার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

আটজনকে ঋণের চেক বিতরণ

অনুষ্ঠানে সবজি চাষ, মৎস্য চাষ, কুটির শিল্প, পারিবারিক হাঁস-মুরগি পালন ও পোল্ট্রি খামারসহ বিভিন্ন খাতে আটজন উপকারভোগীর মধ্যে মোট ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার ঋণের চেক বিতরণ করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের স্বাবলম্বী করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।

জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক এ কে এম মফিজুল ইসলাম। এ সময় বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. ফরিদা সুলতানা, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণার্থী, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

গ্রামপর্যায়ে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

আপডেট: ০৯:০৯:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

পরিবেশবান্ধব জ্বালানি উৎপাদন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে দেশের তৃণমূল পর্যায়ে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনে কাজ করছে সরকার। এসব প্ল্যান্টের মাধ্যমে পরিবারের জ্বালানির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জৈব সার উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে বরিশাল সিটি করপোরেশনের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণাফুলিয়ায় একটি বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। জেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, বরিশাল এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বিকল্প ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। বায়োগ্যাস ব্যবহারের মাধ্যমে প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি গ্রামীণ পরিবারগুলো নিজেদের জ্বালানির চাহিদা মেটাতে পারবে। বরিশাল অঞ্চলে ইতিমধ্যে প্রায় ৮১টি বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মো. আমিনুল হক বলেন, গবাদিপশুর গোবর, হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা ও অন্যান্য জৈব বর্জ্য ব্যবহার করে বায়োগ্যাস উৎপাদন সম্ভব। এতে পরিবেশদূষণ ও দুর্গন্ধ কমানোর পাশাপাশি জৈব সার উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে হাঁস-মুরগির খামারের বর্জ্য কাজে লাগিয়ে খামারিরা নিজেদের জ্বালানির চাহিদা পূরণ করতে পারবেন এবং আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, পরিবারের চাহিদা মেটানোর পর অতিরিক্ত বায়োগ্যাস প্রতিবেশী বা আশপাশের পরিবারের কাছে সরবরাহ করে বাড়তি আয় করা সম্ভব। এতে জ্বালানি খরচ কমার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

আটজনকে ঋণের চেক বিতরণ

অনুষ্ঠানে সবজি চাষ, মৎস্য চাষ, কুটির শিল্প, পারিবারিক হাঁস-মুরগি পালন ও পোল্ট্রি খামারসহ বিভিন্ন খাতে আটজন উপকারভোগীর মধ্যে মোট ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার ঋণের চেক বিতরণ করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের স্বাবলম্বী করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।

জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক এ কে এম মফিজুল ইসলাম। এ সময় বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. ফরিদা সুলতানা, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণার্থী, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।