০৮:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অনিয়ন্ত্রিত অটোরিকশা ও ইজিবাইক, উল্টো পথে চলাচলে বাড়ছে ভয়াবহ দুর্ঘটনার ঝুঁকি

  • আপডেট: ০৮:৪০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৮০০৩

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতিপথের প্রাণকেন্দ্র ও দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম মহাসড়ক হিসেবে স্বীকৃত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। যেখানে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার ভারী, মাঝারি ও দ্রুতগতির দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল করে থাকে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে অত্যন্ত উদ্বেগজনকভাবে লক্ষণীয় যে, ট্রাফিক নিয়মকানুন ও সড়ক পরিবহন আইনকে সম্পূর্ণ বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে দেশের অন্যতম প্রধান এই জাতীয় মহাসড়কে অবাধে ও অনিয়ন্ত্রিতভাবে চলাচল করছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইকের মতো ধীরগতির অননুমোদিত ক্ষুদ্র যানবাহন। যার ফলে প্রতিদিন অবিশ্বাস্য গতিতে বাড়ছে মারাত্মক প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনার আশঙ্কা ও চরম ঝুঁকি। রাজধানী ঢাকার প্রবেশদ্বার যাত্রাবাড়ী পয়েন্ট থেকে শুরু করে চট্টগ্রামমুখী এই সুবিশাল মহাসড়কের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম অংশসমূহ যেমন চিটাগাং রোড, মৌচাক, সানারপাড়, সাইনবোর্ড, মাদানীনগর, মাতুয়াইল এবং মেডিকেল এলাকাসহ বিস্তীর্ণ অংশে প্রতিদিন অবাধে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে স্থানীয় এই অটোরিকশা ও ইজিবাইকগুলো। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে তৈরি হওয়া এই নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির কারণে ব্যস্ততম এই মূল মহাসড়কে অনাকাঙ্ক্ষিত ও ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিদিনের সাধারণ চিত্রে পরিণত হয়েছে। এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা, নিয়মিত পথচারী এবং সচেতন মহলের সরাসরি অভিযোগ, অটোরিকশা ও ইজিবাইক চালকদের একটি বিরাট অংশ মূল জাতীয় মহাসড়কে এত দ্রুতগতির ভারী যানবাহনের মধ্যে গাড়ি চালানোর মতো কোনো প্রকার উপযুক্ত অভিজ্ঞতা, প্রয়োজনীয় কারিগরি জ্ঞান কিংবা ন্যূনতম প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই অত্যন্ত বেপরোয়াভাবে নিয়মিত চলাচল করছেন। ট্রাফিক সংকেতের সাধারণ নিয়মাবলী না জানা কিংবা জেনেও অমান্য করার এই সংস্কৃতি পরিস্থিতিকে প্রতি মুহূর্তে আরও বেশি বিপজ্জনক ও অনিয়ন্ত্রিত করে তুলছে। বিশেষ করে এসব ধীরগতির ক্ষুদ্র যানগুলোর চালকদের বিপজ্জনক ড্রাইভিং প্যাটার্নই মহাসড়কে মূল বিপর্যয় ডেকে আনছে। তারা সময় ও সামান্য পথ বাঁচানোর চরম অসৎ উদ্দেশ্যে দূরপাল্লার দ্রুতগতির বাস বা কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সরাসরি উল্টো পথে (রং সাইডে) অবলীলায় প্রবেশ করছেন। পিছনের বা পাশের কোনো যানবাহনকে সংকেত না দিয়ে কিংবা কোনো প্রকার রিয়ারভিউ মিরর না দেখেই হঠাৎ করে এক লেন থেকে একদম অন্য লেনে চলে আসছেন এবং উচ্চগতিসম্পন্ন দূরপাল্লার যানবাহনের ঠিক সামনে এসে আকস্মিকভাবে মোড় বা দিক পরিবর্তন করছেন যার ফলে মুহূর্তের মধ্যে সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র ঝুঁকিপূর্ণ ও মরণাপন্ন পরিস্থিতি। এই ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা সংকট ও নিত্যদিনের বাস্তব অভিজ্ঞতা সম্পর্কে কয়েকজন নিয়মিত দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও ভারী যানবাহন চালকের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বললে তারা ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান যে, অটোরিকশা বা ইজিবাইকগুলো যদি মহাসড়ক এড়িয়ে তাদের জন্য নির্ধারিত স্থানীয় সার্ভিস রোড বা সুনির্দিষ্ট উপ-লেনে ট্রাফিক আইন মেনে স্বাভাবিকভাবে চলাচল করত, তবে মূল সড়ক নিরাপত্তায় এত বড় ধরণের চরম সংকট বা দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতো না। কিন্তু বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো হওয়ায় দ্রুতবেগে চলমান একটি বাস বা ভারী ট্রাক চালানো অবস্থায় যখন হুট করে হাতের ডান দিক থেকে বাঁ দিকে কোনো অটোরিকশা চলে আসে কিংবা দূরন্ত গতির গাড়ির ঠিক সামনে সরাসরি উল্টো পথ দিয়ে কোনো ইজিবাইক এসে পড়ে, তখন শত চেষ্টা করেও বিশাল ও ভারী দ্রুতগতির যানবাহনটির গতি সামলে তাৎক্ষণিকভাবে পুরো নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এমন আকস্মিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে বাস বা ট্রাক চালকরা তাদের সর্বোচ্চ সাধ্যমতো চেষ্টা করে হঠাৎ প্রচণ্ড শক্তিতে ব্রেক চাপলেও দূরত্বের স্বল্পতার কারণে অধিকাংশ সময়ই ভয়াবহ সংঘর্ষ ও অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়ানো কোনোভাবেই সম্ভব হয় না। যার চরম ও নৃশংস পরিণতিতে অটোরিকশার অসচেতন চালক ও তাদের নিরপরাধ যাত্রীরা গুরুতর আহত হচ্ছেন এবং অসংখ্য ক্ষেত্রে ঘটনাস্থলেই ঘটাচ্ছে মর্মান্তিক প্রাণহানির মতো অপূরণীয় ঘটনা। মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক এসব সড়ক দুর্ঘটনার পর দেখা যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মূল অপরাধী বা ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারী অটোরিকশা চালকের অনিয়ম, উল্টো পথে গাড়ি চালানো ও বেপরোয়া ভাব ঢেকে গিয়ে উল্টো সমস্ত দোষ, আইনি জটিলতা ও আর্থিক ক্ষতিপূরণের চরম মানসিক ও সামাজিক চাপ অন্যায়ভাবে এসে পড়ে দূরপাল্লার বাসচালকদের ওপর। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও অন্যায্য পরিস্থিতির ফলে সুশৃঙ্খল ও নিয়ম মেনে গাড়ি চালানো পেশাদার পরিবহন চালক ও মালিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ, নিরাশা ও অসন্তোষ ক্রমশ দানা বাঁধছে। সড়ক পরিবহন বিশেষজ্ঞ, সচেতন নাগরিক সমাজ, নিয়মিত যাত্রী এবং মহাসড়কের পরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত সর্বস্তরের মানুষ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইকের এই অবৈধ, অনিয়ন্ত্রিত ও বিপজ্জনক চলাচল অবিলম্বে পুরোপুরি বন্ধ করতে অত্যন্ত কঠোর ও স্থায়ী বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য উদাত্ত আহ্বান ও জোরালো দাবি জানিয়েছেন। অনাকাঙ্ক্ষিত সড়ক দুর্ঘটনা রোধ, যাত্রী ও চালকদের সর্বোচ্চ সার্বিক জননিরাপত্তা বিধান এবং মহাসড়কে সুশৃঙ্খল পরিবেশ ফিরিয়ে আনার বৃহত্তর স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এবং হাইওয়ে পুলিশকে অবিলম্বে কঠোর ও সার্বক্ষণিক নজরদারি জোরদার করার দাবি জানানোর পাশাপাশি ট্রাফিক আইন অমান্যকারী অননুমোদিত যানবাহনের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অনিয়ন্ত্রিত অটোরিকশা ও ইজিবাইক, উল্টো পথে চলাচলে বাড়ছে ভয়াবহ দুর্ঘটনার ঝুঁকি

আপডেট: ০৮:৪০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতিপথের প্রাণকেন্দ্র ও দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম মহাসড়ক হিসেবে স্বীকৃত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। যেখানে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার ভারী, মাঝারি ও দ্রুতগতির দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল করে থাকে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে অত্যন্ত উদ্বেগজনকভাবে লক্ষণীয় যে, ট্রাফিক নিয়মকানুন ও সড়ক পরিবহন আইনকে সম্পূর্ণ বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে দেশের অন্যতম প্রধান এই জাতীয় মহাসড়কে অবাধে ও অনিয়ন্ত্রিতভাবে চলাচল করছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইকের মতো ধীরগতির অননুমোদিত ক্ষুদ্র যানবাহন। যার ফলে প্রতিদিন অবিশ্বাস্য গতিতে বাড়ছে মারাত্মক প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনার আশঙ্কা ও চরম ঝুঁকি। রাজধানী ঢাকার প্রবেশদ্বার যাত্রাবাড়ী পয়েন্ট থেকে শুরু করে চট্টগ্রামমুখী এই সুবিশাল মহাসড়কের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম অংশসমূহ যেমন চিটাগাং রোড, মৌচাক, সানারপাড়, সাইনবোর্ড, মাদানীনগর, মাতুয়াইল এবং মেডিকেল এলাকাসহ বিস্তীর্ণ অংশে প্রতিদিন অবাধে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে স্থানীয় এই অটোরিকশা ও ইজিবাইকগুলো। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে তৈরি হওয়া এই নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির কারণে ব্যস্ততম এই মূল মহাসড়কে অনাকাঙ্ক্ষিত ও ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিদিনের সাধারণ চিত্রে পরিণত হয়েছে। এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা, নিয়মিত পথচারী এবং সচেতন মহলের সরাসরি অভিযোগ, অটোরিকশা ও ইজিবাইক চালকদের একটি বিরাট অংশ মূল জাতীয় মহাসড়কে এত দ্রুতগতির ভারী যানবাহনের মধ্যে গাড়ি চালানোর মতো কোনো প্রকার উপযুক্ত অভিজ্ঞতা, প্রয়োজনীয় কারিগরি জ্ঞান কিংবা ন্যূনতম প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই অত্যন্ত বেপরোয়াভাবে নিয়মিত চলাচল করছেন। ট্রাফিক সংকেতের সাধারণ নিয়মাবলী না জানা কিংবা জেনেও অমান্য করার এই সংস্কৃতি পরিস্থিতিকে প্রতি মুহূর্তে আরও বেশি বিপজ্জনক ও অনিয়ন্ত্রিত করে তুলছে। বিশেষ করে এসব ধীরগতির ক্ষুদ্র যানগুলোর চালকদের বিপজ্জনক ড্রাইভিং প্যাটার্নই মহাসড়কে মূল বিপর্যয় ডেকে আনছে। তারা সময় ও সামান্য পথ বাঁচানোর চরম অসৎ উদ্দেশ্যে দূরপাল্লার দ্রুতগতির বাস বা কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সরাসরি উল্টো পথে (রং সাইডে) অবলীলায় প্রবেশ করছেন। পিছনের বা পাশের কোনো যানবাহনকে সংকেত না দিয়ে কিংবা কোনো প্রকার রিয়ারভিউ মিরর না দেখেই হঠাৎ করে এক লেন থেকে একদম অন্য লেনে চলে আসছেন এবং উচ্চগতিসম্পন্ন দূরপাল্লার যানবাহনের ঠিক সামনে এসে আকস্মিকভাবে মোড় বা দিক পরিবর্তন করছেন যার ফলে মুহূর্তের মধ্যে সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র ঝুঁকিপূর্ণ ও মরণাপন্ন পরিস্থিতি। এই ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা সংকট ও নিত্যদিনের বাস্তব অভিজ্ঞতা সম্পর্কে কয়েকজন নিয়মিত দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও ভারী যানবাহন চালকের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বললে তারা ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান যে, অটোরিকশা বা ইজিবাইকগুলো যদি মহাসড়ক এড়িয়ে তাদের জন্য নির্ধারিত স্থানীয় সার্ভিস রোড বা সুনির্দিষ্ট উপ-লেনে ট্রাফিক আইন মেনে স্বাভাবিকভাবে চলাচল করত, তবে মূল সড়ক নিরাপত্তায় এত বড় ধরণের চরম সংকট বা দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতো না। কিন্তু বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো হওয়ায় দ্রুতবেগে চলমান একটি বাস বা ভারী ট্রাক চালানো অবস্থায় যখন হুট করে হাতের ডান দিক থেকে বাঁ দিকে কোনো অটোরিকশা চলে আসে কিংবা দূরন্ত গতির গাড়ির ঠিক সামনে সরাসরি উল্টো পথ দিয়ে কোনো ইজিবাইক এসে পড়ে, তখন শত চেষ্টা করেও বিশাল ও ভারী দ্রুতগতির যানবাহনটির গতি সামলে তাৎক্ষণিকভাবে পুরো নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এমন আকস্মিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে বাস বা ট্রাক চালকরা তাদের সর্বোচ্চ সাধ্যমতো চেষ্টা করে হঠাৎ প্রচণ্ড শক্তিতে ব্রেক চাপলেও দূরত্বের স্বল্পতার কারণে অধিকাংশ সময়ই ভয়াবহ সংঘর্ষ ও অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়ানো কোনোভাবেই সম্ভব হয় না। যার চরম ও নৃশংস পরিণতিতে অটোরিকশার অসচেতন চালক ও তাদের নিরপরাধ যাত্রীরা গুরুতর আহত হচ্ছেন এবং অসংখ্য ক্ষেত্রে ঘটনাস্থলেই ঘটাচ্ছে মর্মান্তিক প্রাণহানির মতো অপূরণীয় ঘটনা। মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক এসব সড়ক দুর্ঘটনার পর দেখা যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মূল অপরাধী বা ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারী অটোরিকশা চালকের অনিয়ম, উল্টো পথে গাড়ি চালানো ও বেপরোয়া ভাব ঢেকে গিয়ে উল্টো সমস্ত দোষ, আইনি জটিলতা ও আর্থিক ক্ষতিপূরণের চরম মানসিক ও সামাজিক চাপ অন্যায়ভাবে এসে পড়ে দূরপাল্লার বাসচালকদের ওপর। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও অন্যায্য পরিস্থিতির ফলে সুশৃঙ্খল ও নিয়ম মেনে গাড়ি চালানো পেশাদার পরিবহন চালক ও মালিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ, নিরাশা ও অসন্তোষ ক্রমশ দানা বাঁধছে। সড়ক পরিবহন বিশেষজ্ঞ, সচেতন নাগরিক সমাজ, নিয়মিত যাত্রী এবং মহাসড়কের পরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত সর্বস্তরের মানুষ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইকের এই অবৈধ, অনিয়ন্ত্রিত ও বিপজ্জনক চলাচল অবিলম্বে পুরোপুরি বন্ধ করতে অত্যন্ত কঠোর ও স্থায়ী বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য উদাত্ত আহ্বান ও জোরালো দাবি জানিয়েছেন। অনাকাঙ্ক্ষিত সড়ক দুর্ঘটনা রোধ, যাত্রী ও চালকদের সর্বোচ্চ সার্বিক জননিরাপত্তা বিধান এবং মহাসড়কে সুশৃঙ্খল পরিবেশ ফিরিয়ে আনার বৃহত্তর স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এবং হাইওয়ে পুলিশকে অবিলম্বে কঠোর ও সার্বক্ষণিক নজরদারি জোরদার করার দাবি জানানোর পাশাপাশি ট্রাফিক আইন অমান্যকারী অননুমোদিত যানবাহনের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছেন।