১০:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

সাজা শেষ হলেও মুক্তি মিলছে না: বাদল ফরাজীর নিঃশর্ত মুক্তির জন্য ৭ দিনের আলটিমেটাম

  • আপডেট: ০৮:৪৪:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৮০০৪

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ভারতের কারাগারে এক দশক এবং বাংলাদেশের কারাগারে আরও আট বছর কাটানো নির্দোষ যুবক বাদল ফরাজীর মুক্তির দাবিতে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে সোমবার (৬ এপ্রিল) মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজকরা সরকারের কাছে সাত দিনের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার আলটিমেটাম দেন।

বাগেরহাটের মোংলার যুবক বাদল ফরাজীর জীবনযাত্রা ২০০৮ সালে ভারত ভ্রমণে গিয়ে ‘নাম বিভ্রাটের’ কারণে বদলিয়ে যায়। দিল্লির এক খুনের মামলায় আসামি ‘বাদল সিং’ ভেবে বিএসএফ তাকে গ্রেফতার করে। ভারতীয় আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত বাদল ২০১৮ সালে বন্দিবিনিময় চুক্তির মাধ্যমে দেশে ফিরলেও, ভারতের আইন অনুযায়ী ২০২২ সালের ২০ জুলাই তার সাজা শেষ হওয়ার পরও তিনি গাজীপুর কাশিমপুর কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

মানববন্ধনে বাদল ফরাজীর বড় বোন আকলিমা আক্তার বলেন, “ছেলের মুক্তির আশায় থাকতে থাকতে বাবা পরপারে চলে গেছেন। মা এখন মৃত্যুশয্যায়, মরার আগে তিনি একবারও বাদলের মুখ দেখতে চান।”

মানবাধিকারকর্মী রাহিতুল ইসলাম বলেন, “শুধু নামের আংশিক মিলের কারণে একজন মানুষের জীবন থেকে ১৮ বছর কেড়ে নেওয়া হয়েছে। অবিলম্বে বাদল ফরাজীর মুক্তি দাবি করছি।”

অংশগ্রহণকারীরা ভুল বিচারের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, যথাযথ ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন এবং ভারতীয় হাইকমিশনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক দুঃখপ্রকাশসহ সরকারি কর্মসংস্থানের দাবিও উত্থাপন করেন। তারা সতর্ক করে বলেন, সাত দিনের মধ্যে সরকারের ইতিবাচক পদক্ষেপ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

সাজা শেষ হলেও মুক্তি মিলছে না: বাদল ফরাজীর নিঃশর্ত মুক্তির জন্য ৭ দিনের আলটিমেটাম

আপডেট: ০৮:৪৪:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ভারতের কারাগারে এক দশক এবং বাংলাদেশের কারাগারে আরও আট বছর কাটানো নির্দোষ যুবক বাদল ফরাজীর মুক্তির দাবিতে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে সোমবার (৬ এপ্রিল) মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজকরা সরকারের কাছে সাত দিনের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার আলটিমেটাম দেন।

বাগেরহাটের মোংলার যুবক বাদল ফরাজীর জীবনযাত্রা ২০০৮ সালে ভারত ভ্রমণে গিয়ে ‘নাম বিভ্রাটের’ কারণে বদলিয়ে যায়। দিল্লির এক খুনের মামলায় আসামি ‘বাদল সিং’ ভেবে বিএসএফ তাকে গ্রেফতার করে। ভারতীয় আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত বাদল ২০১৮ সালে বন্দিবিনিময় চুক্তির মাধ্যমে দেশে ফিরলেও, ভারতের আইন অনুযায়ী ২০২২ সালের ২০ জুলাই তার সাজা শেষ হওয়ার পরও তিনি গাজীপুর কাশিমপুর কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

মানববন্ধনে বাদল ফরাজীর বড় বোন আকলিমা আক্তার বলেন, “ছেলের মুক্তির আশায় থাকতে থাকতে বাবা পরপারে চলে গেছেন। মা এখন মৃত্যুশয্যায়, মরার আগে তিনি একবারও বাদলের মুখ দেখতে চান।”

মানবাধিকারকর্মী রাহিতুল ইসলাম বলেন, “শুধু নামের আংশিক মিলের কারণে একজন মানুষের জীবন থেকে ১৮ বছর কেড়ে নেওয়া হয়েছে। অবিলম্বে বাদল ফরাজীর মুক্তি দাবি করছি।”

অংশগ্রহণকারীরা ভুল বিচারের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, যথাযথ ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন এবং ভারতীয় হাইকমিশনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক দুঃখপ্রকাশসহ সরকারি কর্মসংস্থানের দাবিও উত্থাপন করেন। তারা সতর্ক করে বলেন, সাত দিনের মধ্যে সরকারের ইতিবাচক পদক্ষেপ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে।