০৪:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

মোহিনী মিল প্রায় দখলে

  • আপডেট: ০৯:৪৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৮০০৫

নাসিম উদ্দীন নিজস্ব প্রতিবেদক :

আওয়ামী লীগের সরকার ক্ষমতায় ধরে রাখতে যখন যা পেয়েছে তখন তাই ভোগ ফেলেছে। দেশের উন্নয়ন না পরায়ন ঘটেছে সেদিকে খেয়াল রাখেননি এইসব নেতারা। দিনের পর দিন ক্ষমতাকে শক্তিশালী করতে চোখের সামনে যা পেয়েছে সেগুলোই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ভারী করতে ধ্বংস করেছেন।

ঠিক তেমনি কুষ্টিয়া মোহিনী মিলের ৩৬ একর জায়গার প্রায় ৭০ ভাগ জায়গা আওয়ামী লীগ নেতা ও তাদের পরিবারের দখলে। অবৈধ ভাবে জায়গা দখলে অংশ নিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগ, শহর আওয়ামী লীগ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, আওয়ামী লীগের দোসর পুলিশ সদস্য, স্থানীয় কাউন্সিলসহ আওয়ামী লীগ নেতার পরিবারের সদস্যরা। এছাড়াও লুটেপুটে খেতে সাহায্য করেছেন মোহিনী মিলের দেখভাল করা দায়িত্বে থাকা অসৎ কর্মকর্তারা।

মোহিনী মিলের জি এম বাংলো তাইজাল আলী খানের দখলে তিনি কুষ্টিয়া শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি। মিলের ১ নম্বর গেটের সামনে খালি জায়গা দখল করে রেখেছেন ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তিনি তাইজাল আলী খানের ছেলে ওয়াহিদুজ্জামান রনি। মিল লাইন কোয়াটারের জায়গা দখল করেছেন কুষ্টিয়া আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ আলতাফ হোসেন তিনিও তাইজল আলী খানের ভাগ্নে। মোহিনী মিলের কোয়াটার ও হাসপাতাল কোয়াটার এবং মোহিনী মিলের মাঠ অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন মুসা আলী খান। ছোট ছোট ঘর নির্মাণ করে ৫০ থেকে ১ লক্ষ টাকা বাড়ি প্রতি নেয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তিনিও তাইজাল আলী খানের ভাগ্নে। মোহিনি মিলে রেস্ট হাউস দখল করে রেখেছেন নাসির উদ্দিন। তিনিও তাইজাল আলী খানের বাড়ির কেয়ারটেকার। মোহিনী মিলের হাসপাতালের পাশে তাইজাল আলী খানের বাবার নামে একটি ক্লাব তৈরি করে সেখানেও অবৈধভাবে জায়গা দখল করে রেখেছেন । স্টাফ কোয়ার্টারের জায়গা দখল করে রেখেছেন তাইলজাল আলী খানের ভাইরা ও পঞ্চ পান্ডবের এক পান্ডব আমিরুল ইসলামের ভগ্নি পতি মিরাজ। এছাড়াও তাইজাল আলী খানের ছেলে ওহিদুজ্জামান রনি মিলপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের জায়গা দখল করে সেখানে তৈরি করেছেন বাগানবাড়ি। সন্ধ্যা হলেই চলে মাদকের অভয়ারণ্য।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

মোহিনী মিল প্রায় দখলে

আপডেট: ০৯:৪৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

নাসিম উদ্দীন নিজস্ব প্রতিবেদক :

আওয়ামী লীগের সরকার ক্ষমতায় ধরে রাখতে যখন যা পেয়েছে তখন তাই ভোগ ফেলেছে। দেশের উন্নয়ন না পরায়ন ঘটেছে সেদিকে খেয়াল রাখেননি এইসব নেতারা। দিনের পর দিন ক্ষমতাকে শক্তিশালী করতে চোখের সামনে যা পেয়েছে সেগুলোই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ভারী করতে ধ্বংস করেছেন।

ঠিক তেমনি কুষ্টিয়া মোহিনী মিলের ৩৬ একর জায়গার প্রায় ৭০ ভাগ জায়গা আওয়ামী লীগ নেতা ও তাদের পরিবারের দখলে। অবৈধ ভাবে জায়গা দখলে অংশ নিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগ, শহর আওয়ামী লীগ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, আওয়ামী লীগের দোসর পুলিশ সদস্য, স্থানীয় কাউন্সিলসহ আওয়ামী লীগ নেতার পরিবারের সদস্যরা। এছাড়াও লুটেপুটে খেতে সাহায্য করেছেন মোহিনী মিলের দেখভাল করা দায়িত্বে থাকা অসৎ কর্মকর্তারা।

মোহিনী মিলের জি এম বাংলো তাইজাল আলী খানের দখলে তিনি কুষ্টিয়া শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি। মিলের ১ নম্বর গেটের সামনে খালি জায়গা দখল করে রেখেছেন ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তিনি তাইজাল আলী খানের ছেলে ওয়াহিদুজ্জামান রনি। মিল লাইন কোয়াটারের জায়গা দখল করেছেন কুষ্টিয়া আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ আলতাফ হোসেন তিনিও তাইজল আলী খানের ভাগ্নে। মোহিনী মিলের কোয়াটার ও হাসপাতাল কোয়াটার এবং মোহিনী মিলের মাঠ অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন মুসা আলী খান। ছোট ছোট ঘর নির্মাণ করে ৫০ থেকে ১ লক্ষ টাকা বাড়ি প্রতি নেয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তিনিও তাইজাল আলী খানের ভাগ্নে। মোহিনি মিলে রেস্ট হাউস দখল করে রেখেছেন নাসির উদ্দিন। তিনিও তাইজাল আলী খানের বাড়ির কেয়ারটেকার। মোহিনী মিলের হাসপাতালের পাশে তাইজাল আলী খানের বাবার নামে একটি ক্লাব তৈরি করে সেখানেও অবৈধভাবে জায়গা দখল করে রেখেছেন । স্টাফ কোয়ার্টারের জায়গা দখল করে রেখেছেন তাইলজাল আলী খানের ভাইরা ও পঞ্চ পান্ডবের এক পান্ডব আমিরুল ইসলামের ভগ্নি পতি মিরাজ। এছাড়াও তাইজাল আলী খানের ছেলে ওহিদুজ্জামান রনি মিলপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের জায়গা দখল করে সেখানে তৈরি করেছেন বাগানবাড়ি। সন্ধ্যা হলেই চলে মাদকের অভয়ারণ্য।