০৩:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

ওএসডি আদেশের পরও অফিস করছেন সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের পরিচালক সেহাব উদ্দিন

  • আপডেট: ০৩:০১:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • / ১৮০০২

আলী মুবিন:

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল দুর্নীতির ও অনিয়মে ভরপুর। পরিচালকের নেতৃত্বে বিশাল একটি সিন্ডিকেট এজেন্ডা বাস্তবায়নে সক্রিয়।

রাজধানীর অন্যতম ১৩৫০ সয্যার সরকারি এই হাসপাতালটি। হাসপাতালের জরুরি বিভাগ (ওসেক) থেকে শুরু করে চোখ, নাক কান গলা, ইউরোলজি, গাইনি, মেডিসিন, নিউরোলজি, কিডনি ডাইলোসিস, ডেন্টাল, অর্থপেডিক, সার্জারি বিভাগ সহ গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ গুলোতে দুর্নীতি ও অনিয়মে নিমোজ্জিত। প্রতিদিন ওসেক ও বহির্বিভাগে ৪০০০ হাজার থেকে ৪৫০০ রোগী সেবা নিতে আসেন। এদিকে হাসপাতালে বিভিন্ন টেন্ডারের নামে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। এসব টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করেন পরিচালক নিজেই। তার নিয়োজিত উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরকে দেয়া হয় টেন্ডার বাণিজ্য’র দায়িত্ব। স্বজনরা যাতে কাজ পান সেজন্য গড়ে তোলা হয়েছে সিন্ডিকেট। সবচেয়ে বেশি অপকর্মের সাথে সরাসরি জড়িত আউটসোর্সিং ও স্পেশাল ডিউটি করা স্টাফরা।

অনিয়ম দূর্নীতির দায় ও দায়িত্বে অবহেলার কারণে পত্রিকা সহ বিভিন্ন গণ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।সরকারের নজরে এলে তাকে গত রবিবার (১০ মে) মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-২ শাখার যুগ্মসচিব সনজীদা শরমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন নং-৪৫.০০.০০০০.১৪৮.১৯.০০১.২০২৩-৪৭২, বলা হয়েছে, ‘বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাকে তার নামের পাশে বর্ণিত পদ ও কর্মস্থলে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হলো’।
এতে আরও বলা হয়েছে, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচাল ডা. মোহাম্মদ সেহাব উদ্দীনকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ওএসডি করা হয়েছে।’

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অনতিবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। ওএসডি করার পরথেকে তিনি নিয়মিত সন্ধ্যা ৭ পর্যন্ত অফিস করেন, আর অফিসের ফাইল পত্র ব্যাকডেটে স্বাক্ষর করছেন তিনি। সচেতন মহলের দাবি ওএসডি করা ডা. মোহাম্মদ সেহাব উদ্দীনকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে দ্রুত অপসারণ করা হোক।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

ওএসডি আদেশের পরও অফিস করছেন সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের পরিচালক সেহাব উদ্দিন

আপডেট: ০৩:০১:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

আলী মুবিন:

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল দুর্নীতির ও অনিয়মে ভরপুর। পরিচালকের নেতৃত্বে বিশাল একটি সিন্ডিকেট এজেন্ডা বাস্তবায়নে সক্রিয়।

রাজধানীর অন্যতম ১৩৫০ সয্যার সরকারি এই হাসপাতালটি। হাসপাতালের জরুরি বিভাগ (ওসেক) থেকে শুরু করে চোখ, নাক কান গলা, ইউরোলজি, গাইনি, মেডিসিন, নিউরোলজি, কিডনি ডাইলোসিস, ডেন্টাল, অর্থপেডিক, সার্জারি বিভাগ সহ গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ গুলোতে দুর্নীতি ও অনিয়মে নিমোজ্জিত। প্রতিদিন ওসেক ও বহির্বিভাগে ৪০০০ হাজার থেকে ৪৫০০ রোগী সেবা নিতে আসেন। এদিকে হাসপাতালে বিভিন্ন টেন্ডারের নামে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। এসব টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করেন পরিচালক নিজেই। তার নিয়োজিত উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরকে দেয়া হয় টেন্ডার বাণিজ্য’র দায়িত্ব। স্বজনরা যাতে কাজ পান সেজন্য গড়ে তোলা হয়েছে সিন্ডিকেট। সবচেয়ে বেশি অপকর্মের সাথে সরাসরি জড়িত আউটসোর্সিং ও স্পেশাল ডিউটি করা স্টাফরা।

অনিয়ম দূর্নীতির দায় ও দায়িত্বে অবহেলার কারণে পত্রিকা সহ বিভিন্ন গণ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।সরকারের নজরে এলে তাকে গত রবিবার (১০ মে) মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-২ শাখার যুগ্মসচিব সনজীদা শরমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন নং-৪৫.০০.০০০০.১৪৮.১৯.০০১.২০২৩-৪৭২, বলা হয়েছে, ‘বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাকে তার নামের পাশে বর্ণিত পদ ও কর্মস্থলে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হলো’।
এতে আরও বলা হয়েছে, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচাল ডা. মোহাম্মদ সেহাব উদ্দীনকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ওএসডি করা হয়েছে।’

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অনতিবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। ওএসডি করার পরথেকে তিনি নিয়মিত সন্ধ্যা ৭ পর্যন্ত অফিস করেন, আর অফিসের ফাইল পত্র ব্যাকডেটে স্বাক্ষর করছেন তিনি। সচেতন মহলের দাবি ওএসডি করা ডা. মোহাম্মদ সেহাব উদ্দীনকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে দ্রুত অপসারণ করা হোক।