০৭:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

ঢাকা জেলার মোহাম্মদপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের পিয়ন জাহাঙ্গীর আলম অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে দুদকের জালে

  • আপডেট: ০৬:৩০:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / ১৮০১০

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ঢাকার মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের পিয়ন মো. জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ,জাল-জালিয়াতি,কমিশন বাণিজ্য এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের প্রাথমিক যাচাইয়ের পর কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশনায় স্মারক নং ০০.০১.২৬০০.৬১২.০১.১১০৪.২৫.৬৫৪৯০ (তারিখ: ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫) এবং ই-আর তদন্ত-১/১১০৪/২০২৫/ঢাকা-১ এর আওতায় এ অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করা হয়।

পরবর্তীতে একজন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব প্রদান এবং উপপরিচালক, দুদক, সমন্বিত জেলা কার্যালয়-ঢাকা-১-কে তদারককারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্স, তেজগাঁওসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কিছু কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ আদায়, জালিয়াতি এবং কমিশন বাণিজ্যের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

অনুসন্ধানাধীন ব্যক্তিদের তালিকায় মো.জাহাঙ্গীর আলমের পাশাপাশি তার স্ত্রী মোছা. হালিমা আলম এবং পরিবারের সদস্য মো. আল আমিন, সাবিকুন্নাহার সামিয়া, মো. আশরাফুল ইসলাম ও সুমাইয়া আক্তারের নামও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

দুদকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সব রেকর্ডপত্র ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। অনুসন্ধান শেষে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করা হবে।

এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুর্নীতি দমন কমিশন) জানিয়েছে, প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

ঢাকা জেলার মোহাম্মদপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের পিয়ন জাহাঙ্গীর আলম অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে দুদকের জালে

আপডেট: ০৬:৩০:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ঢাকার মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের পিয়ন মো. জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ,জাল-জালিয়াতি,কমিশন বাণিজ্য এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের প্রাথমিক যাচাইয়ের পর কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশনায় স্মারক নং ০০.০১.২৬০০.৬১২.০১.১১০৪.২৫.৬৫৪৯০ (তারিখ: ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫) এবং ই-আর তদন্ত-১/১১০৪/২০২৫/ঢাকা-১ এর আওতায় এ অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করা হয়।

পরবর্তীতে একজন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব প্রদান এবং উপপরিচালক, দুদক, সমন্বিত জেলা কার্যালয়-ঢাকা-১-কে তদারককারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্স, তেজগাঁওসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কিছু কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ আদায়, জালিয়াতি এবং কমিশন বাণিজ্যের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

অনুসন্ধানাধীন ব্যক্তিদের তালিকায় মো.জাহাঙ্গীর আলমের পাশাপাশি তার স্ত্রী মোছা. হালিমা আলম এবং পরিবারের সদস্য মো. আল আমিন, সাবিকুন্নাহার সামিয়া, মো. আশরাফুল ইসলাম ও সুমাইয়া আক্তারের নামও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

দুদকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সব রেকর্ডপত্র ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। অনুসন্ধান শেষে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করা হবে।

এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুর্নীতি দমন কমিশন) জানিয়েছে, প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।