০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

বিমানের বিতর্কিত সেই মিজানের ফের পদোন্নতি,কয়েক ঘণ্টা পর বাতিল

  • আপডেট: ১২:০১:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • / ১৮০০৭

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুর্নীতির অভিযোগ থাকা বিতর্কিত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর রশীদকে আবারও পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সমালোচনা মুখে তা আবার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাতিল করা হয় সেই পদোন্নতি । এই ঘটনায় বিমান ‍জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মোহাম্মদ মিজানুর  রশীদ মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাক পদে কর্মরত। তাকে পদোন্নতি দিয়ে পরিচালক, মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগের কর্মকর্তা করা হয়। পরে সেটি স্থগিত করা হয়।

জানা যায়, সরকারি অর্থে সফটওয়্যার কেনায় প্রায় তিন কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় মামলার মুখে পড়েছিলেন মোহাম্মদ মিজানুর রশীদ। যদিও তিনি সেই মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। কিন্তু দুদক বিষয়টি নিয়ে এখনও অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। এর মাঝেই মহাব্যবস্থাপক (যানবাহন) হিসেবে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় গত ৪ মার্চ মোহাম্মদ মিজানুর রশীদকে বদলি করে অর্থ ও হিসাব বিভাগে নেওয়া হয়। পরদিন আবার তাকে প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাকে প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়।

পাশাপাশি অর্থ বিভাগের পরিচালকের দায়িত্বও তার ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে, যা মহাব্যবস্থাপকের চেয়ে উচ্চপদ।

অভিযোগ রয়েছে, বিমানের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের একটি শক্তিশালী পক্ষের তদবিরেই মোহাম্মদ মিজানুর রশীদ এসব দায়িত্ব পেয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

বিমানের বিতর্কিত সেই মিজানের ফের পদোন্নতি,কয়েক ঘণ্টা পর বাতিল

আপডেট: ১২:০১:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুর্নীতির অভিযোগ থাকা বিতর্কিত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর রশীদকে আবারও পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সমালোচনা মুখে তা আবার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাতিল করা হয় সেই পদোন্নতি । এই ঘটনায় বিমান ‍জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মোহাম্মদ মিজানুর  রশীদ মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাক পদে কর্মরত। তাকে পদোন্নতি দিয়ে পরিচালক, মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগের কর্মকর্তা করা হয়। পরে সেটি স্থগিত করা হয়।

জানা যায়, সরকারি অর্থে সফটওয়্যার কেনায় প্রায় তিন কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় মামলার মুখে পড়েছিলেন মোহাম্মদ মিজানুর রশীদ। যদিও তিনি সেই মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। কিন্তু দুদক বিষয়টি নিয়ে এখনও অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। এর মাঝেই মহাব্যবস্থাপক (যানবাহন) হিসেবে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় গত ৪ মার্চ মোহাম্মদ মিজানুর রশীদকে বদলি করে অর্থ ও হিসাব বিভাগে নেওয়া হয়। পরদিন আবার তাকে প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাকে প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়।

পাশাপাশি অর্থ বিভাগের পরিচালকের দায়িত্বও তার ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে, যা মহাব্যবস্থাপকের চেয়ে উচ্চপদ।

অভিযোগ রয়েছে, বিমানের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের একটি শক্তিশালী পক্ষের তদবিরেই মোহাম্মদ মিজানুর রশীদ এসব দায়িত্ব পেয়েছেন।