০৫:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এবার ভোটকেন্দ্রে ৫ মিনিটের মধ্যে ফোর্স পৌঁছাবে- ‎চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা

  • আপডেট: ০১:৪৪:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৮০১০

‎মোহাম্মদ হায়দার আলী:

‎আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট -২০২৬ উপলক্ষে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে গত ৪ /২/২০২৬ ইং মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম, চন্দনাইশের উপজেলা প্রশাসন ও নির্বাচন অফিস এর আয়োজনে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম ও রিটার্নিং অফিসার, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন, পুলিশ সুপার, চট্টগ্রাম; লেঃ কর্ণেল মোঃ মাহমুদুল হাসান, পিএসসি, জি, অধিনায়ক, ১২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি; এবং ফরিদা পারভিন, সহকারী পরিচালক, আনসার ও ভিডিপি, চট্টগ্রাম।
‎সভায় সভাপতিত্ব করেন মোঃ রাজিব হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার, চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম।



‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, “এই আয়োজনের লক্ষ্য নাগরিকের প্রত্যাশা পূরণ এবং রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা। এ লক্ষ্য অর্জনে আমাদের অবশ্যই জয়ী হতে হবে। বাংলাদেশ এখনো এমন একটি রাষ্ট্র, যেখানে ন্যায্য দাবি আদায়ে মানুষকে রক্ত দিতে হয়। এই বাস্তবতায় রাষ্ট্র মেরামতের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়াস হলো এই নির্বাচন ও গণভোট।” নিরাপত্তাব্যবস্থার উপর গুরুত্বারোপ করে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “এবার প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ৫ মিনিটের মধ্যে মোবাইল টিম পৌঁছাবে। এজন্য সকল বাহিনীর মধ্যে সর্বোচ্চ সমন্বয় থাকতে হবে।”

‎তিনি আরও বলেন, “কোনো সংস্থা বা বাহিনীর পক্ষ থেকে বিন্দুমাত্র শৈথিল্য বরদাস্ত করা হবে না। এ ধরনের দায়ভার নির্বাচন কমিশন গ্রহণ করবে না। বিশেষ করে গণভোটের বিষয়ে কোনো দায়িত্ব অবহেলার সুযোগ নেই। দায়িত্বের সঙ্গে সঙ্গে যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তা সততা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে প্রয়োগ করতে হবে।”

‎জেলা প্রশাসক দৃঢ়ভাবে বলেন, “বাংলাদেশকে জেতাতে চাইলে, বাংলাদেশের স্বপ্নকে জেতাতে চাইলে নিরপেক্ষতার কোনো বিকল্প নেই। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনে ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। আমি চাই না আমাদের সন্তানরা বড় হয়ে দেশের বাইরে চলে যাক। এমন একটি রাষ্ট্র গড়তে চাই, যেখানে আমাদের সন্তানদের কাউকে গোলামি করতে হবে না।”

‎এছাড়াও এ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে চন্দনাইশ উপজেলায় দিনব্যাপী নির্বাচনী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। উক্ত প্রশিক্ষণে উপজেলার ৬৪ টি ভোটকেন্দ্রের ৬৪ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৩৭০ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৭৪০ জন পোলিং অফিসারকে নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত আইন, বিধি-বিধান, দায়িত্ব ও আচরণবিধি বিষয়ে বিস্তারিত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

‎উক্ত সভায় উপস্থিত বক্তারা ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এবং গণভোট নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এবার ভোটকেন্দ্রে ৫ মিনিটের মধ্যে ফোর্স পৌঁছাবে- ‎চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা

আপডেট: ০১:৪৪:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‎মোহাম্মদ হায়দার আলী:

‎আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট -২০২৬ উপলক্ষে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে গত ৪ /২/২০২৬ ইং মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম, চন্দনাইশের উপজেলা প্রশাসন ও নির্বাচন অফিস এর আয়োজনে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম ও রিটার্নিং অফিসার, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন, পুলিশ সুপার, চট্টগ্রাম; লেঃ কর্ণেল মোঃ মাহমুদুল হাসান, পিএসসি, জি, অধিনায়ক, ১২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি; এবং ফরিদা পারভিন, সহকারী পরিচালক, আনসার ও ভিডিপি, চট্টগ্রাম।
‎সভায় সভাপতিত্ব করেন মোঃ রাজিব হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার, চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম।



‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, “এই আয়োজনের লক্ষ্য নাগরিকের প্রত্যাশা পূরণ এবং রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা। এ লক্ষ্য অর্জনে আমাদের অবশ্যই জয়ী হতে হবে। বাংলাদেশ এখনো এমন একটি রাষ্ট্র, যেখানে ন্যায্য দাবি আদায়ে মানুষকে রক্ত দিতে হয়। এই বাস্তবতায় রাষ্ট্র মেরামতের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়াস হলো এই নির্বাচন ও গণভোট।” নিরাপত্তাব্যবস্থার উপর গুরুত্বারোপ করে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “এবার প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ৫ মিনিটের মধ্যে মোবাইল টিম পৌঁছাবে। এজন্য সকল বাহিনীর মধ্যে সর্বোচ্চ সমন্বয় থাকতে হবে।”

‎তিনি আরও বলেন, “কোনো সংস্থা বা বাহিনীর পক্ষ থেকে বিন্দুমাত্র শৈথিল্য বরদাস্ত করা হবে না। এ ধরনের দায়ভার নির্বাচন কমিশন গ্রহণ করবে না। বিশেষ করে গণভোটের বিষয়ে কোনো দায়িত্ব অবহেলার সুযোগ নেই। দায়িত্বের সঙ্গে সঙ্গে যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তা সততা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে প্রয়োগ করতে হবে।”

‎জেলা প্রশাসক দৃঢ়ভাবে বলেন, “বাংলাদেশকে জেতাতে চাইলে, বাংলাদেশের স্বপ্নকে জেতাতে চাইলে নিরপেক্ষতার কোনো বিকল্প নেই। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনে ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। আমি চাই না আমাদের সন্তানরা বড় হয়ে দেশের বাইরে চলে যাক। এমন একটি রাষ্ট্র গড়তে চাই, যেখানে আমাদের সন্তানদের কাউকে গোলামি করতে হবে না।”

‎এছাড়াও এ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে চন্দনাইশ উপজেলায় দিনব্যাপী নির্বাচনী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। উক্ত প্রশিক্ষণে উপজেলার ৬৪ টি ভোটকেন্দ্রের ৬৪ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৩৭০ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৭৪০ জন পোলিং অফিসারকে নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত আইন, বিধি-বিধান, দায়িত্ব ও আচরণবিধি বিষয়ে বিস্তারিত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

‎উক্ত সভায় উপস্থিত বক্তারা ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এবং গণভোট নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।