০২:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের আনন্দ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ছড়িয়ে দিল ঢাকা মেট্রোপলিটন আনসার

  • আপডেট: ১২:৫৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
  • / ১৮০০২

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন আনসার (ডিএমএ)। এ উপলক্ষে রাজধানীর গুলশানের টিএন্ডটি মাঠে কড়াইল বস্তির প্রায় ১০০ সুবিধাবঞ্চিত শিশুর অংশগ্রহণে পেনাল্টি কিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় শিশুদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে মাঠজুড়ে উৎসবের আবহ তৈরি হয়।

বিশ্বকাপের আনন্দ শিশুদের মাঝে পৌঁছে দেওয়া, খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং শৃঙ্খলা, দলগত চেতনা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলাই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন আনসারের পরিচালক মো. আসাদুজ্জান গণি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আনসার গার্ড ব্যাটালিয়ন (এজিবি) ও মিডিয়া সেলের পরিচালক মো. আইয়ুব আলী। এছাড়া ডিএমএর উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম জোনের জোন অধিনায়কসহ বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মাঠটি কিছুটা এবড়ো-থেবড়ো হওয়ায় প্রতিটি পেনাল্টি শট ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং। ফলে গোলের প্রতিটি প্রচেষ্টাকে ঘিরে তৈরি হয় রোমাঞ্চকর পরিবেশ। শিশুদের হাসি-উল্লাস ও দর্শকদের করতালিতে পুরো মাঠ মুখর হয়ে ওঠে।

প্রতিযোগিতা শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী ২৫ জন শিশুর হাতে স্কুল ব্যাগ, ছাতা, পানির বোতল এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর লোগোসংবলিত মগ তুলে দেওয়া হয়। অন্য সব অংশগ্রহণকারী শিশুকেও উৎসাহ দিতে একটি করে বলপেন উপহার দেওয়া হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা শিশুদের নিয়মিত খেলাধুলা, লেখাপড়া ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার আহ্বান জানান। তারা বলেন, খেলাধুলা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, অভিভাবক ও দর্শনার্থীরা ঢাকা মেট্রোপলিটন আনসারের এ মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

আয়োজকদের মতে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, শিক্ষা ও সামাজিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের ইতিবাচক বিকাশে ভূমিকা রাখাও বাহিনীর সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

বিশ্বকাপের আনন্দ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ছড়িয়ে দিল ঢাকা মেট্রোপলিটন আনসার

আপডেট: ১২:৫৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন আনসার (ডিএমএ)। এ উপলক্ষে রাজধানীর গুলশানের টিএন্ডটি মাঠে কড়াইল বস্তির প্রায় ১০০ সুবিধাবঞ্চিত শিশুর অংশগ্রহণে পেনাল্টি কিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় শিশুদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে মাঠজুড়ে উৎসবের আবহ তৈরি হয়।

বিশ্বকাপের আনন্দ শিশুদের মাঝে পৌঁছে দেওয়া, খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং শৃঙ্খলা, দলগত চেতনা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলাই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন আনসারের পরিচালক মো. আসাদুজ্জান গণি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আনসার গার্ড ব্যাটালিয়ন (এজিবি) ও মিডিয়া সেলের পরিচালক মো. আইয়ুব আলী। এছাড়া ডিএমএর উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম জোনের জোন অধিনায়কসহ বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মাঠটি কিছুটা এবড়ো-থেবড়ো হওয়ায় প্রতিটি পেনাল্টি শট ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং। ফলে গোলের প্রতিটি প্রচেষ্টাকে ঘিরে তৈরি হয় রোমাঞ্চকর পরিবেশ। শিশুদের হাসি-উল্লাস ও দর্শকদের করতালিতে পুরো মাঠ মুখর হয়ে ওঠে।

প্রতিযোগিতা শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী ২৫ জন শিশুর হাতে স্কুল ব্যাগ, ছাতা, পানির বোতল এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর লোগোসংবলিত মগ তুলে দেওয়া হয়। অন্য সব অংশগ্রহণকারী শিশুকেও উৎসাহ দিতে একটি করে বলপেন উপহার দেওয়া হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা শিশুদের নিয়মিত খেলাধুলা, লেখাপড়া ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার আহ্বান জানান। তারা বলেন, খেলাধুলা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, অভিভাবক ও দর্শনার্থীরা ঢাকা মেট্রোপলিটন আনসারের এ মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

আয়োজকদের মতে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, শিক্ষা ও সামাজিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের ইতিবাচক বিকাশে ভূমিকা রাখাও বাহিনীর সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ।