১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

ডিএমপি কমিশনার পদে নতুন মুখ,আলোচনায় কয়েক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা

  • আপডেট: ০৫:১০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
  • / ১৮০৬০

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে প্রশাসনে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ পদে বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ১৫তম ও ১৭তম ব্যাচের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আলোচনায় রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ঈদের আগেই গুরুত্বপূর্ণ এই পদে নতুন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ডিএমপি কমিশনারের পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দেন অতিরিক্ত আইজিপি শেখ মো. সাজ্জাত আলী। পরদিন পুলিশ সদর দপ্তরের এক প্রজ্ঞাপনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (অ্যাডমিন) মো. সরওয়ার-কে ভারপ্রাপ্ত কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, নতুন সরকার গঠনের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ পদগুলোতে পরিবর্তনের আলোচনা শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ২৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে দায়িত্ব পান আলী হোসেন ফকির। এর আগে ওই পদে ছিলেন বাহারুল আলম। এ পরিবর্তনের পরই রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ হিসেবে বিবেচিত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার পদটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অ্যাডমিন) ফারুক আহমেদ, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার ড. মো. নাজমুল করিম খান,রেলওয়ে পুলিশের প্রধান ব্যারিস্টার জিল্লুর রহমান এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাসিব আজিজ এই পদে আলোচনায় রয়েছেন।

এর মধ্যে ফারুক আহমেদ আগে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। গত বছরের ২৫ আগস্ট তাকে র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তিনি ডিআইজি পদে পদোন্নতি পান।

অন্যদিকে বর্তমানে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রেজাউল করিম মল্লিক। ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাকে চাকরি হারাতে হয়। পরে তিনি আবার দায়িত্বে ফেরেন। সর্বশেষ তিনি ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার প্রধানের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

ডিবিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের বাঘা বাঘা নেতাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনেন তিনি। একারণে একাধিকবার তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।

গতবছরের ১৩ মার্চ সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়া ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের (ডিবি) দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া রেজাউল করিম মল্লিককে। দীর্ঘদিন প্রায় দেড়মাস তাকে ডিএমপি সদরদপ্তরে সংযুক্ত করে রাখা হয়েছিলো। যার পেছন থেকে কলকাঠি নাড়েন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বকস্ চৌধুরী।

ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় থাকা আরেক কর্মকর্তা ড. মো. নাজমুল করিম খান। তিনি আগে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ছিলেন। পরে তাকে ওই পদ থেকে সরিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। একই সময়ে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন। সেই পদ থেকেও তাকে সরানো হয়।

এ ছাড়া আলোচনায় রয়েছেন ব্যারিস্টার জিল্লুর রহমান। বিসিএস ১৫তম ব্যাচের এই কর্মকর্তা অন্যায় আদেশ না মানার কারণে অতীতে দুই দফা চাকরি হারিয়েছিলেন। পরে আদালতের রায় ও সরকারের সিদ্ধান্তে তিনি আবার পুলিশে ফিরে আসেন। বর্তমানে তিনি রেলওয়ে পুলিশের প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন।

ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজে পড়াশোনা শেষে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি থেকে সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়ে পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ এবং যুক্তরাজ্যের লিঙ্কনস ইন থেকে ব্যারিস্টার অ্যাট ল ডিগ্রি অর্জন করেন জিল্লুর রহমান। রাজনৈতিক কারণে ১৯৯৭ সালে প্রথমবার চাকরিচ্যুত হলেও ২০০২ সালে আদালতের রায়ে পুনর্বহাল হন। ২০১২ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তাকে তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক অ্যান্ড ড্রাইভিং স্কুলে রাখা হয় এবং পুলিশের দুর্নীতি-অনিয়মের সমালোচনা করায় ২০২২ সালের নভেম্বরে আবার বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।

পরে দেশ ছাড়লেও অনলাইনে সক্রিয় থেকে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, গুম-খুন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন তিনি। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ওইবছরের ২৭ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার তাকে পুনরায় চাকরিতে বহাল করে এবং এসপি থেকে সরাসরি ডিআইজি পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। পরে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি পান।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাসিব আজিজও সম্ভাব্যদের তালিকায় রয়েছেন। বিসিএস ১৫তম ব্যাচের এই কর্মকর্তা ১৯৯৫ সালে পুলিশে যোগ দেন। তিনি সিআইডির ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুল, ইন্টারপোল ডেস্কসহ পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত বছরের ১৮ মে তিনি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের একটি সূত্র জানায়, ডিএমপি কমিশনারের পাশাপাশি র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) ও পুলিশের বিশেষ শাখা—এসবির প্রধানের পদেও শিগগিরই পরিবর্তন আসছে। চলতি মাসের ১৫ তারিখে এসবি প্রধান গোলাম রসুল এবং র‌্যাব ডিজি শহিদুর রহমানের চুক্তিভিত্তিক চাকরির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এসব পদে নিয়োগের বিষয়টি বর্তমানে সরকারের উচ্চপর্যায়ে বিবেচনায় রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

ডিএমপি কমিশনার পদে নতুন মুখ,আলোচনায় কয়েক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা

আপডেট: ০৫:১০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে প্রশাসনে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ পদে বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ১৫তম ও ১৭তম ব্যাচের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আলোচনায় রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ঈদের আগেই গুরুত্বপূর্ণ এই পদে নতুন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ডিএমপি কমিশনারের পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দেন অতিরিক্ত আইজিপি শেখ মো. সাজ্জাত আলী। পরদিন পুলিশ সদর দপ্তরের এক প্রজ্ঞাপনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (অ্যাডমিন) মো. সরওয়ার-কে ভারপ্রাপ্ত কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, নতুন সরকার গঠনের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ পদগুলোতে পরিবর্তনের আলোচনা শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ২৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে দায়িত্ব পান আলী হোসেন ফকির। এর আগে ওই পদে ছিলেন বাহারুল আলম। এ পরিবর্তনের পরই রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ হিসেবে বিবেচিত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার পদটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অ্যাডমিন) ফারুক আহমেদ, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার ড. মো. নাজমুল করিম খান,রেলওয়ে পুলিশের প্রধান ব্যারিস্টার জিল্লুর রহমান এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাসিব আজিজ এই পদে আলোচনায় রয়েছেন।

এর মধ্যে ফারুক আহমেদ আগে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। গত বছরের ২৫ আগস্ট তাকে র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তিনি ডিআইজি পদে পদোন্নতি পান।

অন্যদিকে বর্তমানে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রেজাউল করিম মল্লিক। ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাকে চাকরি হারাতে হয়। পরে তিনি আবার দায়িত্বে ফেরেন। সর্বশেষ তিনি ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার প্রধানের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

ডিবিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের বাঘা বাঘা নেতাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনেন তিনি। একারণে একাধিকবার তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।

গতবছরের ১৩ মার্চ সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়া ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের (ডিবি) দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া রেজাউল করিম মল্লিককে। দীর্ঘদিন প্রায় দেড়মাস তাকে ডিএমপি সদরদপ্তরে সংযুক্ত করে রাখা হয়েছিলো। যার পেছন থেকে কলকাঠি নাড়েন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বকস্ চৌধুরী।

ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় থাকা আরেক কর্মকর্তা ড. মো. নাজমুল করিম খান। তিনি আগে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ছিলেন। পরে তাকে ওই পদ থেকে সরিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। একই সময়ে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন। সেই পদ থেকেও তাকে সরানো হয়।

এ ছাড়া আলোচনায় রয়েছেন ব্যারিস্টার জিল্লুর রহমান। বিসিএস ১৫তম ব্যাচের এই কর্মকর্তা অন্যায় আদেশ না মানার কারণে অতীতে দুই দফা চাকরি হারিয়েছিলেন। পরে আদালতের রায় ও সরকারের সিদ্ধান্তে তিনি আবার পুলিশে ফিরে আসেন। বর্তমানে তিনি রেলওয়ে পুলিশের প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন।

ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজে পড়াশোনা শেষে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি থেকে সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়ে পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ এবং যুক্তরাজ্যের লিঙ্কনস ইন থেকে ব্যারিস্টার অ্যাট ল ডিগ্রি অর্জন করেন জিল্লুর রহমান। রাজনৈতিক কারণে ১৯৯৭ সালে প্রথমবার চাকরিচ্যুত হলেও ২০০২ সালে আদালতের রায়ে পুনর্বহাল হন। ২০১২ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তাকে তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক অ্যান্ড ড্রাইভিং স্কুলে রাখা হয় এবং পুলিশের দুর্নীতি-অনিয়মের সমালোচনা করায় ২০২২ সালের নভেম্বরে আবার বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।

পরে দেশ ছাড়লেও অনলাইনে সক্রিয় থেকে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, গুম-খুন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন তিনি। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ওইবছরের ২৭ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার তাকে পুনরায় চাকরিতে বহাল করে এবং এসপি থেকে সরাসরি ডিআইজি পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। পরে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি পান।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাসিব আজিজও সম্ভাব্যদের তালিকায় রয়েছেন। বিসিএস ১৫তম ব্যাচের এই কর্মকর্তা ১৯৯৫ সালে পুলিশে যোগ দেন। তিনি সিআইডির ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুল, ইন্টারপোল ডেস্কসহ পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত বছরের ১৮ মে তিনি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের একটি সূত্র জানায়, ডিএমপি কমিশনারের পাশাপাশি র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) ও পুলিশের বিশেষ শাখা—এসবির প্রধানের পদেও শিগগিরই পরিবর্তন আসছে। চলতি মাসের ১৫ তারিখে এসবি প্রধান গোলাম রসুল এবং র‌্যাব ডিজি শহিদুর রহমানের চুক্তিভিত্তিক চাকরির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এসব পদে নিয়োগের বিষয়টি বর্তমানে সরকারের উচ্চপর্যায়ে বিবেচনায় রয়েছে।