০৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

গুলশানে ১২ বছরের কিশোরকে যৌন নির্যাতন, অধ্যাপক মঈনুদ্দিন গ্রেফতার

  • আপডেট: ০৩:২৬:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৮০০৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর গুলশানে ১২ বছর বয়সী এক স্কুলপড়ুয়া কিশোরকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম–মঈনুদ্দিন চৌধুরী। তিনি একজন কর্পোরেট ট্রেইনার এবং রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন বলে জানা গেছে।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকালে শাহজাদপুরের নিজ বাসা থেকে গুলশান থানা পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে।

একইদিন দুপুরে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেন গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গুলশান থানার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় আজ সকালে মঈনুদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।

জানা গেছে, গুলশান থানাধীন শাহজাদপুর এলাকার একটি বাড়িতে ভুক্তভোগী কিশোরের পরিবারের পাশের ফ্ল্যাটের থাকেন অধ্যাপক মঈনুদ্দিন। বাসার প্লে-গ্রাউন্ডে খেলার সময় ভুক্তভোগী শিশুকে সুকৌশলে ডেকে নিয়ে বিভিন্ন প্রলোভনে তার শরীরের স্পর্শকাতর অংশে ব্যাড টাচসহ যৌন নির্যাতন করে। এছাড়া ঘটনাটি কাউকে না বলতে নানা রকম ভয়ভীতি দেখায়।

এ ঘটনায় পর ভুক্তভোগী কিশোর শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে, ঘুমের মধ্যে কাঁদে, রাতে ভয়ে চিল্লিয়ে ওঠে এবং যেকোন ভয় পেলেই অজ্ঞান হয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই কিশোর পরিবারকে বিষয়টি জানালে তাকে ডাক্তার কাছে নিয়ে যায় পরিবার।

এদিকে এরইমধ্যে আরও একবার ওই কিশোর মঈনুদ্দিনের দ্বারা নির্যাতিত হয়। এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবার গুলশান থানায় অভিযোগ দিলে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা রজু হয়। এ মামলায় সকালে এই অধ্যাপককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

গুলশানে ১২ বছরের কিশোরকে যৌন নির্যাতন, অধ্যাপক মঈনুদ্দিন গ্রেফতার

আপডেট: ০৩:২৬:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর গুলশানে ১২ বছর বয়সী এক স্কুলপড়ুয়া কিশোরকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম–মঈনুদ্দিন চৌধুরী। তিনি একজন কর্পোরেট ট্রেইনার এবং রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন বলে জানা গেছে।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকালে শাহজাদপুরের নিজ বাসা থেকে গুলশান থানা পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে।

একইদিন দুপুরে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেন গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গুলশান থানার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় আজ সকালে মঈনুদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।

জানা গেছে, গুলশান থানাধীন শাহজাদপুর এলাকার একটি বাড়িতে ভুক্তভোগী কিশোরের পরিবারের পাশের ফ্ল্যাটের থাকেন অধ্যাপক মঈনুদ্দিন। বাসার প্লে-গ্রাউন্ডে খেলার সময় ভুক্তভোগী শিশুকে সুকৌশলে ডেকে নিয়ে বিভিন্ন প্রলোভনে তার শরীরের স্পর্শকাতর অংশে ব্যাড টাচসহ যৌন নির্যাতন করে। এছাড়া ঘটনাটি কাউকে না বলতে নানা রকম ভয়ভীতি দেখায়।

এ ঘটনায় পর ভুক্তভোগী কিশোর শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে, ঘুমের মধ্যে কাঁদে, রাতে ভয়ে চিল্লিয়ে ওঠে এবং যেকোন ভয় পেলেই অজ্ঞান হয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই কিশোর পরিবারকে বিষয়টি জানালে তাকে ডাক্তার কাছে নিয়ে যায় পরিবার।

এদিকে এরইমধ্যে আরও একবার ওই কিশোর মঈনুদ্দিনের দ্বারা নির্যাতিত হয়। এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবার গুলশান থানায় অভিযোগ দিলে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা রজু হয়। এ মামলায় সকালে এই অধ্যাপককে গ্রেফতার করে পুলিশ।