০৪:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

তৃণমূলের জনপ্রিয় নেতা আইনুল হককে মন্ত্রিসভায় চায় স্থানীয় জনপদ

  • আপডেট: ০৫:৫৬:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৮০৭২

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য ভিপি আইনুল হককে মন্ত্রিসভায় দেখতে চান স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর থেকেই এ দাবি জোরালো হয়েছে এলাকায়।

উত্তরের গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় আসন সিরাজগঞ্জ-৩—রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা নিয়ে গঠিত এই জনপদ দীর্ঘদিন ধরে কৃষি উৎপাদন ও সম্ভাবনাময় শিল্পায়নের জন্য পরিচিত। চলনবিলঘেরা এ অঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা, নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে যাবে তাদের এলাকা।

সর্বশেষ নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ভিপি আইনুল হক। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই তাঁকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তুলছেন স্থানীয়রা। তাঁদের ভাষ্য, তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গেলে অঞ্চলের সম্ভাবনা কাজে লাগানো সহজ হবে।

স্থানীয়দের মতে, কৃষিনির্ভর অর্থনীতির পাশাপাশি এ এলাকায় শিল্পায়নের সুযোগ রয়েছে। তবে অবকাঠামো, সংরক্ষণাগার ও বাজারব্যবস্থার সীমাবদ্ধতায় প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি। এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় পর্যায়ে শক্ত প্রতিনিধিত্ব প্রয়োজন বলে মনে করেন তাঁরা।

রাজনৈতিক জীবনে নব্বইয়ের দশকে টানা তিনবার ছাত্রনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আইনুল হক। পরে প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও ২০১৪ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়কে তাঁর প্রতি জনগণের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন স্থানীয় বিশ্লেষকেরা।

দলীয় সূত্র জানায়, বিএনপি চেয়ারপারসনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁকে মনোনয়ন দেওয়ার পর থেকেই এলাকায় নির্বাচনী আবহ বদলে যায়। তরুণ নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে পরিচিত আইনুল হক বিপুল ভোটে জয়ী হন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে হামলা-মামলা ও নানা দমন–পীড়নের মুখোমুখি হয়েছেন বলেও দাবি করেন তাঁর সমর্থকেরা। তাঁদের মতে, এ অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কাজে লাগানো যেতে পারে।

তবে দলীয় বা সরকারিভাবে এখনো মন্ত্রিসভা নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, উত্তরবঙ্গের অবহেলিত অঞ্চলগুলোর উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নিতে সক্ষম এমন প্রতিনিধিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সেই প্রত্যাশা কতটা বাস্তবায়িত হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

তৃণমূলের জনপ্রিয় নেতা আইনুল হককে মন্ত্রিসভায় চায় স্থানীয় জনপদ

আপডেট: ০৫:৫৬:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,সোনালী খবর

সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য ভিপি আইনুল হককে মন্ত্রিসভায় দেখতে চান স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর থেকেই এ দাবি জোরালো হয়েছে এলাকায়।

উত্তরের গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় আসন সিরাজগঞ্জ-৩—রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা নিয়ে গঠিত এই জনপদ দীর্ঘদিন ধরে কৃষি উৎপাদন ও সম্ভাবনাময় শিল্পায়নের জন্য পরিচিত। চলনবিলঘেরা এ অঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা, নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে যাবে তাদের এলাকা।

সর্বশেষ নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ভিপি আইনুল হক। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই তাঁকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তুলছেন স্থানীয়রা। তাঁদের ভাষ্য, তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গেলে অঞ্চলের সম্ভাবনা কাজে লাগানো সহজ হবে।

স্থানীয়দের মতে, কৃষিনির্ভর অর্থনীতির পাশাপাশি এ এলাকায় শিল্পায়নের সুযোগ রয়েছে। তবে অবকাঠামো, সংরক্ষণাগার ও বাজারব্যবস্থার সীমাবদ্ধতায় প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি। এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় পর্যায়ে শক্ত প্রতিনিধিত্ব প্রয়োজন বলে মনে করেন তাঁরা।

রাজনৈতিক জীবনে নব্বইয়ের দশকে টানা তিনবার ছাত্রনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আইনুল হক। পরে প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও ২০১৪ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়কে তাঁর প্রতি জনগণের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন স্থানীয় বিশ্লেষকেরা।

দলীয় সূত্র জানায়, বিএনপি চেয়ারপারসনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁকে মনোনয়ন দেওয়ার পর থেকেই এলাকায় নির্বাচনী আবহ বদলে যায়। তরুণ নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে পরিচিত আইনুল হক বিপুল ভোটে জয়ী হন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে হামলা-মামলা ও নানা দমন–পীড়নের মুখোমুখি হয়েছেন বলেও দাবি করেন তাঁর সমর্থকেরা। তাঁদের মতে, এ অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কাজে লাগানো যেতে পারে।

তবে দলীয় বা সরকারিভাবে এখনো মন্ত্রিসভা নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, উত্তরবঙ্গের অবহেলিত অঞ্চলগুলোর উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নিতে সক্ষম এমন প্রতিনিধিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সেই প্রত্যাশা কতটা বাস্তবায়িত হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।