১০:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

এসিল্যান্ড আছিফ উদ্দিনের ভূমি সেবায় অসামান্য সাফল্য

  • আপডেট: ০৬:১৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৮০১০

মোঃ মনিরুজ্জামান মনির :
রাজধানীর ব্যস্ততম প্রশাসনিক পরিমণ্ডলে তেজগাঁও রাজস্ব সার্কেল আজ এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছে আর এই ইতিবাচক পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আছিফ উদ্দিন মিয়া। সততা, দক্ষতা ও জনসেবার প্রতি অটল প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে তিনি এমন এক প্রশাসনিক সংস্কৃতি গড়ে তুলেছেন যেখানে সাধারণ মানুষ হয়রানিমুক্তভাবে দ্রুত ও স্বচ্ছ সেবা পাচ্ছেন। ২০২১ সালে প্রশাসনিক ক্যারিয়ার শুরু করে নড়াইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করা এই কর্মকর্তা পরবর্তীতে কুড়িগ্রামের রৌমারী ও বান্দরবানের দুর্গম থানচি উপজেলা ভূমি অফিসে দায়িত্ব পালন করে মাঠ প্রশাসনে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েই ৩১ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে তেজগাঁও রাজস্ব সার্কেলে যোগদানের পর থেকে তিনি পুরো অফিস ব্যবস্থাপনাকে নতুন করে সাজান। দালালচক্রের প্রভাবমুক্ত করে সরাসরি সেবা প্রদানের একটি কার্যকর ব্যবস্থা চালু করেন ফলে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে থাকা সাধারণ মানুষ এখন নির্বিঘ্নে নামজারি, খাজনা, মামলা সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারছেন। তার দৃঢ় অবস্থানের কারণে দালালদের দৌরাত্ম্য কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে এবং অফিসের পরিবেশ হয়ে উঠেছে সেবাবান্ধব ও স্বচ্ছ। তিনি ঘুষ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল থেকে প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন। তার নেতৃত্বে নভেম্বর ২০২৪ থেকে এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত সময়ে ৩১,৪৫৪টি নামজারি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে যা একটি বিশাল কর্মযজ্ঞের প্রতিফলন। পাশাপাশি ১,১৭৯টি মিস কেস নিষ্পত্তি, ১০৮টি রেন্ট সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তি এবং ৫৬৬টি দেওয়ানী মোকদ্দমার এসএফ প্রেরণ করা হয়েছে। প্রতিটি পরিসংখ্যানই তার কর্মদক্ষতা ও টিম ম্যানেজমেন্টের শক্ত প্রমাণ বহন করে। বিশেষ করে অক্টোবর ২০২৫ সালে ২,৭৩৮টি নামজারি নিষ্পত্তি একটি রেকর্ডধর্মী সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে যা তার গতিশীল নেতৃত্বকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। শুধু মামলা নিষ্পত্তিই নয় রাজস্ব আহরণেও তিনি অসাধারণ কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ে ১১ কোটি ২০ লাখ ৫৩ হাজার ৬৬৮ টাকা সংগ্রহ করে লক্ষ্যমাত্রার ১২২ শতাংশ অর্জন করেছেন যা একটি ব্যতিক্রমী সাফল্য এবং কার্যকর প্রশাসনিক তৎপরতারই ফল। একই সঙ্গে খাস জমি ব্যবস্থাপনায়ও তিনি নজির স্থাপন করেছেন। তেজগাঁও সার্কেলের অধীন ৪৭৫.৩৯৭২ একর খাস জমির মধ্যে ৩৯২.৭৮৮৪ একর সরকারি দখলে নিশ্চিত করা হয়েছে এবং অবৈধ দখলে থাকা ৮.৩৭৭২ একর জমি উদ্ধারে জোরালো কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে তার কঠোর অবস্থান জনস্বার্থ রক্ষায় প্রশাসনের দায়িত্বশীলতার পরিচায়ক। সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আছিফ উদ্দিন মিয়ার অফিসে সেবা নিতে এসে কোনো প্রকার অতিরিক্ত অর্থ বা অনৈতিক সুবিধা দিতে হয় না ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে তৈরি হয়েছে আস্থা ও সন্তুষ্টি। প্রতিদিন অসংখ্য সেবাপ্রার্থী তার অফিসে এসে দ্রুত সমাধান পাচ্ছেন এবং এই ইতিবাচক অভিজ্ঞতা মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ছে। তেজগাঁও রাজস্ব সার্কেলে, সেবা নিতে আসা বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী প্রাপ্ত সেবা পাওয়ার পরে তিনি এসিল্যান্ডের উদ্দেশ্যে দৈনিক সোনালী খবরের প্রতিবেদককে বলেন তেজগাঁও রাজস্ব সার্কেলের এসিল্যান্ড আছিফ উদ্দিন মিয়া একজন সৎ আদর্শবান ও মানবিক নেতৃত্বের প্রতীক। সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আছিফ উদ্দিন মিয়া নিয়মিত গণশুনানি আয়োজন, সরাসরি তদারকি এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে প্রশাসনের দূরত্ব কমিয়ে এনেছেন। তার নেতৃত্বে তেজগাঁও রাজস্ব সার্কেল এখন একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ভূমি অফিসে পরিণত হয়েছে যেখানে প্রতিটি কার্যক্রম নির্ধারিত নিয়ম ও সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন হচ্ছে। তার সহকর্মীদের মধ্যেও তিনি সততা ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করতে সক্ষম হয়েছেন যা পুরো অফিসের কর্মপরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। একজন সৎ ও উদ্যমী প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে মুহাম্মদ আছিফ উদ্দিন মিয়া প্রমাণ করেছেন সৎ ইচ্ছা ও দৃঢ় নেতৃত্ব থাকলে সরকারি সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। তার এই সফলতা শুধু তেজগাঁও সার্কেলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় বরং সারাদেশের ভূমি প্রশাসনের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা আছিফ উদ্দিন মিয়া ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ভূমি সেবা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও জনবান্ধব করে তুলবেন আর তার এই নিষ্ঠা, সততা ও কর্মস্পৃহাই তাকে একজন ব্যতিক্রমী এবং প্রশংসনীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এসিল্যান্ড আছিফ উদ্দিনের ভূমি সেবায় অসামান্য সাফল্য

আপডেট: ০৬:১৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

মোঃ মনিরুজ্জামান মনির :
রাজধানীর ব্যস্ততম প্রশাসনিক পরিমণ্ডলে তেজগাঁও রাজস্ব সার্কেল আজ এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছে আর এই ইতিবাচক পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আছিফ উদ্দিন মিয়া। সততা, দক্ষতা ও জনসেবার প্রতি অটল প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে তিনি এমন এক প্রশাসনিক সংস্কৃতি গড়ে তুলেছেন যেখানে সাধারণ মানুষ হয়রানিমুক্তভাবে দ্রুত ও স্বচ্ছ সেবা পাচ্ছেন। ২০২১ সালে প্রশাসনিক ক্যারিয়ার শুরু করে নড়াইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করা এই কর্মকর্তা পরবর্তীতে কুড়িগ্রামের রৌমারী ও বান্দরবানের দুর্গম থানচি উপজেলা ভূমি অফিসে দায়িত্ব পালন করে মাঠ প্রশাসনে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েই ৩১ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে তেজগাঁও রাজস্ব সার্কেলে যোগদানের পর থেকে তিনি পুরো অফিস ব্যবস্থাপনাকে নতুন করে সাজান। দালালচক্রের প্রভাবমুক্ত করে সরাসরি সেবা প্রদানের একটি কার্যকর ব্যবস্থা চালু করেন ফলে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে থাকা সাধারণ মানুষ এখন নির্বিঘ্নে নামজারি, খাজনা, মামলা সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারছেন। তার দৃঢ় অবস্থানের কারণে দালালদের দৌরাত্ম্য কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে এবং অফিসের পরিবেশ হয়ে উঠেছে সেবাবান্ধব ও স্বচ্ছ। তিনি ঘুষ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল থেকে প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন। তার নেতৃত্বে নভেম্বর ২০২৪ থেকে এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত সময়ে ৩১,৪৫৪টি নামজারি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে যা একটি বিশাল কর্মযজ্ঞের প্রতিফলন। পাশাপাশি ১,১৭৯টি মিস কেস নিষ্পত্তি, ১০৮টি রেন্ট সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তি এবং ৫৬৬টি দেওয়ানী মোকদ্দমার এসএফ প্রেরণ করা হয়েছে। প্রতিটি পরিসংখ্যানই তার কর্মদক্ষতা ও টিম ম্যানেজমেন্টের শক্ত প্রমাণ বহন করে। বিশেষ করে অক্টোবর ২০২৫ সালে ২,৭৩৮টি নামজারি নিষ্পত্তি একটি রেকর্ডধর্মী সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে যা তার গতিশীল নেতৃত্বকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। শুধু মামলা নিষ্পত্তিই নয় রাজস্ব আহরণেও তিনি অসাধারণ কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ে ১১ কোটি ২০ লাখ ৫৩ হাজার ৬৬৮ টাকা সংগ্রহ করে লক্ষ্যমাত্রার ১২২ শতাংশ অর্জন করেছেন যা একটি ব্যতিক্রমী সাফল্য এবং কার্যকর প্রশাসনিক তৎপরতারই ফল। একই সঙ্গে খাস জমি ব্যবস্থাপনায়ও তিনি নজির স্থাপন করেছেন। তেজগাঁও সার্কেলের অধীন ৪৭৫.৩৯৭২ একর খাস জমির মধ্যে ৩৯২.৭৮৮৪ একর সরকারি দখলে নিশ্চিত করা হয়েছে এবং অবৈধ দখলে থাকা ৮.৩৭৭২ একর জমি উদ্ধারে জোরালো কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে তার কঠোর অবস্থান জনস্বার্থ রক্ষায় প্রশাসনের দায়িত্বশীলতার পরিচায়ক। সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আছিফ উদ্দিন মিয়ার অফিসে সেবা নিতে এসে কোনো প্রকার অতিরিক্ত অর্থ বা অনৈতিক সুবিধা দিতে হয় না ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে তৈরি হয়েছে আস্থা ও সন্তুষ্টি। প্রতিদিন অসংখ্য সেবাপ্রার্থী তার অফিসে এসে দ্রুত সমাধান পাচ্ছেন এবং এই ইতিবাচক অভিজ্ঞতা মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ছে। তেজগাঁও রাজস্ব সার্কেলে, সেবা নিতে আসা বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী প্রাপ্ত সেবা পাওয়ার পরে তিনি এসিল্যান্ডের উদ্দেশ্যে দৈনিক সোনালী খবরের প্রতিবেদককে বলেন তেজগাঁও রাজস্ব সার্কেলের এসিল্যান্ড আছিফ উদ্দিন মিয়া একজন সৎ আদর্শবান ও মানবিক নেতৃত্বের প্রতীক। সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আছিফ উদ্দিন মিয়া নিয়মিত গণশুনানি আয়োজন, সরাসরি তদারকি এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে প্রশাসনের দূরত্ব কমিয়ে এনেছেন। তার নেতৃত্বে তেজগাঁও রাজস্ব সার্কেল এখন একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ভূমি অফিসে পরিণত হয়েছে যেখানে প্রতিটি কার্যক্রম নির্ধারিত নিয়ম ও সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন হচ্ছে। তার সহকর্মীদের মধ্যেও তিনি সততা ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করতে সক্ষম হয়েছেন যা পুরো অফিসের কর্মপরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। একজন সৎ ও উদ্যমী প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে মুহাম্মদ আছিফ উদ্দিন মিয়া প্রমাণ করেছেন সৎ ইচ্ছা ও দৃঢ় নেতৃত্ব থাকলে সরকারি সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। তার এই সফলতা শুধু তেজগাঁও সার্কেলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় বরং সারাদেশের ভূমি প্রশাসনের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা আছিফ উদ্দিন মিয়া ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ভূমি সেবা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও জনবান্ধব করে তুলবেন আর তার এই নিষ্ঠা, সততা ও কর্মস্পৃহাই তাকে একজন ব্যতিক্রমী এবং প্রশংসনীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে