০৪:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

বাহিনীর কোন সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক সম্পৃক্ততার সত্যতা পেলে ছাড় হবে না: আইজিপি

  • আপডেট: ০৩:১০:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / ১৮০১০

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

পুলিশ বাহিনীর কোন সদস্যের বিরুদ্ধে যদি কোন মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে তাকে কোন ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো.আলী হোসেন ফকির।

মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব বলেন তিনি।

মো.আলী হোসেন ফকির বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের পুলিশের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলেন। যার কারণে আজকে এই সংগঠিত পুলিশ বাহিনী আপনারা দেখেছেন। দীর্ঘ ১৭ বছরে পুলিশ বাহিনীকে একটি পেটোয়া বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করার কারণে আমরা যে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলাম, সেখান থেকে আমরা আমাদের ইমেজকে রিগেইন করতে পেরেছি। আমাদের শৃঙ্খলা ফিরে আসছে।

তিনি বলেন, আমি এই পর্যায়ে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি, দেশপ্রেমিক সেইসব পুলিশ সদস্যদের যারা মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ করে তুলেছিলেন। এছাড়া শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি সেই বিপ্লব পুলিশ সদস্যদের, যারা মানুষের কল্যাণে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন।

বাংলাদেশ পুলিশ একটি ঐতিহ্যবাহী বিশালা এক বাহিনী। দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অপরাধ দমনে, আমাদের প্রতিটি সদস্য নিরলভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আজকের এই পুরস্কারপ্রাপ্ত সদস্যরা তাদের সাহস নিষ্ঠা পেশাদারিত্বের মাধ্যমে সেই ঐতিহ্যকে আরো সমৃদ্ধ করেছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, মাদক আমাদের যুব সমাজ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। তবে পুলিশ বাহিনীর কোন সদস্যের বিরুদ্ধে যদি কোন মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত সম্পৃক্ততার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে তাকে কোন ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে আপনারা দেখেছেন পুলিশের যে সকল সদস্য মাদকের ভিতরে সম্পৃক্ত ছিল তাদেরকে আইনের আনা হয়েছে। পুরস্কার প্রাপ্তির সুযোগ একটি স্বীকৃতি নয়। এটি দায়িত্ববোধ পেশাব উৎকর্ষ নেতৃত্বের প্রতিক। এই অর্জনগুলো আমাদের আরো দায়িত্বশীল ও অনুপ্রাণিত করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি প্রত্যাশা করি আজ যারা সম্মাননা পাচ্ছেন তারা আগামী দিনে আরো নিষ্ঠা, সততা সাথে দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন।

এসময় সকল পুরস্কারপ্রাপ্ত সদস্যকে অভিনন্দন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের সকল সদস্যকে দেশের কল্যাণে আরো নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

বাহিনীর কোন সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক সম্পৃক্ততার সত্যতা পেলে ছাড় হবে না: আইজিপি

আপডেট: ০৩:১০:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

পুলিশ বাহিনীর কোন সদস্যের বিরুদ্ধে যদি কোন মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে তাকে কোন ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো.আলী হোসেন ফকির।

মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব বলেন তিনি।

মো.আলী হোসেন ফকির বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের পুলিশের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলেন। যার কারণে আজকে এই সংগঠিত পুলিশ বাহিনী আপনারা দেখেছেন। দীর্ঘ ১৭ বছরে পুলিশ বাহিনীকে একটি পেটোয়া বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করার কারণে আমরা যে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলাম, সেখান থেকে আমরা আমাদের ইমেজকে রিগেইন করতে পেরেছি। আমাদের শৃঙ্খলা ফিরে আসছে।

তিনি বলেন, আমি এই পর্যায়ে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি, দেশপ্রেমিক সেইসব পুলিশ সদস্যদের যারা মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ করে তুলেছিলেন। এছাড়া শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি সেই বিপ্লব পুলিশ সদস্যদের, যারা মানুষের কল্যাণে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন।

বাংলাদেশ পুলিশ একটি ঐতিহ্যবাহী বিশালা এক বাহিনী। দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অপরাধ দমনে, আমাদের প্রতিটি সদস্য নিরলভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আজকের এই পুরস্কারপ্রাপ্ত সদস্যরা তাদের সাহস নিষ্ঠা পেশাদারিত্বের মাধ্যমে সেই ঐতিহ্যকে আরো সমৃদ্ধ করেছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, মাদক আমাদের যুব সমাজ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। তবে পুলিশ বাহিনীর কোন সদস্যের বিরুদ্ধে যদি কোন মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত সম্পৃক্ততার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে তাকে কোন ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে আপনারা দেখেছেন পুলিশের যে সকল সদস্য মাদকের ভিতরে সম্পৃক্ত ছিল তাদেরকে আইনের আনা হয়েছে। পুরস্কার প্রাপ্তির সুযোগ একটি স্বীকৃতি নয়। এটি দায়িত্ববোধ পেশাব উৎকর্ষ নেতৃত্বের প্রতিক। এই অর্জনগুলো আমাদের আরো দায়িত্বশীল ও অনুপ্রাণিত করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি প্রত্যাশা করি আজ যারা সম্মাননা পাচ্ছেন তারা আগামী দিনে আরো নিষ্ঠা, সততা সাথে দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন।

এসময় সকল পুরস্কারপ্রাপ্ত সদস্যকে অভিনন্দন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের সকল সদস্যকে দেশের কল্যাণে আরো নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।