এসএসসির প্রশ্নপত্র দেয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল চক্র, অতঃপর…
- আপডেট: ০১:৫৬:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
- / ১৮০০৮
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
চলমান এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেওয়ার নামে শিক্ষার্থীদের থেকে অর্থ আদায়ে জড়িত চার জনকে গ্রেফতার করেছে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)।
গ্রেফতারকৃত হওয়া চার ব্যক্তি হলেন— সিফাত আহমেদ সজিব, মোহাম্মদ সালমান, মেজবাউল আলম মাহিন এবং মোহাম্মদ মহিউজ্জামান মুন্না।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে সিটিটিসির যুগ্ম কমিশনার মুনশী শাহাবুদ্দীন এ তথ্য জানান।
মুনশী শাহাবুদ্দীন বলেন,২০ এপ্রিল সিটিটিসির অনলাইন ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ বিভাগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নজরদারির সময় ‘SSC 2026 Question Paper First Group’ নামের একটি ফেসবুক পেজ শনাক্ত করে। প্রযুক্তির সহায়তায় ওই পেজের তথ্য বিশ্লেষণ করে একই দিন রাত সাড়ে আটটার দিকে ঢাকার আশুলিয়ার তাজপুর থেকে অভিযান চালিয়ে সিফাত আহমেদ সজিবকে গ্রেফতার করে।
সিটিটিসির এই কর্মকর্তা বলেন, সজিবের স্বীকারোক্তি ও তথ্য বিশ্লেষণ করে ২৩ এপ্রিল বগুড়ার ধুনট থেকে সালমানকে গ্রেফতার করা হয়। একই দিনে দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জের দাদনপুর মালিপাড়া এলাকা থেকে মেজবাউল আলম মাহিনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২৪ এপ্রিল সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশের নওগাঁ ইউনিয়নের শাহ শরীফ জিন্দানি (রহ.) মাজার সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মহিউজ্জামান মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত চার জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে উল্লেখ করে মুনশী শাহাবুদ্দীন বলেন, চার জনকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। এই চক্র দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্নপত্র দেওয়ার নামে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করে আসছিল। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
মুনশী শাহাবুদ্দীন বলেন, এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী চলমান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে তাদের দেওয়া প্রশ্নের সঙ্গে কোনো মিল নেই। তারা মূলত আর্থিকভাবে লাভবান হতে প্রতারণা করেছে। চলমান সুষ্ঠু পরীক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এই কাজ করেছে।
এক প্রশ্নের জবাবে সিটিটিসির এই কর্মকর্তা বলেন, তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়েছে। তারা কতদিন ধরে এই প্রতারণা করে আসছে, কত টাকা নিয়েছে এসব তথ্য জানার চেষ্টা চলছে। সিটিটিসির স্পেশাল দল এসব নিয়ে কাজ করছে।



















