০৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

গুলশান রাজস্ব সার্কেলে এসিল্যান্ড নিলয় রহমানের বৈপ্লবিক পরিবর্তন, ডিজিটাল ও দুর্নীতিমুক্ত ভূমিসেবার অনন্য মডেল

  • আপডেট: ০৮:১৪:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • / ১৮০০৫

মোঃ মনিরুজ্জামান মনির :

রাজধানীর বুকে একসময়ের চিরাচরিত হয়রানির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত ভূমি অফিসগুলোর চিরচেনা রূপ সম্পূর্ণ বদলে দিয়ে সততা, কর্মনিষ্ঠা আর সুশাসনের এক অনন্য ও বৈপ্লবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন গুলশান রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নিলয় রহমান। বিসিএস ৩৮তম ব্যাচের অত্যন্ত চৌকস, প্রাজ্ঞ ও দূরদর্শী এই কর্মকর্তা গুলশান রাজস্ব সার্কেলটিতে যোগদানের পর থেকেই পুরো প্রশাসনিক ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। এই গুরুত্বপূর্ণ সার্কেলটিকে পুরোপুরি দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ রাখতে সর্বদা অত্যন্ত সচেষ্ট ও কঠোর ভূমিকা পালন করে আসছেন। কর্মক্ষেত্রে যোগ দিয়েই তিনি মধ্যস্বত্বভোগী ও দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেন যার ফলে বর্তমানে এই সার্কেলে সাধারণ মানুষের জন্য শতভাগ হয়রানিমুক্ত ও আধুনিক ভূমিসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে। প্রতিটি ভুমি সেবাগ্রহীতা কোনো প্রকার বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই তাদের কাঙ্ক্ষিত অধিকার ফিরে পাচ্ছেন। এসিল্যান্ড মোঃ নিলয় রহমানের সুদক্ষ নির্দেশনা, সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ও প্রতিনিয়ত সঠিক দিকনির্দেশনায় গুলশান সার্কেলটিকে পুরোপুরি জনবান্ধব ও সেবাবান্ধব করে তুলেছেন তাঁর অফিসের একঝাঁক অত্যন্ত নিষ্ঠাবান ও দক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারী। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম এই পরিবর্তনের পথকে আরও মসৃণ করেছে। এই সফল কর্মযজ্ঞে তাঁর প্রধান সহযোগী হিসেবে অত্যন্ত প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে চলেছেন কানুনগো আতাউর রহমান যিনি প্রতিটি ফাইলের আইনি ও টেকনিক্যাল বিষয়গুলো অত্যন্ত নিখুঁত ও চুলচেরা বিশ্লেষণ করে কাজের গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন। একই সাথে ভূমির সঠিক পরিমাপ, সীমানা নির্ধারণ ও নকশা সংক্রান্ত জটিলতা অত্যন্ত দ্রুত ও দক্ষতার সাথে নিরসন করে সাধারণ মানুষকে তাৎক্ষণিক স্বস্তি দিচ্ছেন সার্ভেয়ার আবু জাফর। তাছাড়া পুরো অফিসের আর্থিক লেনদেনে শতভাগ স্বচ্ছতা ও সততা বজায় রেখে সরকারি রাজস্ব আদায়ে অনন্য ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছেন নাজির কাম ক্যাশিয়ার মোতাহার হোসেন। এই সার্কেলের আওতাধীন ২৩টি মৌজার জোন ক্লোজিং সম্পন্ন করে শতভাগ ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের এক অভূতপূর্ব ও অনন্য রেকর্ড সৃষ্টি করা হয়েছে যা সরকারের রাজস্ব ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করতে বিশাল অবদান রাখছে। শুধু রাজস্ব আদায়ই নয় বরং সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে ই-নামজারি (মিউটেশন) ও জটিল মিস কেস নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে এই সার্কেল এক বিশেষ ও অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। স্বয়ং এসি ল্যান্ডের আধুনিক, বিজ্ঞানসম্মত ও যুগোপযোগী দিকনির্দেশনা এই অফিসটিকে পুরোপুরি একটি আধুনিক ডিজিটাল সেবাকেন্দ্রে রূপান্তরিত করে তুলেছে। যার ফলে সংশ্লিষ্ট গুলশানবাসী এখন অত্যন্ত দ্রুত ও নিখুঁতভাবে তাদের ভূমিসেবা পাওয়ার কারণে অত্যন্ত আনন্দিত ও সন্তুষ্ট। মোঃ নিলয় রহমানের এই অসাধারণ, জনকল্যাণমুখী ও গতিশীল নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় এবং গৌরবময় রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি মিলেছে সম্প্রতি দেশব্যাপী উদযাপিত ‘ভূমি সেবা মেলা, ২০২৬’-এ। যেখানে তাঁর সুনিপুণ পরিচালনা ও অসাধারণ পারফরম্যান্সের কারণে ঢাকা মহানগরের শত শত সার্কেলের মধ্যে গুলশান রাজস্ব সার্কেল দ্বিতীয় স্থান অধিকার করার এক অনন্য ও ঐতিহাসিক গৌরব অর্জন করেছে। মেলায় ডিজিটাল ভূমিসেবার সফল প্রদর্শন, রেকর্ড সময়ে ই-নামজারি নিষ্পত্তি এবং নাগরিকদের দোরগোড়ায় সরাসরি সেবা পৌঁছে দেওয়ার অভাবনীয় সাফল্যের ওপর ভিত্তি করেই এই মহান স্বীকৃতি মিলেছে যা গুলশান সার্কেলের কাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনবান্ধব চরিত্রকে সমগ্র দেশের সামনে এক উঁচুতে নিয়ে গেছে। এই বিশাল ও মর্যাদাপূর্ণ সাফল্য আজ সুনির্দিষ্টভাবে প্রমাণ করে যে একজন সৎ, আন্তরিক ও দূরদর্শী কর্মকর্তার সঠিক দিকনির্দেশনা ও যোগ্য নেতৃত্বে কীভাবে একটি সরকারি অফিস সাধারণ মানুষের পরম আস্থার প্রতীক এবং সেবার স্বর্গে পরিণত হতে পারে। গুলশান সার্কেলে সেবা নিতে আসা সাধারণ নাগরিকরা এখন কোনো প্রকার বাড়তি অর্থ অপচয় বা তদবিরের সাহায্য ছাড়াই অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের ভূমি সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারছেন। ফলে একদিকে যেমন সরকারের প্রত্যক্ষ রাজস্ব আয় বহুগুণ বৃদ্ধি পাচ্ছে ঠিক তেমনিভাবে মাঠ প্রশাসনের প্রতি সাধারণ জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা পূর্বের তুলনায় আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে। কর্মক্ষেত্রে অবদানের জন্য নিলয় রহমান শুধু গুলশানের বুকেই নন বরং পুরো ঢাকা জেলা জুড়েই এক জনপ্রিয় ও মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে সাধারণ ভুমি সেবাপ্রত্যাশিদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। একজন আদর্শবান, জনবান্ধব, সৎ ও অত্যন্ত কর্মদক্ষ সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে এসিল্যান্ড মোঃ নিলয় রহমান বর্তমান তরুণ প্রজন্মের সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তাদের জন্য এক দারুণ এবং বাস্তবমুখী অনুপ্রেরণা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তাঁর সততা, মেধা ও সুযোগ্য নেতৃত্বে গুলশান রাজস্ব সার্কেলটি আজ বাংলাদেশের অন্যান্য সমস্ত ভূমি অফিসের জন্য একটি অনুকরণীয়, সফল এবং আদর্শ মডেল হিসেবে দেশজুড়ে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত ও সমাদৃত হচ্ছে যা একটি আধুনিক ও উন্নত নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণের পথকে আরও সুগম করে তুলবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

গুলশান রাজস্ব সার্কেলে এসিল্যান্ড নিলয় রহমানের বৈপ্লবিক পরিবর্তন, ডিজিটাল ও দুর্নীতিমুক্ত ভূমিসেবার অনন্য মডেল

আপডেট: ০৮:১৪:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

মোঃ মনিরুজ্জামান মনির :

রাজধানীর বুকে একসময়ের চিরাচরিত হয়রানির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত ভূমি অফিসগুলোর চিরচেনা রূপ সম্পূর্ণ বদলে দিয়ে সততা, কর্মনিষ্ঠা আর সুশাসনের এক অনন্য ও বৈপ্লবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন গুলশান রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নিলয় রহমান। বিসিএস ৩৮তম ব্যাচের অত্যন্ত চৌকস, প্রাজ্ঞ ও দূরদর্শী এই কর্মকর্তা গুলশান রাজস্ব সার্কেলটিতে যোগদানের পর থেকেই পুরো প্রশাসনিক ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। এই গুরুত্বপূর্ণ সার্কেলটিকে পুরোপুরি দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ রাখতে সর্বদা অত্যন্ত সচেষ্ট ও কঠোর ভূমিকা পালন করে আসছেন। কর্মক্ষেত্রে যোগ দিয়েই তিনি মধ্যস্বত্বভোগী ও দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেন যার ফলে বর্তমানে এই সার্কেলে সাধারণ মানুষের জন্য শতভাগ হয়রানিমুক্ত ও আধুনিক ভূমিসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে। প্রতিটি ভুমি সেবাগ্রহীতা কোনো প্রকার বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই তাদের কাঙ্ক্ষিত অধিকার ফিরে পাচ্ছেন। এসিল্যান্ড মোঃ নিলয় রহমানের সুদক্ষ নির্দেশনা, সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ও প্রতিনিয়ত সঠিক দিকনির্দেশনায় গুলশান সার্কেলটিকে পুরোপুরি জনবান্ধব ও সেবাবান্ধব করে তুলেছেন তাঁর অফিসের একঝাঁক অত্যন্ত নিষ্ঠাবান ও দক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারী। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম এই পরিবর্তনের পথকে আরও মসৃণ করেছে। এই সফল কর্মযজ্ঞে তাঁর প্রধান সহযোগী হিসেবে অত্যন্ত প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে চলেছেন কানুনগো আতাউর রহমান যিনি প্রতিটি ফাইলের আইনি ও টেকনিক্যাল বিষয়গুলো অত্যন্ত নিখুঁত ও চুলচেরা বিশ্লেষণ করে কাজের গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন। একই সাথে ভূমির সঠিক পরিমাপ, সীমানা নির্ধারণ ও নকশা সংক্রান্ত জটিলতা অত্যন্ত দ্রুত ও দক্ষতার সাথে নিরসন করে সাধারণ মানুষকে তাৎক্ষণিক স্বস্তি দিচ্ছেন সার্ভেয়ার আবু জাফর। তাছাড়া পুরো অফিসের আর্থিক লেনদেনে শতভাগ স্বচ্ছতা ও সততা বজায় রেখে সরকারি রাজস্ব আদায়ে অনন্য ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছেন নাজির কাম ক্যাশিয়ার মোতাহার হোসেন। এই সার্কেলের আওতাধীন ২৩টি মৌজার জোন ক্লোজিং সম্পন্ন করে শতভাগ ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের এক অভূতপূর্ব ও অনন্য রেকর্ড সৃষ্টি করা হয়েছে যা সরকারের রাজস্ব ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করতে বিশাল অবদান রাখছে। শুধু রাজস্ব আদায়ই নয় বরং সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে ই-নামজারি (মিউটেশন) ও জটিল মিস কেস নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে এই সার্কেল এক বিশেষ ও অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। স্বয়ং এসি ল্যান্ডের আধুনিক, বিজ্ঞানসম্মত ও যুগোপযোগী দিকনির্দেশনা এই অফিসটিকে পুরোপুরি একটি আধুনিক ডিজিটাল সেবাকেন্দ্রে রূপান্তরিত করে তুলেছে। যার ফলে সংশ্লিষ্ট গুলশানবাসী এখন অত্যন্ত দ্রুত ও নিখুঁতভাবে তাদের ভূমিসেবা পাওয়ার কারণে অত্যন্ত আনন্দিত ও সন্তুষ্ট। মোঃ নিলয় রহমানের এই অসাধারণ, জনকল্যাণমুখী ও গতিশীল নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় এবং গৌরবময় রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি মিলেছে সম্প্রতি দেশব্যাপী উদযাপিত ‘ভূমি সেবা মেলা, ২০২৬’-এ। যেখানে তাঁর সুনিপুণ পরিচালনা ও অসাধারণ পারফরম্যান্সের কারণে ঢাকা মহানগরের শত শত সার্কেলের মধ্যে গুলশান রাজস্ব সার্কেল দ্বিতীয় স্থান অধিকার করার এক অনন্য ও ঐতিহাসিক গৌরব অর্জন করেছে। মেলায় ডিজিটাল ভূমিসেবার সফল প্রদর্শন, রেকর্ড সময়ে ই-নামজারি নিষ্পত্তি এবং নাগরিকদের দোরগোড়ায় সরাসরি সেবা পৌঁছে দেওয়ার অভাবনীয় সাফল্যের ওপর ভিত্তি করেই এই মহান স্বীকৃতি মিলেছে যা গুলশান সার্কেলের কাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনবান্ধব চরিত্রকে সমগ্র দেশের সামনে এক উঁচুতে নিয়ে গেছে। এই বিশাল ও মর্যাদাপূর্ণ সাফল্য আজ সুনির্দিষ্টভাবে প্রমাণ করে যে একজন সৎ, আন্তরিক ও দূরদর্শী কর্মকর্তার সঠিক দিকনির্দেশনা ও যোগ্য নেতৃত্বে কীভাবে একটি সরকারি অফিস সাধারণ মানুষের পরম আস্থার প্রতীক এবং সেবার স্বর্গে পরিণত হতে পারে। গুলশান সার্কেলে সেবা নিতে আসা সাধারণ নাগরিকরা এখন কোনো প্রকার বাড়তি অর্থ অপচয় বা তদবিরের সাহায্য ছাড়াই অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের ভূমি সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারছেন। ফলে একদিকে যেমন সরকারের প্রত্যক্ষ রাজস্ব আয় বহুগুণ বৃদ্ধি পাচ্ছে ঠিক তেমনিভাবে মাঠ প্রশাসনের প্রতি সাধারণ জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা পূর্বের তুলনায় আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে। কর্মক্ষেত্রে অবদানের জন্য নিলয় রহমান শুধু গুলশানের বুকেই নন বরং পুরো ঢাকা জেলা জুড়েই এক জনপ্রিয় ও মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে সাধারণ ভুমি সেবাপ্রত্যাশিদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। একজন আদর্শবান, জনবান্ধব, সৎ ও অত্যন্ত কর্মদক্ষ সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে এসিল্যান্ড মোঃ নিলয় রহমান বর্তমান তরুণ প্রজন্মের সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তাদের জন্য এক দারুণ এবং বাস্তবমুখী অনুপ্রেরণা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তাঁর সততা, মেধা ও সুযোগ্য নেতৃত্বে গুলশান রাজস্ব সার্কেলটি আজ বাংলাদেশের অন্যান্য সমস্ত ভূমি অফিসের জন্য একটি অনুকরণীয়, সফল এবং আদর্শ মডেল হিসেবে দেশজুড়ে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত ও সমাদৃত হচ্ছে যা একটি আধুনিক ও উন্নত নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণের পথকে আরও সুগম করে তুলবে।