নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলা: ক্যান্টনমেন্টে এজাহারভুক্ত অন্যতম আসামি মিজানুর রহমান গ্রেফতার
- আপডেট: ০৯:৩৭:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৮০০৫
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন পশ্চিম মাটিকাটা এলাকা থেকে নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলার ঘটনায় মিজানুর রহমান নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল পাঁচটার দিকে ডিবি গুলশান বিভাগের একটি দল পশ্চিম মাটিকাটা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতার মিজানুর রহমানের বাবার নাম নুরুল ইসলাম। তার স্থায়ী ঠিকানা ঢাকার ক্যান্টনমেন্টের পশ্চিম মাটিকাটা (হলি অ্যাপার্টমেন্ট লিমিটেড) এলাকায়।
ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলার ঘটনায় ক্যান্টনমেন্ট থানায় করা মামলায় মিজানুর রহমান এজাহারভুক্ত ৯ নম্বর আসামি। গত ২৭ সেপ্টেম্বর ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি করা হয়।
মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ৪৪৭, ৪৪৮, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ৩৭৯, ৩৮০, ৪২৭, ১১৪ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
ডিবি সূত্র জানায়, নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলার ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এর আগে গত শনিবার রাতে ‘নিউগিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেড’-এর প্রকল্প এলাকায় আনুমানিক ৫০ জন দুষ্কৃতকারী অনাধিকার প্রবেশ করে। এ সময় তারা এলোপাতাড়ি প্রায় ৫০ রাউন্ড গুলি ছোড়ে এবং রামদা, ছোরা ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়। এতে সাইট ইঞ্জিনিয়ার মো. পারভেজসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। এক পর্যায়ে তারা সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউন ফিস’ নামের স্টুডিওতে ঢুকে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।
হামলাকারীরা নিউগিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেড প্রকল্প এলাকা থেকে নগদ টাকা, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, বৈদ্যুতিক ক্যাবল, ক্যামেরা ও প্রফেশনাল মিডিয়া ইকুইপমেন্টসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। পাশাপাশি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১ কোটি ৪২ লাখ ৮০ হাজার টাকার ক্ষতি এবং ১ কোটি ৫০ লাখ ৪৪ হাজার টাকার মালামাল চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন নিউগিনি প্রোপার্টিজ কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার খবর পেয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করেও গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশ আত্মরক্ষা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পাঁচ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছোড়ে। পরে ঘটনাস্থল থেকে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় আরও একজনকে।
এই ভাঙচুর ও লুটের ঘটনায় প্রকল্পের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া ওইদিনই ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন। মামলায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।



















