০৯:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের কাঁধে দুটি ভূত: একটি গুন্ডামি ও সন্ত্রাসতন্ত্র অন্যটি দুর্নীতি ও লুটপাটতন্ত্র – মামুনুল হক

  • আপডেট: ০৭:৫৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৮০০৪

মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম. চট্টগ্রাম:
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর শায়খুল হাদীস মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন,গত চুয়ান্ন বছরে বাংলাদেশের ইতিহাস হলো এদেশে শাসকের পরিবর্তন ঘটেছে বারবার, কিন্তু শোষণের চরিত্রের কোনো পরিবর্তন হয়নি। স্বাধীনতার আগে বিদেশি শাসকেরা এ দেশের সম্পদ লুট করে নিজেদের দেশে নিয়ে যেত। আর এখন দেশের শাসকরাই এ দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করে দিচ্ছে। তিনি বলেন,বাংলাদেশের কাঁধে দুটি ভয়াবহ ভূত চেপে বসেছে। একটি হলো গুন্ডামি ও সন্ত্রাসতন্ত্র, আর অন্যটি হলো দুর্নীতি ও লুটপাটতন্ত্র। ক্ষমতায় যাওয়ার আগে গুন্ডামি ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে জনগণের ব্যালটের রায় ছিনতাই করা হয়। এরপর ক্ষমতায় গিয়ে এ দেশের মেহনতি মানুষ, রেমিটেন্স যোদ্ধা এবং মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তিলতিল করে জমানো জাতীয় রাজস্ব ও রিজার্ভের টাকা বিদেশে পাচার করা হয়। সেই অর্থে বিদেশে গড়ে তোলা হয় বেগমপাড়া।
আমরা আশাবাদী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এক ঐতিহাসিক ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশের পুরোনো দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির অবসান ঘটবে এবং গণমানুষের অধিকারভিত্তিক রাজনীতি এ দেশে বাস্তবায়িত হবে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই যোদ্ধারাই জীবন ও রক্ত দিয়ে বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করেছে। দেড় হাজার মায়ের কোল শূন্য হয়েছে, ত্রিশ হাজারের বেশি যোদ্ধা আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছে। আজ তারাই কঠিন দিন পার করছে। তাদের স্বপ্ন ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে পেশিশক্তির আধিপত্য থাকবে না, চাঁদাবাজি থাকবে না, লুটপাট থাকবে না, দেশের সম্পদ চুরি হবে না; বরং দেশের সম্পদ দিয়েই মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হবে।
৭ ফেব্রুয়ারী বিকালে হাটহাজারীতে ১১ দলীয় ঐক্যজোট প্রার্থী রিক্সা মার্কা মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনীরের সমর্থনে পার্বতী সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনও এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনকভাবে এ দেশের মানুষের সেই স্বপ্ন আজও সুদূর পরাহত। কারণ জুলাই বিপ্লবের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীরা আজ আবার নতুন করে ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটতে শুরু করেছে। তারা পুনরায় চাঁদাবাজি ও লুটপাটে লিপ্ত হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদ ও দুর্নীতিকে চিরতরে বিদায় জানাতে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত দেশের রাজনীতিকে কলুষমুক্ত করার লক্ষ্যে আজ এগারটি দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
তিনি বলেন, আজ এগার দলীয় জোটের পক্ষে একটি ঐতিহাসিক গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী বলেন,
আগামী জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে সারা বাংলাদেশে এক নতুন প্রত্যাশার আওয়াজ উঠেছে। মানুষ বলছে—অন্য সব দলকে আমরা বহুবার দেখেছি, এবার আমরা এগার দলীয় ঐক্যজোটকে দেখতে চাই। এই নির্বাচনে দাড়িপাল্লা, রিকশা ও শাপলা কলি সহ এগার দলীয় জোটের প্রতীকে ভোট দিয়ে জনগণ তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে।

জনাব শাহজাহান চৌধুরী বলেন, গত ১৮ বছর যারা ক্ষমতায় ছিল, তাদের লোভ, সিন্ডিকেট, টেন্ডারবাজি ও দুর্নীতির কারণে বাংলাদেশ আজ ধ্বংসের মুখে পড়েছে। এসব অপশাসনের ফলে দেশের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ চাই—যেখানে থাকবে ন্যায়, ইনসাফ, বৈষম্যহীনতা ও মৌলিক ও মানবিক মূল্যবোধ। সেই লক্ষ্যেই এগার দলীয় ঐক্যজোট গঠিত হয়েছে। বাংলার মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা থেকেই আজ সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে।

আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে নানা ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে উল্লেখ করে শাহজাহান চৌধুরী বলেন, আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই—কোনো ষড়যন্ত্রই কাজে আসবে না। জনগণের ঐক্য ও সচেতনতার কাছে সব অপচেষ্টা ব্যর্থ হবে।

তিনি আরও বলেন, যদি আমরা সত্যিকার অর্থে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই, তাহলে হাটহাজারীতে এগার দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী নাছির উদ্দিন মূনীরকে ভোট দিতে হবে।
জনসভায় ১১দলীয় ঐক্যজোট সমর্থিত প্রার্থী নাছির উদ্দীন মুনীর বলেন, ১২ তারিখের নির্বাচনে মানুষ সন্ত্রাস,চাঁদাবাজ,আধিপত্যবাদ ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে গণরায় দেবে। হাটহাজারীর উন্নয়নের পক্ষে মানুষ রিক্সা মার্কা প্রতীককে বিজয়ী করবে ইনশাল্লাহ।
জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী ও ফটিকছড়ি আসন থেকে ১১ জোটের প্রার্থী অধ্যক্ষ মোহাম্মদ নুরুল আমিন,বাংলাদেশ নেজামী ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির আলহাজ্ব আবদুর রহমান চৌধুরী, চট্টগ্রাম ৬ রাউজান আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মোঃ শাহজাহান মঞ্জু।
হাটহাজারী উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক শোয়াইব চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও উপজেলা জামায়াতের যুববিভাগের সভাপতি আসলাম মোরশেদ, এবিপার্টির মোঃ রিদওয়ান ও এনসিপির মোঃ এয়াকুব ওয়াসিফ এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন,বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিস কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা আলী ওসমান খেলাফতে মজলিসের উত্তর জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় দাওয়া বিষয়ক সম্পাদক মুফতী শিহাব উদ্দীন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগর এ্যাসিসটেন্ট সেক্রেটারী মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, ইসলামী ছাত্র শিবির চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সেক্রেটারী মোহাম্মদ পারভেজ,বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিস চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি মাওলানা এমদাদুল্লাহ সোহেল, এবি পার্টির চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্য ন ম জিয়াউল হক চৌধুরী,খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগর সাধারণ সম্পাদক রিদোয়ান ওয়াহিদবাংলাদেশ নেজামী ইসলামির চট্টগ্রাম জেলা সহ-সভাপতি ক্বারী মাওলানা মোহাম্মদ ইসা,বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিস চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সভাপতি মাওলানা জাফর উল্লাহ নিজামী,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সাধারণ সম্পাদক ওজায়ের আহম্মদ হামেদী,বাংলাদেশ নেজামী ইসলাম চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সেক্রেটারি আজগর সালেহি প্রমুখ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

দেশের কাঁধে দুটি ভূত: একটি গুন্ডামি ও সন্ত্রাসতন্ত্র অন্যটি দুর্নীতি ও লুটপাটতন্ত্র – মামুনুল হক

আপডেট: ০৭:৫৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম. চট্টগ্রাম:
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর শায়খুল হাদীস মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন,গত চুয়ান্ন বছরে বাংলাদেশের ইতিহাস হলো এদেশে শাসকের পরিবর্তন ঘটেছে বারবার, কিন্তু শোষণের চরিত্রের কোনো পরিবর্তন হয়নি। স্বাধীনতার আগে বিদেশি শাসকেরা এ দেশের সম্পদ লুট করে নিজেদের দেশে নিয়ে যেত। আর এখন দেশের শাসকরাই এ দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করে দিচ্ছে। তিনি বলেন,বাংলাদেশের কাঁধে দুটি ভয়াবহ ভূত চেপে বসেছে। একটি হলো গুন্ডামি ও সন্ত্রাসতন্ত্র, আর অন্যটি হলো দুর্নীতি ও লুটপাটতন্ত্র। ক্ষমতায় যাওয়ার আগে গুন্ডামি ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে জনগণের ব্যালটের রায় ছিনতাই করা হয়। এরপর ক্ষমতায় গিয়ে এ দেশের মেহনতি মানুষ, রেমিটেন্স যোদ্ধা এবং মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তিলতিল করে জমানো জাতীয় রাজস্ব ও রিজার্ভের টাকা বিদেশে পাচার করা হয়। সেই অর্থে বিদেশে গড়ে তোলা হয় বেগমপাড়া।
আমরা আশাবাদী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এক ঐতিহাসিক ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশের পুরোনো দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির অবসান ঘটবে এবং গণমানুষের অধিকারভিত্তিক রাজনীতি এ দেশে বাস্তবায়িত হবে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই যোদ্ধারাই জীবন ও রক্ত দিয়ে বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করেছে। দেড় হাজার মায়ের কোল শূন্য হয়েছে, ত্রিশ হাজারের বেশি যোদ্ধা আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছে। আজ তারাই কঠিন দিন পার করছে। তাদের স্বপ্ন ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে পেশিশক্তির আধিপত্য থাকবে না, চাঁদাবাজি থাকবে না, লুটপাট থাকবে না, দেশের সম্পদ চুরি হবে না; বরং দেশের সম্পদ দিয়েই মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হবে।
৭ ফেব্রুয়ারী বিকালে হাটহাজারীতে ১১ দলীয় ঐক্যজোট প্রার্থী রিক্সা মার্কা মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনীরের সমর্থনে পার্বতী সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনও এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনকভাবে এ দেশের মানুষের সেই স্বপ্ন আজও সুদূর পরাহত। কারণ জুলাই বিপ্লবের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীরা আজ আবার নতুন করে ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটতে শুরু করেছে। তারা পুনরায় চাঁদাবাজি ও লুটপাটে লিপ্ত হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদ ও দুর্নীতিকে চিরতরে বিদায় জানাতে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত দেশের রাজনীতিকে কলুষমুক্ত করার লক্ষ্যে আজ এগারটি দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
তিনি বলেন, আজ এগার দলীয় জোটের পক্ষে একটি ঐতিহাসিক গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী বলেন,
আগামী জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে সারা বাংলাদেশে এক নতুন প্রত্যাশার আওয়াজ উঠেছে। মানুষ বলছে—অন্য সব দলকে আমরা বহুবার দেখেছি, এবার আমরা এগার দলীয় ঐক্যজোটকে দেখতে চাই। এই নির্বাচনে দাড়িপাল্লা, রিকশা ও শাপলা কলি সহ এগার দলীয় জোটের প্রতীকে ভোট দিয়ে জনগণ তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে।

জনাব শাহজাহান চৌধুরী বলেন, গত ১৮ বছর যারা ক্ষমতায় ছিল, তাদের লোভ, সিন্ডিকেট, টেন্ডারবাজি ও দুর্নীতির কারণে বাংলাদেশ আজ ধ্বংসের মুখে পড়েছে। এসব অপশাসনের ফলে দেশের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ চাই—যেখানে থাকবে ন্যায়, ইনসাফ, বৈষম্যহীনতা ও মৌলিক ও মানবিক মূল্যবোধ। সেই লক্ষ্যেই এগার দলীয় ঐক্যজোট গঠিত হয়েছে। বাংলার মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা থেকেই আজ সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে।

আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে নানা ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে উল্লেখ করে শাহজাহান চৌধুরী বলেন, আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই—কোনো ষড়যন্ত্রই কাজে আসবে না। জনগণের ঐক্য ও সচেতনতার কাছে সব অপচেষ্টা ব্যর্থ হবে।

তিনি আরও বলেন, যদি আমরা সত্যিকার অর্থে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই, তাহলে হাটহাজারীতে এগার দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী নাছির উদ্দিন মূনীরকে ভোট দিতে হবে।
জনসভায় ১১দলীয় ঐক্যজোট সমর্থিত প্রার্থী নাছির উদ্দীন মুনীর বলেন, ১২ তারিখের নির্বাচনে মানুষ সন্ত্রাস,চাঁদাবাজ,আধিপত্যবাদ ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে গণরায় দেবে। হাটহাজারীর উন্নয়নের পক্ষে মানুষ রিক্সা মার্কা প্রতীককে বিজয়ী করবে ইনশাল্লাহ।
জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী ও ফটিকছড়ি আসন থেকে ১১ জোটের প্রার্থী অধ্যক্ষ মোহাম্মদ নুরুল আমিন,বাংলাদেশ নেজামী ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির আলহাজ্ব আবদুর রহমান চৌধুরী, চট্টগ্রাম ৬ রাউজান আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মোঃ শাহজাহান মঞ্জু।
হাটহাজারী উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক শোয়াইব চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও উপজেলা জামায়াতের যুববিভাগের সভাপতি আসলাম মোরশেদ, এবিপার্টির মোঃ রিদওয়ান ও এনসিপির মোঃ এয়াকুব ওয়াসিফ এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন,বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিস কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা আলী ওসমান খেলাফতে মজলিসের উত্তর জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় দাওয়া বিষয়ক সম্পাদক মুফতী শিহাব উদ্দীন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগর এ্যাসিসটেন্ট সেক্রেটারী মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, ইসলামী ছাত্র শিবির চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সেক্রেটারী মোহাম্মদ পারভেজ,বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিস চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি মাওলানা এমদাদুল্লাহ সোহেল, এবি পার্টির চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্য ন ম জিয়াউল হক চৌধুরী,খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগর সাধারণ সম্পাদক রিদোয়ান ওয়াহিদবাংলাদেশ নেজামী ইসলামির চট্টগ্রাম জেলা সহ-সভাপতি ক্বারী মাওলানা মোহাম্মদ ইসা,বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিস চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সভাপতি মাওলানা জাফর উল্লাহ নিজামী,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সাধারণ সম্পাদক ওজায়ের আহম্মদ হামেদী,বাংলাদেশ নেজামী ইসলাম চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সেক্রেটারি আজগর সালেহি প্রমুখ।