০৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডিএমপির সাবেক ডিসি মনিরুজ্জামান চাকরি থেকে বরখাস্ত

  • আপডেট: ০৫:৪৮:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৮০০৩

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ডিএমপির সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) কাজী মনিরুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

সরকারি অনুমতি ছাড়া দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা ও দায়িত্বে যোগদানের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী সই করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গুরুদণ্ড হিসেবে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

২০২৪ সালের আগস্টে তাকে ডিএমপি থেকে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। সেপ্টেম্বরে সেখানে যোগদানের পর ছুটি মঞ্জুর না হলেও তিনি কর্মস্থল ত্যাগ করেন।

২২ সেপ্টেম্বর থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত অনুপস্থিত থাকার পর ২১ নভেম্বর যোগ দিলেও ২৫ নভেম্বর থেকে আবার অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিত হন।

এ ঘটনায় ২০২৫ সালের আগস্টে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর তাকে দুই দফা কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি।

পরে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ নেওয়া হয় এবং ২৪ আগস্ট তাকে বরখাস্তের পক্ষে পরামর্শ দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর তাকে ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর থেকে কার্যকর করে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

ডিএমপির সাবেক ডিসি মনিরুজ্জামান চাকরি থেকে বরখাস্ত

আপডেট: ০৫:৪৮:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ডিএমপির সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) কাজী মনিরুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

সরকারি অনুমতি ছাড়া দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা ও দায়িত্বে যোগদানের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী সই করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গুরুদণ্ড হিসেবে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

২০২৪ সালের আগস্টে তাকে ডিএমপি থেকে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। সেপ্টেম্বরে সেখানে যোগদানের পর ছুটি মঞ্জুর না হলেও তিনি কর্মস্থল ত্যাগ করেন।

২২ সেপ্টেম্বর থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত অনুপস্থিত থাকার পর ২১ নভেম্বর যোগ দিলেও ২৫ নভেম্বর থেকে আবার অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিত হন।

এ ঘটনায় ২০২৫ সালের আগস্টে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর তাকে দুই দফা কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি।

পরে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ নেওয়া হয় এবং ২৪ আগস্ট তাকে বরখাস্তের পক্ষে পরামর্শ দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর তাকে ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর থেকে কার্যকর করে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।