১১:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

পল্লবীতে কিশোরীকে ধর্ষণের পর সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দিলো প্রতিবেশী

  • আপডেট: ১০:০৩:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • / ১৮০০২

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে জোর করে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক মো.আনোয়ার হোসেন সাঈদকে (৫০) গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।

গুরুতর আহত অবস্থায় ভুক্তভোগী কিশোরীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) রাতে ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মোস্তাক সরকা এসব তথ্য জানান

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার বড় ভাই তাদের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করেন। এক বছর আগে তাদের মা মারা যান। প্রতিবেশী আনোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ওই কিশোরীকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করাসহ কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন।

গতকাল শুক্রবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিটের দিকে ভুক্তভোগী কিশোরী শৌচাগার থেকে ঘরে ফিরছিল। এ সময় তার মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক নিজের ভাড়া বাসায় নিয়ে যান আনোয়ার।

সেখানে কিশোরীকে মারধর এবং মুখে বালিশ চাপা দিয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করেন। পরে অভিযুক্ত আনোয়ার ওই কিশোরীকে বিবস্ত্র ও অচেতন অবস্থায় বাসার পাশে সেপটিক ট্যাংকের ভেতর ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

শনিবার ভোরে এক প্রতিবেশী ওজু করার জন্য কলপাড়ে গেলে সেপটিক ট্যাংকে ওই কিশোরীকে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করেন। পরে স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।

ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন সাঈদকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে পল্লবী থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।

এ বিষয়ে ডিসি মো. মোস্তাক সরকা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ চলমান।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

পল্লবীতে কিশোরীকে ধর্ষণের পর সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দিলো প্রতিবেশী

আপডেট: ১০:০৩:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে জোর করে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক মো.আনোয়ার হোসেন সাঈদকে (৫০) গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।

গুরুতর আহত অবস্থায় ভুক্তভোগী কিশোরীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) রাতে ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মোস্তাক সরকা এসব তথ্য জানান

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার বড় ভাই তাদের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করেন। এক বছর আগে তাদের মা মারা যান। প্রতিবেশী আনোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ওই কিশোরীকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করাসহ কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন।

গতকাল শুক্রবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিটের দিকে ভুক্তভোগী কিশোরী শৌচাগার থেকে ঘরে ফিরছিল। এ সময় তার মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক নিজের ভাড়া বাসায় নিয়ে যান আনোয়ার।

সেখানে কিশোরীকে মারধর এবং মুখে বালিশ চাপা দিয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করেন। পরে অভিযুক্ত আনোয়ার ওই কিশোরীকে বিবস্ত্র ও অচেতন অবস্থায় বাসার পাশে সেপটিক ট্যাংকের ভেতর ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

শনিবার ভোরে এক প্রতিবেশী ওজু করার জন্য কলপাড়ে গেলে সেপটিক ট্যাংকে ওই কিশোরীকে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করেন। পরে স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।

ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন সাঈদকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে পল্লবী থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।

এ বিষয়ে ডিসি মো. মোস্তাক সরকা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ চলমান।