০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ দ্রুত আইনে রূপান্তরের দাবি

  • আপডেট: ০৪:১৯:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • / ১৮০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে আইনে রূপান্তরের দাবি জানিয়েছে বিভিন্ন তামাকবিরোধী সংগঠন।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাব-এর জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, উপস্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে অধ্যাদেশটি পাস না হলে কার্যকারিতা হারাবে।

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউট-এর তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির সমন্বয়ক ডা. অরুনা সরকার বলেন, দেশে ১৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী প্রায় ২ কোটি ১৩ লাখ মানুষ তামাক ব্যবহার করে এবং প্রতিবছর প্রায় ২ লাখ মানুষের মৃত্যু হয় তামাকজনিত রোগে। পরোক্ষ ধূমপানও সরাসরি ধূমপানের সমান ক্ষতিকর। তাই নাগরিকদের সুরক্ষা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল স্বাক্ষরকারী প্রথম দেশ এবং ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে। নতুন অধ্যাদেশে পরোক্ষ ধূমপান থেকে অধূমপায়ীদের সুরক্ষা, পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনে ধূমপান নিষিদ্ধ, বিজ্ঞাপন ও বিক্রয়স্থলে প্রদর্শন বন্ধ, সিগারেটের প্যাকেটে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা ৭৫ শতাংশে উন্নীতকরণ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের নিকটবর্তী ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ঢাকা আহছানিয়া মিশন-এর স্বাস্থ্য সেক্টরের উপ-পরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নতুন প্রজন্মকে রক্ষায় অধ্যাদেশটি যুগান্তকারী; তাই সংসদের প্রথম অধিবেশনেই এটি আইনে রূপান্তর করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, আইনটি পাস হলে অধূমপায়ীরা পরোক্ষ ধূমপান থেকে সুরক্ষা পাবে, তামাকজনিত অসুস্থতা ও মৃত্যু কমবে। তিনি সতর্ক করেন, আইন পাস না হলে ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যাহত হতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দি রুরাল পূয়র (ডরপ), পিপিআরসি, উবিনীগ, নারী মৈত্রী ও প্রগতি জন্য জ্ঞান (প্রজ্ঞা) সহ বিভিন্ন তামাকবিরোধী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ দ্রুত আইনে রূপান্তরের দাবি

আপডেট: ০৪:১৯:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে আইনে রূপান্তরের দাবি জানিয়েছে বিভিন্ন তামাকবিরোধী সংগঠন।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাব-এর জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, উপস্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে অধ্যাদেশটি পাস না হলে কার্যকারিতা হারাবে।

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউট-এর তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির সমন্বয়ক ডা. অরুনা সরকার বলেন, দেশে ১৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী প্রায় ২ কোটি ১৩ লাখ মানুষ তামাক ব্যবহার করে এবং প্রতিবছর প্রায় ২ লাখ মানুষের মৃত্যু হয় তামাকজনিত রোগে। পরোক্ষ ধূমপানও সরাসরি ধূমপানের সমান ক্ষতিকর। তাই নাগরিকদের সুরক্ষা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল স্বাক্ষরকারী প্রথম দেশ এবং ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে। নতুন অধ্যাদেশে পরোক্ষ ধূমপান থেকে অধূমপায়ীদের সুরক্ষা, পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনে ধূমপান নিষিদ্ধ, বিজ্ঞাপন ও বিক্রয়স্থলে প্রদর্শন বন্ধ, সিগারেটের প্যাকেটে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা ৭৫ শতাংশে উন্নীতকরণ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের নিকটবর্তী ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ঢাকা আহছানিয়া মিশন-এর স্বাস্থ্য সেক্টরের উপ-পরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নতুন প্রজন্মকে রক্ষায় অধ্যাদেশটি যুগান্তকারী; তাই সংসদের প্রথম অধিবেশনেই এটি আইনে রূপান্তর করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, আইনটি পাস হলে অধূমপায়ীরা পরোক্ষ ধূমপান থেকে সুরক্ষা পাবে, তামাকজনিত অসুস্থতা ও মৃত্যু কমবে। তিনি সতর্ক করেন, আইন পাস না হলে ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যাহত হতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দি রুরাল পূয়র (ডরপ), পিপিআরসি, উবিনীগ, নারী মৈত্রী ও প্রগতি জন্য জ্ঞান (প্রজ্ঞা) সহ বিভিন্ন তামাকবিরোধী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।